somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি মৃত রাত ও স্বপ্ন বৃক্ষের ছায়াতলে

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গোলাগুলির শব্দ ক্রমশ এগিয়ে আসছে । পরেশদা ঘরময় পায়চারী করছে। মৃন্ময় চুপচাপ বিছানায় বসে। ঘরের নীরবতা ভাঙ্গে অমৃত।
-দাদা ,আলো জ্বেলে দেবো ?
পরেশদা ফিসফিসিয়ে বলে –না ।
-আমরা যা আশঙ্খা করছিলাম তাই হলো , দাদা ।
মৃন্মময়ের কথার উত্তর কেউ দেয়না । খুব কাছেই অটোমেটিক রাইফেল গর্জে ওটে । মানুষের আর্তনাদ শোনা যায় । আবার চুপচাপ চারপাশে।
-নীচ তলায় দরজায় লাথি মারছে ! অমৃত ভয়ার্ত গলায় বলে ।
- ওরা মনে হয় আমাদের ধরে নিয়ে যাবে ।পরেশদা উত্তর করে।
-দাদা , গুলির যে আওয়াজ , তাতে মনে হচ্ছে পুলিশ নয় , সেনাসদস্য।
- কিন্তু ছাত্র হলে সেনা আসবে কেন ? মুজিবের সাথে আলোচনা চলছে ।মৃন্ময়ের কথা শুনে পরেশ বলে।

কেওটখালি হতে রিক্সা নেয় মৃন্ময় । লাবনী ওকে বোটানিক্যাল গার্ডেনে থাকতে বলেছে । আজকের পর লাবনীর সাথে বেশ কিছুদিন দেখা হবেনা । পরীক্ষা প্রায় কাছেই । আগামীকাল ঢাকায় যাবে । অবশ্য বাবা বলছিল , কিছুদিন দেখে তারপর ঢাকায় যেতে । রেসকোর্স ময়দানে মুজিবের ভাষণের পর গোটা দেশ টগবগ করে ফুটছে।
রিক্সা ভাড়া মিটিয়ে মৃন্ময় নদীর পারে গিয়ে বসে । লাবনীকে বলা আছে ও বকুল তলায় থাকবে । লাবনী আনন্দ মোহন কলেজে পড়ে । ওদের বাড়ি নাটক ঘর লেনে। মৃন্ময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিক্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র । মৃন্ময়ের বাবা আনন্দ মোহন কলেজে অধ্যাপনা করেন ।

-দিদি কোথায় যাবি ? শাড়ি পড়লি যে ?
ছোট বোনের প্রশ্ন শুনে ওর দিকে তাকায় লাবনী ।
-কলেজে ।
- আমার মনে হয় মৃন্ময়দা এসেছে।
প্রিয়াঙ্কার কথার কোন উত্তর দেয়না সে ।
-তোকে যা সুন্দর লাগছেনা দিদি কি বলবো ! মৃন্ময়দা আজ চোখ ফেরাতে পারবেনা দেখিস ।
-তুই খুব পেকেছিস বুঝলি । কপালের টিপ ঠিক করতে করতে লাবনী বলে।
-মা , আমি কলেজ যাচ্ছি । ক্লাস শেষে বান্ধবীদের সাথে ভার্সিটিতে যাবো।
-তাড়াতাড়ি আসবি ।
লাবনী বাসা হতে বেরিয়ে পড়ে।

লাবনী খেয়াল করে মৃন্ময়ের চোখের মুগ্ধতা । ওর বুকের মধ্যে খুশির ঝড় ওঠে।
-কতক্ষণ ?
- কতক্ষণ ? তোমার জন্য আজীবন আমি এখানে বসে থাকতে পারি ।
-আজীবন অপেক্ষা ? বিয়ের পর দেখা যাবে ।
-কেন ?
-বিয়ের পর সব পুরুষই বদলে যায়।
- আমি কখনও বদলাবোনা , তুমি দেখো । তোমার এই হাসি যেন সারাজীবন লেগে রয় তোমার ঠোঁটে । জীবনে যত সমস্যা , যত বেদনাই আসুক তোমার এই হাসি যেন হারিয়ে না যায়।
দু’জনে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে । মৃন্ময়ের নাকে খুব মিষ্টি একটা ঘ্রাণ ভেসে আসে। বকুল ফুলের নয় । মৃন্ময়ের খুব প্রিয় এই গন্ধ । ওর ইচ্ছে করে লাবনীকে জড়িয়ে ধরে ওর শরীরের গন্ধ শুঁকতে ।
-চুপ হয়ে গেলে যে বড্ড !
-ভাবছি।
-কি ?
-তোমার শরীরের গন্ধ কত মিষ্টি । শুকে দেখবো কিনা ?
-তুমি না দিন দিন কেমন অসভ্য হয়ে যাচ্ছো ।
মৃন্ময় লাবনীর হাত তার মুঠোতে তুলে নেয়। লাল চুড়ির গোছা আনন্দে ঝলমল করছে লাবনীর হাতে । লাবনীর হাতের তালুতে হাত বুলায় মৃন্ময় ।
-ছাড়ো । সুরসুরি লাগছে । মৃন্ময় খেয়াল করে ঘাড়ের কাছে লাবনীর লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছে । মৃন্ময় লাবনীর মুখের দিকে চায় । সবুজ টিপে খুব সুন্দর লাগছে ওকে ।
-কি দেখছো ?
-ওই সবুজ টিপ ।
- কেন এর আগে কাউকে সবুজ টিপ পড়তে দেখোনি বুঝি ?
-না , অন্য কথা ভাবছি ।
-কি কথা ?
-আমাদের যদি নিজস্ব পতাকা থাকতো ! আর সেই পাতাকার রঙ হতো সবুজ , গাঢ় সবুজ । ঠিক তোমার কপালের এই টিপের রঙে রঙ ।
-আমরা কি স্বাধীন হতে পারবো ?
-কেন পারবোনা ?
-আমরা তো খালি হাতে । আর পাকিস্থানী সেনাবাহিনী কত বড় , আর কত শক্তিশালী !
-তাতে কি হয়েছে ? তুমি কি জানো ফিদেল কতজন বিপ্লবী নিয়ে বিপ্লব শুরু করেছিল ?
-কিন্তু মুজিব তো ফিদেল নয়।
-হ্যাঁ , তা জানি । তবে মুজিবের সাথে সাতকোটি বাঙালি আছে ।
- যুদ্ধ ছাড়া স্বাধীনতা আসবে ?
-প্রয়োজনে যুদ্ধ করবো আমরা । তুমি , আমি , -আমরা সবাই।
লাবনী মৃন্ময়ের মুখের দিকে চেয়ে থাকে । কি সুন্দর একটা আলো মৃন্ময়কে ঘিরে রেখেছে । লাবনীর ইচ্ছা করে মৃন্ময়ের বুকে মাথা রাখতে। খুব ইচ্ছা করে । কিন্তু সাহসে কুলোয়না। লজ্জা ঘিরে ধরে থাকে তাকে।
-তুমি যুদ্ধ করতে পারবে ?
-কেন পারবো না । এই দেশে জন্ম না আমার ? দেশের প্রয়োজনে সবকিছু করতে পারবো । জানো মুজিব যখন বলছিল-যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ো । এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম । তখন মানুষের সে কি গর্জন । সেই গর্জন নিশ্চই ইয়াহিয়া শুনেছে । মনে হয় ইয়াহিয়ার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে ।
- বল কি মুজিবের ভাষণে ইয়াহিয়ার ঘুম হারাম ।
হাসতে হাসতে ঢোলে পড়ে লাবনী । মৃন্ময় প্রাণ ভরে লাবনীর হাস্যোজ্জল মুখটা দেখে । ওর খুব ইচ্ছা করে দুই হাতের তালুতে লাবনীর মুখটা নিতে । কি আছে ওই মুখে , যে কারণে সব সময় ইচ্ছা করে লাবনীকে কাছে পেতে।

-এই নৌকায় উঠবে ?
লাবনী মৃন্ময়কে বলে । ওরা দু’জন নৌকায় উঠে । মার্চের এই সময় ব্রক্ষ্মপুত্র বেশ শুকিয়ে যায় ।
-জানো , আমাদের বাড়ির আশে পাশের অনেকেই ওপারে চলে যাচ্ছে ।
-কেন ?
-এই দেশে নাকি আর থাকা যাবেনা ।
-যত সব পাগলের দল ।
-আমার কাছে কিন্তু মনে হয় ,কথায় কিছুটা সত্য আছে ।
-কেন ,তোমার কাছে এমন মনে হয় কেন ?
-আমাদের সাথে পাকিস্থানীদের বিরুপ আচরণের কারণে ।
-কেউ যদি দেশ হতে চলে যায় , সে আসলে কাপুরুষ আর ভীতু ।
-তুমি বুঝি একাই বীর পুরুষ ?
মৃন্ময় লাবনীর কথার কোন উত্তর করেনা । নৌকার চরাটে শুয়ে পড়ে । আকাশের দিকে চেয়ে থাকে ।
-আকাশে কি দেখছো ? উত্তর দাও ।
-ভাবছি ।
-কি ?
-আচ্ছা জন্মদাতা মা যদি বিপদে পড়ে , তাহলে কি আমাদের মাকে ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে ?
-তুমি আমার কথার উত্তর না দিয়ে , উল্টো আমাকেই প্রশ্ন করছো ?
-তোমার কথার উত্তরইতো দিলাম ।
-বুঝলাম না।
-শোন এই দেশ আমাদের মা নয় ? আমি কি স্বপ্ন দেখি জানো ?
-কি স্বপ্ন ?
-আমাদের যে সন্তান হবে ,তারা জন্ম নেবে স্বাধীন দেশে। আমি যখন মিছিলে যাই তখন একটি শ্লোগান আমার খুব ভাল লাগে ।
-কোনটি ?
-বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো , বাংলাদেশ স্বাধীন করো।

নৌকার মাঝিকে টাকা দেবার সময় মাঝি মৃন্ময়কে প্রশ্ন করে –
স্যার, মুজিবর আমাগো স্বাধীনতা এনে দিতে পারতো ?
-পারবে । পারবে।
-স্যার প্রয়োজনে আমরাও যুদ্ধে ঝাঁপাইতাম ।

মৃ্ন্ময় লাবনীকে শিববাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আসে।
-ঢাকা হতে আবার কবে আসবে ?
-বলতে পারছিনা ।
লাবনী ভ্যানিটি খুলে একটি খাম বের করে।
-এই চিঠি তুমি রাখো । এখন খুলবেনা । ঢাকায় গিয়ে যখন আমার কথা খুব মনে পড়বে তখন এটি খুলে পড়বে ।
লাবনী চলে যায় । মৃ্ন্ময় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে লাবনীর চলে যাওয়া দেখে।

২৪ মার্চ , ১৯৭১ । মৃন্ময়রা মধুর ক্যান্টিনে । সবার মধ্যে অস্থিরতা । এইমাত্র সবাই পিকেটং করে এসেছে । বাংলার উজ্জল মৃন্ময়ের পাশে এসে বসে ।
-মৃন্ময় ,ইয়াহিয়া তো শুধু সময় পার করছে । ওদিকে বিমান বন্দরে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ । চিটাগাং পোর্টে গুলি চলেছে ।
-আমিও তাই শুনেছি ।
পরেশ ওদের কাছ আসে । ওদের নিয়ে আবার মিছিলে ঢুকে পড়ে । গন্তব্য ধানমণ্ডি বত্রিশ নম্বর বাড়ি।

২৫ মার্চ ,রাত তখন সাড়ে এগারো প্রচণ্ড গুলির শব্দ ভেসে আসে মৃন্ময়দের কানে । পাশের রুম হতে অমৃত চলে আসে ওদের ঘরে ।
-পরেশদা, এতো গুলির শব্দ কেন ?
-বোঝা যাচ্ছেনা । তুই দরজা আর লাইট বন্ধ করে বিছানায় এসে বস।
নীচ তলা হতে চিৎকার , কাকুতি-মিনতী ভেসে আসে ।মৃন্ময় লাইট জ্বালিয়ে দেয় ।
পরেশ বন্ধ করতে বলে ।
-দাদা, আর লাভ নেই।
মৃন্ময় প্যান্ট পড়ে নেয় । ড্রয়ার হতে লাবনীর চিঠি বের করে। চিঠি পড়তে শুরু করে।

প্রিয় মৃন্ময়,
এই মুহূর্তে আমাকে তোমার মনে পড়ছে জানি । আমি তোমাকে খুব ভালবাসি। খুউব। ভালো থেকো ভালোবাসা আমার । আমি তোমার অপেক্ষায় আছি । আর তোমার কথাই ভাবছি ।
ইতি-
তোমার লাবনী
চিঠি ভাঁজ করে বুক পকেটে রেখে দেয় । বিছানার তলা হতে রামদা টেনে বের করে । ভারী বুটের শব্দ উপরে উঠে আসে । দরজায় লাথি পড়ে।
-শালা মালাউনকি কুত্তার বাচ্চা , দরজা খোল দো ।
দরজা ভেঙ্গে পড়ে । রাইফেলের গুলির শব্দের আগে সমস্বরের একটি গর্জন শোনা যায়
-“জয় বাংলা “।

যারা লেখাটি পড়লেন , ধরে নিন এটি ইতিহাস নয় । মিথ । কারণ সেনাবাহিনী অস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘুমন্ত ছাত্রদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে এটা কারও কল্পনাতে ছিলোনা। ১৮ নং পাঞ্জাব , ২২ নং বেলুচ , ৩২ নং পাঞ্জাব রেজিমেন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ করে।

পরদিন রেডিওতে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় ঘোষিত হয়-সারা দেশে কঠোর ভাবে সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়েছে। পাকিস্থানের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী বাঙালির প্রতিরোধ আন্দোলন ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া শেখ মুজিবকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়ে কর্কশ গলায় বলে-
“ The man and his party are enemies of Pakistan---- He had attacked the solidarity and integrity of Pakistan, this crime will not go unpunished “.

২৪/০২/২০১৭
ময়মনসিংহ


সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×