somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাইয়িদ রফিকুল হক
আমি মানুষ। আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষ বলে আমার ভুলত্রুটি হতেই পারে। বইপড়তে আমার ভালো লাগে। সাহিত্য ভালোবাসি। লেখালেখি আমার খুব শখের বিষয়। বাংলাদেশরাষ্ট্র ও গণমানুষের জন্য আমি লেখনিশক্তিধারণ করেছি।

ছোটগল্প(জীবনের গল্প): সিমি’র প্রিয় কদমফুল

০৭ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছোটগল্প(জীবনের গল্প): সিমি’র প্রিয় কদমফুল
সাইয়িদ রফিকুল হক

রিক্সা না পেয়ে সিমি বৃষ্টির ভিতরেই রাস্তায় নেমে এলো। বৃষ্টিটা অবশ্য এখনও জোরে শুরু হয়নি। তবুও তার ফোঁটাগুলো মন্দ নয়। সিমি ভেবে দেখলো: রাস্তার পাশে ফুলের দোকানে এভাবে দাঁড়িয়ে থেকে কোনো লাভ নেই। কারণ, বৃষ্টি কখন থামবে তার কোনো নিশ্চয়তা নাই। তাছাড়া, এখানে দাঁড়িয়ে থাকাটাও তার জন্য নিরাপদ নয়।

সে ফুলের দোকানের একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলো। কিন্তু লোকজন দোকানের ফুল না দেখে বারবার তাকেই দেখছিলো। এইরকম একটা বিশ্রী ব্যাপার তার ভালো লাগেনি। তাই, বৃষ্টির ভিতরেই সে রাস্তায় নেমে এসেছে। আর একটা রিক্সাও খুঁজেছে। কিন্তু পায়নি। সে বাসস্ট্যান্ডের কাছে আসতেই কিছুটা ভিজে গেল। তবুও রক্ষা একটা বাস যেন এদিকেই আসছে—তার এমনটি মনে হলো। সিমি তাড়াতাড়ি একেবারে বাসস্ট্যান্ডের কাছে চলে এলো। কিন্তু সে কাছে এসে দেখলো: এই বাসটা অন্য রুটের।

বৃষ্টিতে ভিজতে-ভিজতে সিমি ভাবতে থাকে: আবার কখন বাস আসবে? মনে-মনে সে উতলা হয়ে উঠলো। আর এদিকে সে ভিজেও যাচ্ছে। আর-একটু পরে তার ভেজাপোশাকের ভিতর দিয়ে একটা অন্যরকম সৌন্দর্য ফুটে উঠতে পারে। আর তখন, রাস্তার লোকজন তাকে দেখে বেশ মজা পাবে। আর সিমি এমনিতে অনেক সুন্দর। আর এমন একটা মেয়ে যদি বৃষ্টিতে ভিজে যায়—তাহলে, রাস্তার অনেক পুরুষই মুহূর্তের মধ্যে পাগল হয়ে যাবে। সিমি এদের পাগল করে তুলতে চায় না। এরা পাগল হলে তার ভয়ানক বিপদ হবে।

তার আশেপাশে আরও কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু তারা তো পুরুষ-মানুষ। আর তারা প্রতিদিন তিনবার কাকভেজা হলেও কেউ তাদের দেখবে না, কিংবা দেখলেও কোনো অসুবিধা নাই। আসলে, এদেশে পুরুষ-মানুষের জন্য কখনও-কোনো ভাবনা নাই।

সিমি মেয়ে বলেই তাকে একটুখানি হিসাব করে চলতে হয়। সে একটু বিরক্ত হয়ে যখন বাসের অপেক্ষায় না থেকে আরেকটা আশ্রয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে, এমন সময় একটি চব্বিশ-পঁচিশ বছরের যুবক বড় একটা ছাতা নিয়ে তার পাশে এসে দাঁড়ালো। আর শুধু পাশে এসে দাঁড়ালো না, সে রীতিমতো সিমির মাথার উপরে ছাতা ধরলো। আর সে একটু হেসে সিমির দিকে মায়াভরা চাহনিতে তাকিয়ে থেকে সরলকণ্ঠে বললো, “ভিজে যাচ্ছিলেন তো। আপনি একজন ছাত্রী। আর আমিও একজন ছাত্র। তাই, কিছু মনে করবেন না।”
সিমি হঠাৎ করে যুবকটির এই বদান্যতায় মুগ্ধ হলো। আর সে যুবকটিকে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলো না। সে ছেলেটির চোখের দিকে একবার তাকিয়েই বুঝতে পারলো: ছেলেটি আর-যাই-হোক, ভণ্ড না। তাকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখে হয়তো সরল-মনেই সে কাছে এসে দাঁড়িয়েছে।

তবুও সিমি এমন একটা ভান করলো যেন সে পুরাপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। আর মেয়েরা সবসময় এমনই হয়। এরা সবকিছু ছেলেদের বুঝতে দিতে চায় না।
সিমি ছাতার নিচে এখন বেশ আরামে দাঁড়িয়ে রয়েছে। একটু পরে সে যুবকটির দিকে তাকিয়ে সলজ্জ হাসিতে বললো, “আজ ছাতা আনতে ভুলে গিয়েছি। আর প্রতিদিনই আনি। কিন্তু আজ যে কেন ভুলে গেলাম!”
ছেলেটি এবার একটু কথা বলার সুযোগ পেয়ে খুব সুন্দর করে হেসে বললো, “এরকম হয়েই থাকে। মাঝে-মাঝে আমিও ভুল করি। আর মা তখন খুব বকা দেয়। অনেক সময় ভিজে-ভিজে বাড়ি ফিরি। তাই, এখন সাবধান হয়েছি। আর এই মাসটা তো আষাঢ়। এখন তো প্রায় প্রতিদিন বৃষ্টি হবেই।”
কিছু-একটা বলতে হয় ভেবে সিমি বললো, “তা ঠিক।”
সে এখন অস্বস্তিবোধ না করলেও ভিতরে-ভিতরে বেশ ছটফট করছে একটা বাসের জন্য। এভাবে একটি অপরিচিত-যুবকের ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে তার পুরাপুরি ভালো লাগছিলো না। আবার সরে যেতেও তার মন সায় দিচ্ছিলো না। সে যুবকটির সঙ্গে সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলো।

বাস আসছে না। যেন আর কোনোদিন আসবে না। মিরপুর-পল্লবী-রুটের একটা বাসও আসছে না দেখে সিমির চেহারায় কিছুটা বিরক্তিপ্রকাশ পেলো। আর তা লক্ষ্য করে যুবকটি বললো, “আপনি যাবেন কোথায়?”
সিমি সোজাসাপটা উত্তর দিলো, “পল্লবী।”
যুবকটি প্রায় লাফিয়ে উঠে বললো, “আমিও তো ওই দিকেই থাকি। মিরপুর-বারো-নম্বরে।”
একথা শুনে সিমি হেসে বললো, “তাহলে, আপনি আমার প্রতিবেশী।”
আর তা শুনে যুবকটি এবার খুশি মনে শুধু হাসলো।
একটু পরে যুবকটি আগের মতো সরলকণ্ঠে বললো, “আপনার নামটি জানতে পারি?”
সিমি এতে তেমনকিছু না ভেবে বেশ সরল-মনেই বলে ফেললো, “সিমি। আর আমার পুরা নাম সিমিন রহমান সিমি।”
ভিতরে-ভিতরে সিমিরও খুব ইচ্ছে করছিলো ছেলেটির নাম জানতে। কিন্তু তা সে করতে পারলো না। সে ইতোমধ্যে তার প্রেমে অভিজ্ঞ বান্ধবীদের কাছে শুনেছে, ছেলেদের নাম জানতে চাইলে তারা নাকি বেশ খুশি হয়। আর তারা ধরেই নেয় যে, এই মেয়েটি তাকে পছন্দ করেছে। তাই, সিমি আপাততঃ ইচ্ছেটাকে বহু কষ্টে বাদ দিতে বাধ্য হলো।

বাস আসছে না দেখে সিমি একফাঁকে ওই যুবককে বললো, “আপনি কোথায় পড়েন?”
এতে যুবকটি একসেকেন্ড বিলম্ব না করে সঙ্গে-সঙ্গে অতিশয় খুশি হয়ে বললো, “এই তো শাহবাগের পাশেই ওই ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ে।”
“কী-সে? মানে, কোন সাবজেক্টে?”—এবার বেশ আগ্রহের সঙ্গে জানতে চায় সিমি।
যুবকটি বললো, “ইতিহাসে, অনার্স ফাইনাল ইয়ারে।”
তারপর সেই যুবকটি পাল্টা প্রশ্ন করে সিমির দিকে চেয়ে হেসে বললো, “আপনি?”
সিমি এবার বেশ প্রফুল্লচিত্তে বললো, “আমিও আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। তবে আমার সাবজেক্ট ভিন্ন। আমি বাংলায় অনার্স প্রথম বর্ষ।”
শুনে যুবকটি সঙ্গে-সঙ্গে বললো, “খুব ভালো। বাংলার লোকদের আমার খুব ভালো লাগে।”
এতে সিমি যেন কিছুটা লজ্জা পেলো। আবার সে কিছুটা মুগ্ধও হলো।
আর তা লক্ষ্য করে যুবকটি বললো, “কিছু মনে করেননি তো?”
সিমি শুধু হেসে বললো, “না।”
এখন যুবকটির সাহস অনেক বেড়ে গেছে। আর সে এই সাহস দিয়ে যেকোনো মুহূর্তে সমগ্র ভারতবর্ষ-জয় করতে পারবে! এমনই মনোবল এখন তার বুকের ভিতরে। তাই, সে আরও সাহস সঞ্চয় করে বললো, “আজ তো আপনাদের ক্লাস অনেক আগে ছুটি হয়েছে। আমার একটা ছোটবোন বাংলায় পড়ে তো। ওর কাছে শুনেছি। কিন্তু আপনি এতো দেরি করলেন যে! নইলে তো এই বৃষ্টির আগেই বাসায় যেতে পারতেন।”
মেয়েটি বললো, “হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন। একটা কারণে আমার দেরি হয়েছে। নইলে বৃষ্টির আগেই বাসায় ফিরতে পারতাম।”
এবার যুবকটি তার সাহস আগের চেয়ে আরেকটু বাড়িয়ে সিমির কাছে জানতে চাইলো, “আপনার দেরির কারণটা জানতে পারি?”
সিমি এবার হেসে বললো, “কদমফুল আমার খুব প্রিয়। কদমফুলের জন্য দেরি হলো। শাহবাগের এইসব দোকানের কোথাও আজ একটা কদমফুল খুঁজে পেলাম না!”
এবার যুবকটি বললো, “তাহলে, আপনাকে এবার যে এখানে একটু কষ্ট করে দাঁড়াতে হবে। আমি আপনার জন্য এখনই কদমফুল নিয়ে আসছি। আর আপনি ভয় পাবেন না। প্রয়োজনে আমি আপনাকে আপনার বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেবো।”
সিমি বাধা দিয়ে বললো, “না-না, আপনাকে এই বৃষ্টির ভিতরে এতো কষ্ট করতে হবে না। আমার কদমফুল লাগবে না।”
কিন্তু কে শোনে কার কথা। যুবকটি এবার ওর মুখের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধতার সঙ্গে বললো, “আমি আপনাকে আজ-এক্ষুনি অনেক কদমফুল জোগাড় করে দেবো। আপনি আমার জন্য এখানে একটু অপেক্ষা করুন।” বলেই সে ছাতাটা সিমির হাতে ধরিয়ে দিয়ে চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল।
সিমি এতে খুব বিস্মিত হলো। আর অবাকও হলো। এমনও মানুষ হয়! তার জন্য হঠাৎ পরিচয় হওয়া একটা মানুষ এভাবে ছুটতে পারে—এটা তার আগে জানা ছিল না। আর সে মুগ্ধই হলো।
তাই, সে আর-কোনো উপায়-অন্তর খুঁজে না পেয়ে ছাতা মাথায় যুবকটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো।

এর মধ্যে পরপর দুইটা বাস চলে গেল। এতে সিমির খুব মন খারাপ হলো। আর সে ভাবতে লাগলো: সে একটা পাগলের পাল্লায় পড়েছে। ইতোমধ্যে বৃষ্টির বেগ আরও বাড়লো। এবার যুবকটির জন্য সিমির একটু মায়া হলো। আর সে ভাবলো: বেচারা, কদমফুলের জন্য কোথায়-না-কোথায় ঘুরছে।

এখন আরও জোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কিন্তু যুবক-মাহিন বৃষ্টিকে একদম পাত্তা দিলো না। সামান্য বৃষ্টিকে ভয় পেলে তো আর প্রেম হবে না। আর ভালোবাসতে গেলে জীবনে এরকম কত বৃষ্টিকে পোষ মানিয়ে রাস্তায় চলতে হবে। সে ক্যাম্পাসে ফিরে তার কয়েকজন টোকাই-বন্ধুকে তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করলো। আর সে তাদের দ্রুত কাজে লাগিয়ে দিলো। একটা গাছে কিছু কদমফুল তখনও ছিলো। বৃষ্টিভেজা-গাছ। তাই, মাহিন ওদের উপদেশ দেওয়ার ভঙ্গিতে বললো, “দেখিস, সাবধানে গাছে উঠিস।” কিন্তু কয়েকজন টোকাই মাহিনের সাবধানবাণী উপেক্ষা করে তার কথা শেষ হওয়ার আগেই কেমন তর-তর করে একনিমিষে গাছে উঠে গেল। আর তারা প্রায় চোখের পলকে গাছ থেকে ছিঁড়ে আনলো তরতাজা একুশটি কদমফুল।
মাহিনের এখন দাঁড়াবার সময় নাই। তাই, সে তার টোকাই-বন্ধুদের সঙ্গে আর কোনো কথা না বলে শুধু ওদের দলনেতার হাতে একশ টাকার একটা নোট গুঁজে দিয়ে ছুটতে আরম্ভ করলো।
এদিকে টোকাইসর্দারও তার পিছনে ছুটতে-ছুটতে বললো, “স্যার, আমাগো আইজ কিছু লাগবো না। আপনি তো আমাগো এমনিই অনেককিছু দেন। আইজ না হয় আমরা আপনার ভালোবাসার জন্য এইসব সামান্য উপহার দিলাম।”
কিন্তু মাহিন ওদের কথা শুনলো না। আর মাহিন শুধু হাসলো। তারপর ওদের দিকে একবার তাকিয়ে সে আবার ছুটতে শুরু করলো। আর ছুটতে-ছুটতে মাহিন শুধু ভাবছে: সিমিকে এখনই তার নিজের নামটা জানাতে হবে।

পনেরো মিনিট পরে যুবকটিকে আসতে দেখলো সিমি। আর সে খুব অবাক হলো। তার দুহাত ভরা শুধু কদমফুল। এতো কদমফুল সিমি জীবনে কখনও দেখেনি।
ছেলেটি রাস্তা পার হয়ে সিমির কাছে এসে আগের মতো মুগ্ধচোখে তাকিয়ে বললো, “আমি মাহিন। আপনার ভালোলাগাকে সম্মান জানাতে এই সামান্য উপহার তুলে দিচ্ছি আপনার হাতে।”
সিমি সব ফুল দুহাত বাড়িয়ে নিতে-নিতে হেসে ফেললো আর বললো, “কদমফুল আমার খুব প্রিয় সত্য। কিন্তু আপনি তো অনেক ভিজে গেছেন।”
মাহিন সে-সবে পাত্তা না দিয়ে বললো, “ও কিছু না। এখনই সব শুকিয়ে যাবে।”
সুন্দরী সিমির হাতে এখন শোভা পাচ্ছে বৃষ্টিভেজা-কদমফুল। আর এখন সিমিকে যেন আরও বেশি সুন্দর লাগছে। মাহিন আর চোখ-ফেরাতে পারে না।
সিমি এবার অপূর্বভঙ্গিতে হেসে বললো, “খুব খুশি হয়েছি। আজ হঠাৎ আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। জীবনে এতো আনন্দ মনে হয় আর কখনও পাইনি। আর আপনার মতো একজন বন্ধু পেলাম।”
আর মাহিন বললো, “শুধু বন্ধুত্ব নয়। আমি কিন্তু আপনাকে একটু ভালোও বেসে ফেলেছি।”
শুনে সিমি হেসে ফেললো। আর বললো, “ও তাহলে আপনার মনে এই মতলব ছিল!”
মাহিন বললো, “হ্যাঁ, যা সত্য তা তাড়াতাড়ি প্রকাশ আর স্বীকার করে নেওয়াই ভালো। আর আপনার হাতের ফুলগুলো আমার ভালোবাসার প্রথম প্রকাশ।”
সিমি ফুলগুলো খুব যত্ন করে ধরে দাঁড়িয়ে রইলো।

একটা বাস এসে পড়লো। আর বাসটা বেশ ফাঁকা। আর এখন বৃষ্টিও খুব জোরে এসেছে। মাহিন তাড়াতাড়ি ছাতাটা বন্ধ করে ফেললো। আর সিমি মাহিনের একটা হাত ধরে বাসে উঠলো। তার জীবনচলার পথে সে এখন আরও সাহসী হয়ে উঠবে। আজ থেকে কেউ-একজন তার পাশে আছে।



সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
৩০/০৫/২০১৬
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ২:০০
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নজির

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০২

নজির
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সুখ নাই, আনন্দ নাই, নাই শান্তি
একলা চলতে চলতে উদাসী
আত্মভোলা, মনভোলা, বেখেয়ালি
প্রতিমুহূর্ত লাগে যেন গোধূলি!
আমার ব্যক্তিত্বে, চিন্তা, চেতনায়
কেউ আটকায় না, হয় না আকৃষ্ট!

নিঃসঙ্গ বিষাদযুক্ত ঘুরতে ঘুরতে
হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বাস আর সংগ্রামই একদিন সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২



আওয়ামী লীগের ইতিহাস কোনো সহজ পথে হাঁটেনি। রক্ত, ত্যাগ আর সংগ্রামের ভেতর দিয়ে এই দলের জন্ম, আর সেই জন্মসূত্রের গৌরব আজও অক্ষুণ্ণ- ণ্কারণ ইতিহাস সাক্ষী, এই দল কখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×