মনি মানিক্য রত্ন কার না পছন্দ। কত রকমের আকাঙ্খা এই রত্ন ভাণ্ডা গড়ে তোলার। হীরা তার মধ্যে সবচেয়ে দামি।
গভীর মাটির নীচে কার্বন থেকে কয়লা তাপে ও চাপে এই মহামূল্যবান হীরা উৎপন্ন হয়।
খনির ভিতর থেকে তুলে সে মহা মূল্যবান পাথরটিকে নানা রকম আকৃতিতে কেটে ঝকঝকে করে তোলা হয়। গড়া হয় গহনা। স্বযত্নে তা শরীরে ধারন করতে কি আগ্রহই না মানুষের।
টিভিতে একটা অনুষ্ঠান হয় কিছু বিলিয়নিয়ার যাদের ড্রাগণ বলা হয়। তাদের কাছ থেকে ব্যবসার জন্য টাকা ধার করতে আসেন লোকজন। ঝানু ব্যবসায়ি তাঁরা যদি সন্তুষ্ট হন প্রডাক্টটি দেখে বিনিয়গের মূল্য শতগুণে ফেরত আসবে বুঝতে পারেন তবেই টাকা ঋণ দেন।
অনেকে অনেক রকম আইডিয়া নিয়ে আসেন কত রকম লোকজন।
সে দিন একজন হীরক ব্যবসায়ি এলেন। হলুদ হীরক টি দেখালেন ড্রাগণদের। যা যথার্থই হীরা। এই হীরার ব্যবসার জন্য তিনি মূলধন নিয়োগ করতে বলছেন ড্রাগণদের। তবে তিনি জানালেন এই হীরাটি তিনি তৈরী করেছেন।
কী ভাবে করেছেন?
হীরাটির নাম একটি মেয়ের নামে। রাশিয়ার একটি মেয়ের সোনালী চুল থেকে তিনি এই হীরাটি তৈরী করেছেন। এবং এভাবে তিনি মানুষের শরীরের কার্বন দিয়ে হীরা তৈরী করে ব্যবসা করতে চান।
মানুষের শরীরের কাবর্নের হীরার কথা শুনে ড্রাগণদের সবার মুখ বিকৃত হয়ে গেলো। ঐ হীরাটি তারা আর ধরে রাখতে চাইলেন না হাতে এবং উৎসাহীও হলেন না কেউ এমন ব্যবসায় নিয়োগে।
তবে তাদের পরনের অলঙ্কার হীরাগুলো নিয়ে তারা কোন সন্দেহ পোষণ করলেন না। খুলে ফেলে দিলেন না।
না জেনে আমরা কত কিছুই করে যাচ্ছি অথচ জানার পর কেমন বিশ্রী লাগে ব্যাপারটা। সেদিন থেকে ভেবে আমার নিজের কাছে মনে হচ্ছে, অনেক বছর মাটির নীচে চাপা পরে থেকে প্রাকৃতিক তাপে ও চাপে যে রত্ন তৈরী হয়। মাটির গভীর থেকে খুঁড়ে তুলে আনে শ্রমিক যে পাথর মূল্য দিয়ে তা কিনে নিতে কোন বাঁধা নেই।
মাটির নীচের হীরক; গাছ, পাথর ছাড়া মানুষের শব দেহের হাজার বছরের পরিবর্তিত কার্বন রূপ হতে পারে। যা তৈরী হয় কার্বনে সেখান থেকে যা আমরা শরীরে ধারণ করে থাকি মহা আনন্দে। অথচ সঠিক বিষয়টি তুলো আনা মানুষটিকে আমাদের অসহ্য মনে হলো।
চুল থেকে তৈরী হলুদ হীরা বাজারে আসন করে নিচ্ছে দ্রুত দেখতে পেলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


