somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সানি ও তার কুকুর টমি

২৪ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



-এই মেয়ে তুমি হিজাব পড়নি কেন?
সানিকে বেঁধে ফেলতে ফেলতে লোকটি বলে।গত সন্ধ্যা হতে সানি এ ঘরে বন্দী।ওর জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।ও এই ঘর হতেই মাইকের ঘোষণা শুনতে পাচ্ছে।
-তুমি মুসলিম নারী।হিজাব-বোরকা ছাড়া তুমি বেহেস্তে যাবে কিভাবে?
সানি চুপচাপ শুনতে থাকে।কোন কথা বলেনা।ঘরে মধ্যবয়স্ক একজন প্রবেশ করে।
-কামাল তাড়াতাড়ি প্রস্তুত হও। সোয়াট টিম আমাদের ঘিরে ফেলেছে।আজ আমাদের পরীক্ষার দিন।একদম ভয় পাবেনা।বেহেস্ত আমাদের জন্য সুনিশ্চিত।এই ভেষ্ট কোমরে পেঁচিয়ে নাও।ছাদে চলে যাও।ওখানে ফয়জুল আছে।
কামাল নামের লোকটি কোমরে ভেষ্ট পেঁচিয়ে নেয়। দু’জনে কোলাকুলি করে।
-বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে।অথবা বেহেস্তে।
কামাল দ্রুত গতিতে বের হয়ে যায়।মধ্যবয়স্ক লোকটিও বেরিয়ে যায়।এরপর পরই প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দে সানির কানে তালা লেগে যাওয়ার জোগাড় হয়।সানি আল্লাহু আকবর ধ্বনি শুনতে পায়।

মোযাহার সাহেব অত্যন্ত পরহেজগার ব্যক্তি এবং আধুনিক চিন্তা চেতনায় আস্থাশীল।আজ শুক্রবার। উনি জুমার নামাযের জন্য নিজেকে তৈরি করেন।তার ছোট ভাই নিয়াজ ঢাকা হতে গতকাল বাসায় এসেছে। উনি নামাযের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান।
-চাচ্চু তোমাদের কিভাবে ট্রেনিং দেয়,বলবে।
নিয়াজ সানির দিকে চায়। কত দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে ভাইজিটি। এই সেই দিন হাসপাতাল হতে নিয়ে আসলো ওকে ।আর আজ এইটে পড়ে। নিয়াজ প্রসঙ্গ বদলায়।
-তোর জুডো কেমন চলছে?
-এবার ব্ল্যাক ব্যাল্ট পাবো আশা করছি। চাচু,প্রসঙ্গ বদলিও না। তুমি না ভারী চালাক।
নিয়াজ হাসিতে ফেটে পড়ে।
-হেসোনাতো।চাচু বলোনা তুমি, খুব জানতে ইচ্ছে করে।
-তুই বুঝবিনা।আচ্ছা বল, তুই বড় হলে কি হবি?তোর বাবার মত চোখের ডাক্তার হবি?
-না, আমি বড় হলে গোয়েন্দা হবো।
এই সময় নুসরাত বেগম ঘরে প্রবেশ করেন খাবার হাতে নিয়ে।
-চাচা-ভাছতি কি এতো গল্প হচ্ছে শুনি?
-ভাবি শোন তোমার মেয়ের কথা। তোমার মেয়ে নাকি বড় হয়ে গোয়েন্দা হবে।ডাক্তার হবেনা।
-রাখতো ওর কথা। তুমি গোসল করে আসো। তোমার ভাইয়া এসে পড়বে এখনই।যাওতো যাও।
নিয়াজ গোসল করতে চলে যায়। সানি মাকে খাবার সাজাতে সাহায্য করে।

বিকেলে সানিকে নিয়ে নিয়াজ বাড়ির পিছনে যায়। মোযাহার সাহেব গরু পালেন। নিয়াজকে দেখে বাচ্চা কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করে উঠে।নিয়াজ থমকে যায়।
-এই টমি থাম।
সানি ধমক লাগায়।
-ও হলো আমার চাচু ।চুপ কর।
-এত সুন্দর কুকুরের বাচ্চা কে এনে দিয়েছে তোকে ?
-মোহর আংকেল।
মোযাহার সাহেব গোয়াল ঘরে আসেন। উনি শখের বসে গরু পালন করেন।উনার গোয়ালে এখন দশটি গরু আছে। সবগুলোই লালসিন্ধী জাতের ষাঁঢ় গরু। একটি গরু রেখে বাঁকী গুলো কোরবানীর ঈদে বিক্রি করে দেন। উনি গরু বিক্রির সময় প্রতিবারই লস খান।তবু গরু পালেন। এটাই উনার নেশা।
-ভাইয়া এবার কোনটি কোরবানী দেবেন?
-লালুকে এবার কোরবানী দেবো।
এই বলে মোযাহার সাহেব টকটকে লাল রঙের গরুর কাছে যান। গরুর মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।
-নিয়াজ তোর ট্রেনিং আর কতদিন চলবে ?
-একমাস।
মোহর চা নিয়ে আসে গোয়াল ঘরে। নুসরাতও চলে আসে গোয়াল ঘরে গল্প করতে।
-নিয়াজ তোমার পোষ্টিং কি সিরাজগঞ্জেই হবে?
নিয়াজকে প্রশ্ন করে নুসরাত।
-বগুড়ায় হবে।
-কি দরকার ছিল বলতো ,ওই শাখায় যোগ দেবার ? দেশে যে হারে জঙ্গী বাড়ছে।
টমি লেজ নাড়তে নাড়তে নুসরাতের কাছে আসে ।নুসরাত টমির মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।
-বাবা, জঙ্গী কি ? মানুষ জঙ্গী হয় কেন?
মেয়ের কথায় মোযাহার সাহেব নড়েচড়ে বসেন।মোহরকে সিগারেটের প্যাকেট আনতে বলেন।
-এই শুরু হলো বাপ আর মেয়ের রাজনীতির আলোচনা। মেয়েকে কি রাজনীতিবিদ বানাবে সবাই মিলে?
নুসরাতের কথার কোন উত্তর দেননা মোযাহার সাহেব। উনি সিগারেট ধরান।তারপর বলতে শুরু করেন।
-রাজনীতি। হ্যাঁ রাজনীতি আর জঙ্গীবাদ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
-রাজনীতির সঙ্গে জঙ্গীবাদের সম্পর্ক কি?
- আছে মা আছে। সম্পদ দখলের লড়াইয়ে পুঁজিবাদ জঙ্গীবাদকে ব্যবহার করছে।
-আমাদের দেশের সাথে এর সম্পর্ক কোথায়,বাবা ?আমাদের দেশের মানুষ জঙ্গী হচ্ছে কেন ?
-শোন,মধ্যপ্রাচ্যের তেলের লোভে আর অস্ত্র ব্যবসার সুবিধার জন্যে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গী তৈরি করে। আর এর সাথে ইসরাইলও জড়িত।
-বাবা,জঙ্গী শুধু মুসলমানের মধ্যেই কেন ?কেন একজন হিন্দু জঙ্গী ,একজন বোদ্ধ ,একজন খৃস্টান জঙ্গী পাওয়া যায়না?
সানির কথায় নীরবতা নেমে আসে গোয়াল ঘরে।
মোযাহার সাহেব নীরবতা ভাঙ্গেন।
-এই কথার সঠিক জবাব আমার কাছেও নেই মা।তবে জঙ্গীবাদ ,উগ্রবাদ এক ধরনের নেশা ।হেরোইন আসক্তির মত। এই নেশায় যারা আসক্ত ,তাদের অকাল মৃত্যুই একমাত্র গন্তব্য।জঙ্গীবাদ ফ্যাশনও বটে।আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন রিসিপ্টর বলে একটা রিসিপ্টর আছে। ওই রিসিপ্টর হাইপার একটিভ হলে মানুষ আজগুবি সব গল্প বিশ্বাস করে।আর আমাদের ধর্ম গ্রন্থে উল্লেখই আছে ,-পৃথিবীর মাঝে কোন এক সময় এমন একদল লোক আসবে যারা কালো পোষাক পড়বে। যাদের মুখের কথায় মিষ্টতা ঝরে পড়বে অনবরত।যাদের চুল দাঁড়ি বড় বড় হবে। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের মত হিংস্র।
-উফ!এবার থামতো।
নুসরাত বলে উঠে।
-বলতে দাও বাবাকে।বাবাতো ঠিকই বলছে।মধ্যপ্রাচ্যে কি হচ্ছে ?না উনারা মুসলমান হয়ে নিরীহ মুসলমান হত্যা করে ইসলাম কায়েমে ব্যস্ত।এর চেয়ে হাস্যকর আর কি হয়!আমরা মুসলমানেরা এটাই বুঝতে পারছিনা কেন?অনাবশ্যক মানুষ হত্যা ।
-যেমন বাপ আর তার তেমন মেয়ে।
রাগ করে নুসরাত চলে যায়। পিছে পিছে টমি যেতে চাইলে মোহর টমিকে আটকায়।গলায় শিকল পড়িয়ে দেয়। মোযাহার সাহেবও উঠে পড়েন। উনাকে সন্ধ্যার চেম্বারে যেতে হবে।
-চাচু আমি না রাউন্ড কিক ঠিকমত পারছি না।তুমি কি একবার দেখিয়ে দেবে।
-যা ড্রেস পড়ে উঠোনে আয়।

দেখতে দেখতে ২০১৬ শেষ হতে চলে। সিরিয়া হয়ে বাংলাদেশ,ভারতে জঙ্গী মতবাদ গোপনে প্রসার লাভ করতে থাকে।রাশিয়ার শক্তিশালী ও কৌশলী পদক্ষেপে আই এস এর সীমানা সংকুচিত হতে থাকে।তবে মার্কিন পুঁজিবাদ কর্তৃক সৃ্ষ্ট জঙ্গীবাদ মানব সভ্যতায় এক কালো দাগ ফেলতে সক্ষম হয়।বাংলাদেশও যার ব্যতিক্রম নয়।উচ্চ শিক্ষিত যুবকরাও জঙ্গী মতবাদে আকৃষ্ট হতে থাকে। ঘটে যায় হলি আর্টিজানের মত হৃদয় বিদারক ঘটনা। যার শুরু হয়েছিল ব্লগার হত্যার ভেতর দিয়ে। চাপাতি দিয়ে যার শুরু অতঃপর আগ্নেয়াস্ত্র,বোমা।আর এখন আত্মঘাতি তৎপরতা। ট্রেনিং শেষে নিয়াজের পোষ্টিং বগুড়ায় হয়েছে। ওর ব্যস্ততাও বেড়ে গিয়েছে সাংঘাতিক ভাবে।কারণ যারা জঙ্গীবাদের সাথে জড়িত তারা দ্রুত কৌশল বদলে ফেলছে।বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল অত্যন্ত সুকৌশলে এর সাথে জড়িত।আর সরকারের ভেতর যারা তারা আখের গুছাতেই ব্যস্ত।

২০১৭ সাল। জানুয়ারী মাস। সানির জন্মদিন আগামীকাল। স্কুল হতে ফিরে সানি ফোন করে ওর নিয়াজ চাচুকে।
-হ্যালো চাচু ,কখন আসবে?
-সকালেই চলে আসবো মা। তোর মাকে দে ফোন।
-মা ,মার্কেট করতে গিয়েছে।
-ঠিক আছে।
সানির একা একা ভাল লাগেনা।কাজের খালা রান্না করছে।দোতালা হতে নেমে আসে নীচে। টমির সাথে খেলা করবে বলে। গোয়াল ঘরে এসে দেখে টমি নেই।চেইন খোলা ।সানি টমি টমি করে ডাক দেয়।তবুও টমির সারাশব্দ নেই একদম। গোয়াল ঘর হতে রাস্তায় চলে আসে।পাশের বাড়ির রনি জানালা দিয়ে উঁকি মারে।
-কি হয়েছে আপু?
-টমিকে পাচ্ছিনা।
-একটু আগে টমি এই রাস্তায় ছিল।
সানি এই ভর দুপুরে কাউকে না বলে ওই দিকে যাবে কিনা ভাবতে থাকে।
কামাল ছাদে চলে আসে।ফয়জুল কয়েকটি গ্রেনেড আর পানির বোতল নিয়ে ছাদে ।
-আমরা বেশী সময় পাবোনা। মেয়েটিকে আটকে না রাখলে আমরা ধরা পড়ে পড়তাম না।
কামালকে বলে ফয়জুল।
-কামাল পাহারা দিতে থাকো। আমি আমার ভেষ্ট পড়ে আসছি ।
ফয়জুল নীচ হতেই কামালের আল্লাহু আকবর ধ্বনি আর গুলির আওয়াজ শুনতে পায়।ভেষ্টের বদলে বড় একটি বোমা কোমরে বেঁধে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে উঠে যায়।কিছুক্ষণ পর প্রচন্ড বিস্ফোরণের ফলে সিঁড়ি ঘর ধ্বসে পড়ে।সোয়াট টিমের তিনজন গুরুতর জখম হয়ে ছাদেই পড়ে থাকে।

মোযাহার সাহেব আজ কয়েকদিন যাবৎ রুগী দেখছেন না।বাড়িতে কোন সাংবাদিকও প্রবেশ করতে দিচ্ছন না। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে সানিকে জীবিত ফেরত পেয়েছেন। তাতেই উনি সন্তুষ্ট। সবকিছু জানার পর উনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে। কি ভয়ংকর ব্যাপার,পুলিশের কাছে যাতে ধরা পড়তে না হয় তাই বটি দিয়ে একজন নিজের গলা নিজেই কেটে ফেলেছে।আর এই সব উন্মাদ যদি দেশ চালনার দায়িত্ব পায় তবে কি হবে দেশের।ভাবতেও মোযাহার সাহেবের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে বারবার।

সানিদের বাড়িতে টমি এখন চোখের মণি।পত্রিকার পাতাতেও টমি।টমিকে খুঁজতেগিয়েই জঙ্গী আস্তানায় সানি ঢুকে পড়েছিল।

২৪/০৩/২০১৭





সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:২২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×