
ফ্রান্স উত্তপ্ত লাখো মানুষের প্রতিবাদ, প্রতিদিনের খরচ সামলানোর জন্য প্রতিবাদে নেমেছে হাই স্কুলের ছাত্ররা। কি অদ্ভুত মিল বাংলাদেশের চব্বিশ সালের আন্দোলনের সাথে। শিক্ষা ব্যবস্থা আর জীবন যাপনের খরচের সাথে দেশের সম্পদ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়ার কি সম্পর্ক। নিজেদের ভালো চাওয়ার জন্য যারা দেশের সম্পদ নষ্ট করে ফেলে তাদের চাওয়াটা প্রশ্নবোধক হয়ে যায়।
প্রতিবাদ হচ্ছে খুব ভালো কিন্তু দেশের সম্পদ। শত বছরের ঐতিহ্য ভেঙ্গে জ্বালিয়ে আর দোকানপাট লুট করে অন্যদের আয়ের উৎস নষ্ট করা, কেমন প্রতিবাদ।
প্রতিবাদ হচ্ছে বেলজিয়ামে। মিলানে, আলবেনিয়ায়।
ইউরোপ জুড়েই আন্দোলনের হাওয়া লেগেছে। যেন সবাই মিলে রাস্তায় নামাটা খুব মজার একটা বিষয়। সুন্দর সুন্দর শহর বেশ সুন্দর নিয়মে চলা দেশগুলো জুড়ে এই আন্দোলনকারীরা কি বদলাতে চায় কিসের ভিত্তিতে পরিবর্তন করতে চায় কিছুই পরিস্কার নয়। আগে যাও তাদের প্রতিবাদে এক ধরনের সংস্কৃতিক আন্দোলনের ছোঁয়া ছিল।
ইয়েলোভেস্ট আন্দোলনে দেখেছিলাম কৃষকরা গোবর আর মাটি ছড়িয়ে দিচ্ছে অফিসগুলোতে। তাদের প্রতিবাদ হয়েছিল ধূয়ে মুছে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছিল শহর কিন্তু ধ্বংস হয়নি কিছু। এই দেশগুলোর পথ ধরে অনেক চলেছি । স্থাপনা গুলো দেখেছি । মানুষের আচরণেও ভালো ব্যবহার পেয়েছি। এমন আগুন জ্বলতে দেখে ভালোলাগছে না।
এবার তাদের চাওয়াটাই কেমন হিংস্রতায় বদলে গেলো। প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে গেলো । নানা ধরনের বিভক্তি চলে আসবে আইনে, নিয়মে এই প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে। যারা কোন গুষ্টির মানুষ, নিরহ জীবন যাপন করছিল। তারা হয় তো রোষের মুখে পরবে এখন কিছুই না করে।
আরো নানা দেশে যুদ্ধ চলছে । উপকার কি হচ্ছে নিজেদের অহংবোধ ধরে রাখতে কেউ ছাড় দিচ্ছে না। মাঝখান থেকে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে সাধারন মানুষ। বাড়ি ঘর ব্যবসা ছাড়খার নিমিশে হামলায়। পরিবারের মানুষ সবাই বেঁচে নেই। পালিয়ে যাচ্ছে মানুষ নিজেদের বাড়ি, ঘর, দেশ ছেড়ে অন্য জায়গায়। সাজানো শহর গুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
বিত্তশালী সৌদি হুটির আক্রমণে লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে।
তেল কেন্দ্রগুলো জ্বলছে পৃথিবীর সব জায়গায়। নষ্ট হচ্ছে পৃথিবীর সম্পদ। তেল ছাড়া মানুষ চলবে কিভাবে? দাম তো বাড়বেই সরবরাহ না থাকলে। শুধু তেলের দাম না সাথে সমস্ত পণ্যের দাম বাড়বে। তেলের উপর নির্ভর করে পণ্য চলাচল করে।
দক্ষিনের দেশের ক্রমাগত নানা রকম হুমকির মুখে উত্তরের কানাডা যখন নিজেদের মতন দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তখন নিজের দেশের মধ্যে বিভক্তির আন্দোলন। আলবার্টা প্রভিন্স আলাদা হতে চায়। আজ চলছে রেফারেন্ডাম ভোট। আলাদা হবে অথবা এক সাথে থাকবে ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। শেষ পর্যন্ত ভোটের হিসাবে আলাদা হতে চাওয়ারা হেরে গেছে। তবে এরা বিরুদ্ধ দল থেমে থাকবে না আবার হুজুগ উঠবে।
চারপাশে এত ভাঙ্গনের শব্দ। পৃথিবীর মানুষ আর কত বিভক্তি, যুদ্ধ, দেখবে। কবে যে আর কোথাও কোন যুদ্ধ থাকবে না। মানুষ হিংসা করবে না অন্য মানুষকে খুব জানতে ইচ্ছা করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


