somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এরশাদের পাশে থাকবো, সামনে আরো চমক আছে: বিদিশা

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটে জাতীয় পার্টি শরিক হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা বলেছেন, এবার আওয়ামী লীগের বিজয় সুনিশ্চিত। আন্দোলন, নির্বাচন এবং সরকার গঠনে এরশাদ শেখ হাসিনার সঙ্গেই থাকবেন। তিনি বলেন, মঞ্চে ওঠার আগে এবং মঞ্চ থেকে নামার পরও এরশাদের সঙ্গে আমার টেলিফোনে আলাপ হয়েছে। যারা এরশাদ সম্পর্কে অবিশ্বাস সন্দেহ ছড়াচ্ছেন তারা আসলে হিংসার আগুনে জ্বলছেন। বিদিশা বলেন, এরশাদ পৃথিবীতে সবচে বেশি ভালোবাসেন তার সনত্দান এরিককে। এরিকের মাথায় হাত রেখে 14 দলীয় জোটে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন এরশাদ, তিনি তার কথা রেখেছেন। আওয়ামী লীগের মহাজোটে যোগ দেয়ায় ভীষণ খুশি হয়েছে 5 বছরের শিশু সনত্দান এরিক, বললেন বিদিশা। বিদিশার ভাষায় আমার বাড়ির সব দেয়ালেই এরিক 'নৌকা' এঁকে রেখেছে। আওয়ামী লীগের জোটে বাবার যোগ দেয়ার আনন্দে গতকাল সকালেই এরিক বিদিশার কাছ থেকে ছুটে গেছেন এরশাদের কাছে। 14 দলীয় মহাজোটে এরশাদের জাতীয় পার্টি শরিক হওয়ার নেপথ্যে বিদিশার ভূমিকা ছিল কিনা জানতে চাইলে বিদিশা বলেন, ক্রেডিট নিতে চাই না, যারা বোঝার তারা বুঝবেন, সামনে আরো চমক আছে, অপেক্ষা করুন।
বিদিশা বলেছেন, দেড় বছর আগে এরশাদের সঙ্গে সংসার ভাঙলও তার সঙ্গে আমার মধুর সম্পর্ক রয়েছে। মহাজোটে আমি এরশাদের সাফল্য চাই। এক প্রশ্নের জবাবে বিদিশা বলেন, এরশাদ আরো আগেই 14 দলীয় জোটে যোগ দিতে চেয়েছিলেন কিন' রওশন এরশাদের ভয়ে তা করতে পারেননি। গতকাল দুপুরে গুলশানের নিকেতনের বাসায় আমাদের সময়ের এ প্রতিনিধিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিদিশা আরো বলেনে, রওশন এরশাদ জিম্মি করে রেখেছিলেন এরশাদকে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে এরশাদ আত্দগোপনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। 18 ডিসেম্বরে মহাসমাবেশে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে এরশাদের ক্ষমা চাওয়াকে তার উদারতা মনে করেন বিদিশা। এ প্রসঙ্গে বিদিশা বলেন, এরশাদ জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেও আমার কাছে ক্ষমা চাননি। আমি ভুলে যাইনি দেড় বছর আগের সেই দুঃসহ স্মৃতির কথা। রাতে একসঙ্গে ঘুমিয়েছি, সকালে এরশাদ আমাকে আম খাওয়ালো তারপর মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে কারাগারে পাঠালো। তারপরও এরশাদের মঙ্গল চান? বিদিশার জবাব হঁ্যা চাই, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চাই, আওয়ামী লীগের স্বার্থে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×