somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাইয়িদ রফিকুল হক
আমি মানুষ। আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষ বলে আমার ভুলত্রুটি হতেই পারে। বইপড়তে আমার ভালো লাগে। সাহিত্য ভালোবাসি। লেখালেখি আমার খুব শখের বিষয়। বাংলাদেশরাষ্ট্র ও গণমানুষের জন্য আমি লেখনিশক্তিধারণ করেছি।

ধারাবাহিক উপন্যাস: একটি বালিকার জন্য সে খুব পাগল হয়েছিল (অধ্যায় এক)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ধারাবাহিক উপন্যাস:
একটি বালিকার জন্য
সে খুব পাগল হয়েছিল

(অধ্যায় এক)
সাইয়িদ রফিকুল হক

অধ্যায় এক

অফিস থেকে তাড়াহুড়া করে বাসায় ফিরছিল নমিতা। আজকে বাসায় তার জরুরি কাজ আছে। অফিসের কাজের চেয়েও বড় একটা কাজ!
গুলিস্তানের জিরোপয়েন্টের কাছে আজ লোকজনের ভিড় একটু বেশি। কোনো সংগঠনের মনে হয় কিছু-একটা আছে। আন্দোলন-ফান্দোলন জাতীয় কিছু-একটা হবে। আর নয়তো অন্যকিছু আছে। এসব দেখে তার এখন গা-জ্বলে! সব লোকদেখানো। আর সবার পদ ও পদবি পাওয়ার একটা আন্দোলন-সংগ্রামমাত্র। কোথাও আজকাল মানবিকতা আর আন্তরিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন নারীদের নামে সংগঠন করে নারীদেরকেই অধঃপতনের পথ দেখানো হচ্ছে! এসবের কোনো মানে হয় না। সমাজে-রাষ্ট্রে ধান্দাবাজের সংখ্যা এত বেড়ে গেছে যে, নমিতার মুখে এদের জন্য একদলা থুথু জমা হলো!
এসব দেখেও সে না-দেখার ভান করে থাকে। তাই, সবসময় এদের পাশ কাটিয়ে চলে। এইসব লোকদেখানো নাটক তার একদম ভালো লাগে না।
সে লোকের ভিড় ঠেলে সাবধানে গা-বাঁচিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ পিছন থেকে কে যেন তার ডানহাতটা টেনে ধরলো! সে একটু কেঁপে উঠলো আর ভয়ও পেল! অমনি সে পিছনফিরে দেখে শফিক। তার এক অফিস-কলিগ। তারচেয়ে একটু সিনিয়র সে।
হঠাৎ শফিককে তার পিছু নিতে দেখে সে ভিতরে-ভিতরে কিছুটা রেগে গেল। তবে বাইরে তার রাগের কিছুই প্রকাশ করলো না। সে একটু হাসবার চেষ্টা করে বললো, “হঠাৎ আপনি? এভাবে? স্যার, আমি তো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম!”
শফিক এবার আমতা-আমতা করে বলে, “আপনাকে আজ সকাল থেকে খুঁজছিলাম। কিন্তু খুব ব্যস্ত ছিলেন বলে আর ডিস্টার্ব করিনি। ভাবলাম, অফিস-ছুটির পরে আপনার সঙ্গে বাসায় ফিরতে-ফিরতে কথাটা বলবো। কিন্তু এখানেও দেখি জটিলতা। আপনি আজ আবার তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেলেন! তাই, আপনার পিছু নিয়েছি। হঠাৎ এভাবে আপনার হাতটেনে ধরায় আপনি আবার রাগটাগ করলেন নাতো? আমি কোনোকিছু না-ভেবে হঠাৎ আপনার হাতটা একটু ধরে ফেলেছি!”
নমিতার খুব ধৈর্য। সে আধুনিক মেয়েদের মতো এত সহজে রেগে যায় না কিংবা পথেঘাটে অযাচিতভাবে কারও সঙ্গে কোনোপ্রকার সিনক্রিয়েটও করে বসে না। সে সবদিক দিয়ে হিসেবি একটা মেয়ে।
শফিকের কথা শুনে তাই সে আবার একটু হাসবার চেষ্টা করে শফিকের মুখের দিকে তাকিয়ে বললো, “না-না, রাগ করিনি। আপনি আমার কত পরিচিত আর কলিগ। এমনি আচমকা একটু থমকে গিয়েছিলাম আরকি!”
তারপর সে একটু সময় নিয়ে একপাশে দাঁড়িয়ে বললো, “কোনো বিশেষ দরকার? কিছু কি বলতে চান? এখনই বলতে পারেন। আজ আবার আমার একটু তাড়া আছে। তাই, অফিস থেকে জাস্ট টাইমে বেরিয়ে পড়েছিলাম। ছুটি নিতেও চেয়েছিলাম। কিন্তু বসের মুখ ও চেহারা দেখে আর কোনো ভরসা পাইনি! তার হাবভাব দেখে তাকে এসব বলারও চেষ্টা করিনি। এখন ফুলটাইম অফিস করে আমাকে আবার একটা রিহার্সেলে যেতে হবে!”
শফিক একথা শুনে খুব অবাক হয়ে বললো, “বেইলি রোডে যাচ্ছেন বুঝি? আপনি কবে থেকে নাটকে ঢুকলেন? জানি না তো!”
এবার পুরোপুরি হেসে ফেলে নমিতা। সে শফিকের দিকে তাকিয়ে বলে, “আপনি না খুব বোকা! আমি আবার কবে নাটকে ঢুকলাম! আর নতুন করে কেনইবা নাটক করতে ঢুকবো? আমি, আপনি, সবাইতো নাটকের রঙ্গমঞ্চে ঢুকে বসে আছি!”
শফিক যেন এবার কিছুটা বুঝতে পেরে বলে, “সে তো ঠিক। ঠিক। ঠিক বলেছেন।”
তারপর শফিক একটু সময় নিয়ে বলে, “চলুন না, আজ আমরা একটা রেস্টুরেন্টে গিয়ে একটু বসি। কফি খেতে-খেতে মনখুলে একটু গল্প করা যাবে। আর আপনার দিক থেকে যদি কোনোরকম আপত্তি না-থাকে তাহলে আমরা আজ রাতে একসঙ্গে চাইনিজেও যেতে পারি।”
নমিতা দেখলো, আর রাখঢাক করে লাভ নেই। শফিক তাকে কী বলতে চাচ্ছে―তা সে বুঝে গেছে। কিন্তু আজ সে তা শুনতে পারবে না। তাই, সে সরাসরি বললো, “আসলে, আমাকে আজ ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে। তাই, তাড়াতাড়ি বাসায় যাচ্ছিলাম। মা-বাবা এই সম্বন্ধটা এনেছেন। আর পাত্রপক্ষের পছন্দ হয়ে গেলে আজই আমার বিয়ে হয়ে যেতে পারে। হাতে আমার এখন অনেক কাজ বাকি আছে। তাই, এত বেশি তাড়াহুড়া করে বাসার দিকে যাচ্ছিলাম। আর ঠিক সময়ে বাসায় না-ফিরলে তারা মনখারাপ করতে পারেন। হঠাৎ আপনি পিছন থেকে হাতটা একটু টেনে ধরলেন! আর আমিও থমকে দাঁড়ালাম!”
নমিতা এরপর একটু থামলো। কিন্তু শফিকের মুখে কোনো কথা নেই! ‘আজই আমার বিয়ে হয়ে যেতে পারে’ কথাটা শোনার পর থেকে সে যেন একেবারে বোবা হয়ে গেছে! তার মুখে আর কোনোদিন যেন ভাষা ফুটবে না!
তার চেহারা ও অবস্থা দেখে নমিতার যেন একটু মায়া হয়। তাই, সে মনভার করে বলে, “কতদিন আমরা একসঙ্গে কত কাজ করেছি! কতদিন আমরা পাশাপাশি বসে থেকেছি! তখনও বুঝি আপনার কিছু বলার সময় হয়নি! আজ আমার এনগেজমেন্ট আর বিয়ে একসঙ্গেই হয়ে যেতে পারে। আর আজই আপনি আমার কাছে এসে দাঁড়ালেন। কিন্তু আমার যে এখন দাঁড়াবার মতো একটুও সময় নেই। কিছু মনে করবেন না, ভাই। চলি।”
শফিক এবার কেমন যেন ভ্যাবাচাকা খেয়ে যায়। আর সে বলে, “ওহ হো, তাহলে তো শুভকামনা আপনার জন্য। কিন্তু এরপর অফিস তো দুইদিনের জন্য ছুটি। কী হলো আর না-হলো আমাকে জানাবেন কিন্তু। আর আজই বিয়ে হয়ে গেলে তো কোনো কথাই নেই। ভালো থাকুন।”
নমিতা আর দাঁড়ায় না। তার এত কথা শোনার মতো সময়ও হাতে নেই। সে শফিকের হৃদয়-নিংড়ানো ভালোবাসা মাড়িয়ে ভিড়ের মধ্যে দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যায়!
আর শফিক একটা মূর্তির মতো নীরব-নিথর হয়ে কতক্ষণ সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলো। তারপর সেও মনখারাপ করে একদিকে চলে গেল।
নমিতা একটা ডাইরেক্ট বাস ধরে ধীরে ধীরে মিরপুরের দিকে আসতে থাকে। তার চোখেমুখে আজ আরেক স্বপ্ন। ক’দিন ধরে সে এই স্বপ্নটা দেখছে। সেখানে শফিক বেশিক্ষণ স্থির থাকতে পারলো না।
বাসে চড়ে কিছুক্ষণ বসার পর নমিতা আবার হঠাৎ করেই শফিকের কথা ভাবতে লাগলো! লোকটাকে তার আগে কখনো এত কাছের মনে হয়নি! আজ হঠাৎ করেই যেন সে তার খুব কাছাকাছি এসে পড়েছে! অফিসে লোকটা এর আগে কখনো তার হাতটাত ধরেনি। কিংবা কাছঘেঁষে দাঁড়াবারও কোনোরকম চেষ্টা করেনি। হঠাৎ এই লোকটা আজ কেমন করে যেন একটু প্রেমিকের মতো হয়ে উঠেছে!
সে ভাবতে-ভাবতে আপনমনে হাসলো। লোকটার জন্য তার খুব মায়াও হলো। সে জানে, আজ যদি ছেলেপক্ষ তাকে দেখে পছন্দ করে―তাহলে, তাদের বিয়েও হয়ে যেতে পারে। সেইরকমই একটা আভাস দিয়ে রেখেছেন তার মা-বাবা। সেইজন্য সে অফিস থেকে আজ একটু ছুটি নিতে চেয়েছিল। কিন্তু বসের মুড-অফ দেখে সেকথা বলার সাহস সে আর পায়নি।
সন্ধ্যার সামান্য একটু আগে বাসায় ফিরলো নমিতা।
তাকে দেখে তার মা বলে উঠলেন, “এই বুঝি তোর আসার সময় হলো! আরও একটু আগে আসতে পারিসনি? ছেলেপক্ষ মনে হয় এখনই এসে পড়বে। যা তাড়াতাড়ি গোসল শেষ করে ফ্রেশ হয়ে কাপড়চোপড় পরে নে। আর বেশি দেরি করিসনে।”
নমিতা ফ্যানের নিচে বসতে-বসতে বললো, “মা, আমাকে আগে একটু বসতে দাও তো! একটু বিশ্রাম করতে দাও। আর তুমি এমন করছো কেন! এখনই কি বিয়ে হয়ে যাবে? ওরা এসে নাহয় একটু বসেই থাকবে। তাই কী হয়েছে? এত চাপাচাপি কোরো না তো! এসব আমার ভাল্লাগেনা। বিয়ে হলে হবে, আর না-হলে না-হবে। এই নিয়ে এত ভাবনার কী আছে! এর আগেও তো আমি আরও তিন-চারবার কনে সেজেছি। তখন তো বিয়ে হলো না!”
ওর মা এবার একটু শান্ত হয়ে বললেন, “তা না-হোক। এবারেরটা হয়ে যাবে। আমার মন তো তা-ই বলছে।”
নমিতা একটুখানি হেসে বলে, “মা, তোমার মন তো আগেরবারও তা-ইই বলেছিল! তখন তো বিয়ে হলো না! এবার কী হয় কে জানে! আমার এসব ভাল্লাগেনা আর!”
সে ভিতরে গিয়ে সরাসরি বাথরুমে ঢুকলো। তারপর অনেক সময় নিয়ে গোসল করতে লাগলো।
সে চল্লিশ মিনিট পরে বাথরুমের দরজা একটু খুলে আস্তে-আস্তে বললো, “মা, ওরা কি এসেছে?”
ওর মা মনভার করে বললেন, “না, এখনও আসেনি। ওরা বরপক্ষ। যখন ইচ্ছে তখন আসবে। তুই রেডি হয়ে বসে থাক, মা।”
নমিতা আরও দশ মিনিট পরে বাথরুম থেকে বের হলো। তারপর সে সুন্দর একটা শাড়ি পরে একটু সেজেগুঁজে বাইরের রুমটাতে এসে বসলো। এখানে আগে থেকে ওর বাবা বসে টিভি দেখছিলেন।
তিনি মেয়েটাকে দেখে আনন্দে বিগলিত হলেন। তারপর নমিতার একটা হাতধরে কাছে টেনে বললেন, “মা, তুই কখন ফিরেছিস? আমি তো কিছুক্ষণ আগেও তোর কথা ভাবছিলাম। আর মনে করেছিলাম, তুই বুঝি এখনও বাসায় ফিরিসনি!”
নমিতা বলে, “না বাবা, ফিরেছি অনেকক্ষণ আগে। শাওয়ার নিলাম। তারপর একটু গোছগাছ করে তোমার এখানে এসেছি।”
তারপর সে বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, “কেন বাবা! তুমি কি চা খাবে? আমি তোমাকে চা বানিয়ে দিবো?”
নওশেরসাহেব হেসে বললেন, “না, মা। চায়ের জন্য নয়। তোকে কাছে দেখলে ভালো লাগে। মনটা আমার ভরে ওঠে আনন্দে। তাই, তোকে একটু খুঁজি।”
নমিতা তার বাবাকে কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিলো―আর তখনই দরজার কলিংবেলটা বেজে উঠলো। সে তাড়াতাড়ি ভিতরের রুমে চলে গেল। ওর মা দরজা খুলে কাদের যেন বলতে লাগলেন ,“আসুন, ভিতরে আসুন। আসুন।”
সে আড়াল থেকে দেখলো―পাত্রপক্ষ এসে গেছে। সে আরেকটু সাজগোজ করতে বসলো।


(চলবে)

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা।
২০/১২/২০২০
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৩
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×