
#
পিছনের রাস্তাটা বরাবরই খোলা ছিল তোমার; তাই তুমি হয়ত ধরেই নিয়েছিলে, কেউ জানবেনা প্রতিদিন তুমি ইচ্ছে মত পাড়া-মহল্লায় দাপিয়ে বেড়াও । যেহেতু তুমি এখনো আক্রান্ত হওনি এবং তোমার বিশ্বাস ভবিষ্যতেও হবেনা । তাই নারায়নগঞ্জ থেকে পালিয়ে আসার তিন দিন পর যে ছেলেটা জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা নিয়ে মারা গেল, অনেক মাথামোটার মত তুমিও ধরে নিয়েছিলে, ওটা নিছক মৌসুমী আবহাওয়ার কারণে হয়েছে । এরপর তোমার আশেপাশে পাঁচজন করোনারোগী সনাক্ত হলো, তুমি পাত্তা দিলেনা । যদিও মৃত ছেলেটার শরীরে করোনাভাইরাস ছিল কি না, তা আজও জানা যায়নি ।
এত কিছুর পর তুমি এখনো বেপরোয়া,বন্ধুদের সাথে এক জায়গায় গাদাগাদি করে বসে সিগারেট খাও, আড্ডা দাও । তোমার বাবা-মা তোমাকে কিছু বলেনা, কারণ তুমি তাদের কথা শোনোনা । অথচ তুমি বুঝতে পারছো না তোমার কারণে তোমার বাবা-মায়ের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে ।
#
তোমার ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করতে পারব না বলে বলতে পারছি না, তুমি ফ্যাক্টরীতে যেওনা, আমাদের সামনে এখনো অনেক বিপদ, বাতাসে তার প্রতিধ্বনি শুনতে পাওয়া যায় । এখন তুমি ক্ষুধায় মরবে না করোনা সংক্রমিত হবে, তা তোমাকেই ঠিক করতে হবে । তুমি পর পর দুটো হাঁচি দিলে তোমার ধারে কাছে কেউ আর আসবে না । এমন কি তোমাকে গলাধাক্কা দিয়ে বেরও করে দিতে পারে ফ্যাক্টরী থেকে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

