_ওই তুই কই?? তোর না আমার সাথে বের হওয়ার কথা?
_ কে??
_ হারামি। ভয়েস শুনেও চিনতে পারছিস না??
_ উহু। ফোনে সব মেয়েদের ভয়েস একি রকম মনে হয়।।
টুট টুট করে লাইন টা কেটে গেলো। প্রচন্ড রাগে ফোন কেটে দিয়েছে মিহীকা। বড়ই সোন্দর্য মেয়েটা। রাগে মনে হয় এতোক্ষনে ব্রাশফায়ার হচ্ছে। আমার কাছে অদ্ভুত লাগে। জানি আজকে আমার খবর আছে। নিশ্চিত ১২টা নাহয় ১৩টা বাজাবে। তারপরেও ভয় পাচ্ছি না।
মিহীকা শাড়ি পড়ে এসেছে। হাসলে গালে টোল পড়ে। বাসন্তী রংের শাড়ি পড়েছে। আমি তো ভুলেই গেছি আজকে বসন্ত উৎসব। কপালের টিপ টা ঠিক জায়গায় বসেনি। বড্ড তাড়াহুড়ো করে মেয়েটা।
_ ওই তোর এতোক্ষনে আসার সময় হলো?? আমি কতোক্ষন যাবত অপেক্ষা করছি??
_ এদিকে আয়। কপালের টিপ টা ঠিক করে দেই।
_ ধুর হ হতচ্ছাড়া। এতোক্ষন বসিয়ে রেখে সে আসছে ঢং করতে। ভাগ এইখান থেকে।
_ চলে যাবো??
_ হুম। এক্ষোনি যাবি আমার সামনে থেকে।
_ যা তাইলে যাবো না। তোরে দেখি কিছুক্ষণ।
_ হারামজাদা তুই কোন কথা বলবি না। তোর ট্রাপিজিয়াম এর মতো চেহারা আমি দেখতে চাই না।
_ ধুর কি বলে এগুলা।
_ অভি তোর হাত টা দিবি??
আমার দিতে হয়নি। নিজেই টেনে নিয়েছে। বলতেও ভয় পাচ্ছি অদ্ভুত অদ্ভুত লাগছে। বাড়ছে বসন্ত বাতাস, সাথে ভালবাসা। একটু একটু করে মায়া বাড়ছে। মায়া বড়ই অদ্ভুত জিনিস।
সীমানার ওপারের দৃষ্টি টা আটকে আছে মিহীকা র উপর। হাটছি অদ্ভুত সেই মেয়েটির পাশে। হেটে চলেছি জীবনান্দের মেঠো পথে, পাশে রাজকুমারী কংকাবতী।।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





