somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উদ্ধার কর্মী আমি

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাইরেসির বদৌলতে বিকেল বেলাই দেখতে বসছি সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত সাইফ এর Bullet raja, । কি চমৎকার ভাবে নায়িকার সাথে কোমর দুলাইয়া নাচতেছে, আবার একটু পর একাই একশোর পার্ট লইয়া সবকয়ডা ভিলেনরে পিডাইয়া তুলা তুলা কইরা দিতাছে। নায়িকারে আবার সবার হাত থেকে উদ্ধার করতেছে অপূর্ব ভাবে। হঠাৎ ঠিক তখনই বাসার বাইরে কিসের জানি চিল্লাফাল্লা শুনে কানটা খারা করলাম ব্যাপার কি শুনতে, বুঝলাম আমার নিচের তলায় আগুল লাগছে। আয়-হায় এখন কি করি, লুঙ্গি পইরাই দিলাম দৌড়, বাইরে নামতে যামু তখনই শুনি আগুন নিয়ান্ত্রনে কিন্তু নিচের তলার তিনটা পিচ্চি আটকা পরছে, দরজা নাকি বাইরে থেকে লক। নিচে গেলাম ঘটনাটা নিজের চোখে দেখতে, যাইয়া দেখি ছোট-খাটো জটলা হইয়া গেছে, সবাই ইট দিয়া তালা ভাঙ্গতে ব্যাস্ত, আমি যাওয়ার সাথে সাথে কয় এক জন ঘটনা ব্যাখ্যার সাথে তালার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করল। আমিও ওনাদের সাথে তালা ভাঙ্গার কত ক্ষণ মোহোরা করলাম, কিন্তু মরার তালা কি আর ইট দিয়া ভাঙ্গে। একটু পরি দেখি আমার পাশের বাসার সুন্দরী ও (সুন্দরীর ব্যাপারে পরে বলব) চলে আসছে ঘটনাডা দেখতে। তারে দেইখ্যা তো আমার সিনাডা টান টান হইয়া গেল। আইসাই কয় ভাইয়া কি হইছে (আহ কি সুন্দর কইরা কথা কয়)। বললাম আগুন লাগছিল, তবে চিন্তার কোন কারন নাই আগুন নিয়ন্ত্রণে, এখন দরজা খলা হচ্ছে। সে বলল, ভাইয়া যে তালা মনে হয় না ভাঙ্গবে , আপনারা দরজা ভাংছেন না কেন। আহ কথাডা শুইনা মনে হইল এত মানুষ কেউ এই বুদ্ধি দিতে পারল না আসলে ও যেমন সুন্দর তার বুদ্ধি খানা যেন তারই মত সুন্দর। আর কোন কথা না বলেই ঝাপাইয়া পরলাম দরজা ভাঙ্গার কাজে, শুরু করলাম এক জন এক জন কইরা লাথি মারা, প্রথম দুই তিনটা লাথি বীর পালয়ান এর মতই দিলাম কিন্তু দরজাটা এক চুল ও সরল না কোন দিকে। তারপর দিলাম আর এক লাথি কিছু বুঝলাম না, মনে হইল কি জানি ঝাকি দিয়া উঠলো প্রথমে মনে হইছিল দরজাটা ভাইঙ্গা গেছে কিন্তু না একটু পরে পায়ে বিরাট যন্ত্রণা :(( অনুভব করলাম। মনে হইল আমার পা খানা ভাইঙ্গা গেছে :(( না হইলে নির্ঘাত হাড্ডি সরে গেছে। আমি আর কি উদ্ধার করমু, আমারে এখন কে উদ্ধার করবে, মামা আমি তো ফাইসা গেছি মাইনকার চিপায়। তখন ব্যাথার চাইতে বেশি অনুভব করলাম আমার ফাটা প্রেস্টিজের। আমার সুন্দরীর কাছে কি আমার প্রেস্টিজের বারটা বাজল :|
কিন্তু না খেয়াল কইরা দেখলাম আমার সুন্দরী ভিরের মধ্যে নাই কখন জানি চলে গেছে বুঝতেই পাই নাই B-) আহ কি শান্তি। কিন্তু হায় এই কি আমি তো হাটতেই পারছি না :-/
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:২২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×