somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি অপারেশনের বিস্তারিত যেখানে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মারা যান

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অক্টোবরের ২৮ তারিখ। সাল ১৯৭১। সময় রাত সাড়ে তিনটা। সিপাহী হামিদুর রহমান একটা রাইফেল স্থির তাক করে আছে পাকিস্তান আর্মির ৩০ এ ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্টের সীমান্ত ফাঁড়ি বরাবর। তার ঠিক পাশেই এল এম জি নিয়ে আছে কোম্পানি কম্যান্ডার। ঘন কুয়াশা ও নিবিঢ় অন্ধকারের জন্য সামনের সব কিছু অস্পষ্ট। তবে লক্ষ স্পষ্ট তাদের - সীমান্ত ফাঁড়িটি দখল নিতে হবে।

তারা আছে কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্তে। সীমান্ত ফাঁড়িটি একটা টিলার উপরে।

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হামিদের ব্যাটিলিয়ান এসেছে ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাসা এলাকায়। কারন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মনে করেন সিলেটে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা কম যার ফলে পাকিস্তান প্রশাসন অবাধে চা রপ্তানী করে বৈদেশিক অর্থ আয় করতে পারছে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এখান থেকে সীমান্ত পারি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা যেন চা বাগানগুলোতে আঘাত হানে। সে জন্য তাদের ত্রিপুরার আমবাসায় আসা। এখান থেকে সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালিত হবে। ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি থেকে একটি রাস্তা কমলগঞ্জ হয়ে শ্রীমঙ্গল এবং শ্রীমঙ্গল হয়ে সিলেটের অন্য সব এলাকায় যায়। এ কারনে ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি পাকিস্তান আর্মির কাছ থেকে দখল নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাতে একটি বিস্তৃত এলাকার দ্বার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উন্মুক্ত হবে। কিন্তু এ অঞ্চলে পাকবাহিনীর সবচেয়ে দুর্ভেদ্য ঘাটি এটা। দুই কোম্পানি সেনা এই ফাঁড়িতে নিয়োজিত রয়েছে। তারা এখানে শক্ত একটি রক্ষনব্যুহ গড়ে তুলেছে, দিয়েছে কাটাতার, গড়েছে কংক্রিটের বাঙ্কার ও পুঁতেছে মাইন। সীমান্ত ফাঁড়ির উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমে চা বাগান ও জঙ্গল। শুধু দক্ষিণদিক একটু খোলা যদিও কিছু বাঁশঝাড় আছে এখানে সেখানে এবং আছে একটি ক্যানাল যা ধলই নদী নামে পরিচিত।



ভোর চারটা বাজার দশ মিনিট আগে শুরু হবে মর্টার হামলা, চলবে চারটা পর্যন্ত, এরপর এগিয়ে যাবে পদাতিক বাহিনী - এই হলো প্ল্যান। প্রচলিত যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী শত্রুসৈন্য সংখ্যা থেকে তিনগুন বেশী শক্তি দিয়ে আক্রমন করতে হয় কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা সংখ্যায় কম। তবে রয়েছে আসীম মনোবল। সেই মনোবলের উপর ভরশা করে ফার্স্ট ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ঠিক করেছে ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি তারা দখল করবে। দায়িত্ব পড়েছে ব্যাটিলিয়ানের সর্বকনিষ্ঠ অফিসার ক্যাপ্টেন কাইয়ুম চৌধুরীর চার্লি কোম্পানির উপর। সিপাহী হামিদ এই কোম্পানির একজন আদম্য যোদ্ধা, সৈনিক নাম্বার ৩৯৪৩০১৪।

হামিদের কোম্পানি কম্যান্ডার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণদিকের ক্যানালটি পার হয়েই আক্রমণ করবেন সীমান্ত ফাঁড়ি। ক্যানেলের ওপারে হবে তাদের 'ফর্মিং আপ প্লেইস'। শীত কাল হওয়াতে ক্যানালে পানি বেশী নেই। এই ক্যানাল থেকে সীমান্ত ফাঁড়ির দূরত্ব ৩০০ গজ। গত দুইদিন তিনি এই এলাকা রেকি করে গেছেন, রানার হিসেবে হামিদ সর্বক্ষণ সাথে ছিল। রেকি করে কোম্পানি কম্যান্ডার ঠিক করেছেন তিন দলে ভাগ হয়ে আক্রমন করবেন। তিনি তিনটি প্লাটুন ঠিক করেছেন - সাত, আট, নয়। সাত নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন থাকবে বামে, আট নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন থাকবে মাঝে ও নয় নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন থাকবে ডানে। তিনি থাকবেন আট নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুনে। মর্টার হামলার পর ও রিকয়াল্লেস রাইফেল থেকে ফায়ার করে বাঙ্কার ধ্বংস করার পর, কোম্পানি কামান্ডার চার্জ বলার সাথে সাথে তিন প্লাটুন দ্রুত এগিয়ে যাবে টার্গেট বরাবর।

২৭ তারিখ সকালে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এসেছিলেন আমবাসা ক্যাম্পে। সর্বাধিনায়ক এই অপারেশনের গুরুত্ব ও ঝুঁকি বোঝেন। তিনি ব্যাটালিয়ান কম্যান্ডার ও কোম্পানি কম্যান্ডারের কাছে জানতে চেয়েছিলেন ফাইনাল অপারেশনাল প্ল্যানিং। ব্রিফ শুনে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং চার্লি কোম্পানির সৈনিকদের সাথে কথা বলে তাদের উজ্জীবিত করেন। হামিদের এই প্রথম মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ককে দেখা। সে ব্যাটালিয়ানের কনিষ্ঠ সৈনিকদের একজন, বয়স ১৮। রাশভারী সর্বাধিনায়ককে দেখে সে পুলকিত হয়েছিল।

আজ কয়েক ধাপে তারা ফর্মিং আপ প্লেইসে এসে অবস্থান নিয়েছে। আমবাসার ক্যাম্প থেকে কমলপুর এসেছে রাত দশটায়। সংখ্যায় তারা ১৭০ জন। সেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি এয়ারফিল্ডে আছে। এয়ারফিল্ডের এক কোনায় পুরো কোম্পানিকে আবার যুদ্ধ পরিকল্পনা বুঝিয়ে দেয় এবং ব্যাটেল অর্ডারে ফল-ইন করায় কোম্পানি কম্যান্ডার। তারপর দলটি দুই মাইল হেঁটে টার্গেটের কাছে আসে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ধলই নদী পার হয়ে ফর্মিং আপ প্লেইসে অবস্থান নিয়েছে তারা - সাত নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন বামে, আট নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন মাঝ বরাবর ও নয় নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন ডানে।

সিপাহী হামিদ প্রস্তুত। কোম্পানি কম্যান্ডার চার্জ বলার সাথে সাথে ছুটে এগিয়ে যাবে সে এবং সাথের সবাই। উদ্দেশ্য পাকিস্তান আর্মির কাছ থেকে ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখল করা। সে কোম্পানি কম্যান্ডারের রানার। কম্যান্ডার ক্রল করে সামনে গেলে সেও সামনে যায়, বামে গেলে সে বামে যায়, ডানে গেলে ডানে যায়। তাদের অবস্থান থেকে সীমান্ত ফাঁড়ির দূরত্ব ৩০০ গজ।

এলো ৩ টা ৫০ মিনিট। এইচ আওয়ার। প্লান মোতাবেক মর্টার দিয়ে গোলা মারা শুরু হলো। সুনসান রাতের নিস্তব্ধতা চুরমার হলো নিমিষেই। দশ মিনিট অনবরত সীমান্ত ফাঁড়ি বরাবর গোলা নিক্ষেপ হলো ফর্মিং আপ প্লেইস থেকে। রিকয়াল্লেস রাইফেল থেকে কয়েকটি গোলা মারা হলো ফাঁড়ির বাঙ্কার বরাবর। হিসাবে পাকিস্তান আর্মির ৩০ এ ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্টের অনেক সৈন্যের হতাহত হবার কথা। কোম্পানি কম্যান্ডার এবার আদেশ দিলো- চার্জ! প্রত্যেকটি প্লাটুন এগিয়ে গেলো টার্গেট বরাবর। কিন্তু ১০০ গজ এগুবার পরই আট নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন ও নয় নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন আটকে গেলো কাদামাটিতে। পা দেবে গেল সবার, কেউ কেউ একটু এগিয়ে গেল কিন্তু পাকিস্তান আর্মির পাতা বাশের পাঞ্জিতে আটকে গেল তারা। সাত নম্বর প্লাটুন সীমান্ত ফাঁড়ির ১০০ গজের মধ্যে চলে গেল কিন্তু এর মধ্যে তাদের প্লাটুন কম্যান্ডার পাকিস্তানী আর্মির গুলিতে আহত হল। হিসেব হয়ে গেল ওলটপালট। সবাই কাদায় শুয়ে পড়তে বাধ্য হলো। উপর থেকে অনবরত গুলি আসছে। কিন্তু পাহাড়ের ঢালে শুয়ে থাকার কারনে গুলি মাথার বেশ উপর দিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের।

কোম্পানি কম্যান্ডার প্রমোদ গুনলেন। কোম্পানির ১৭০ জন সৈনিকের প্রান বাচা-মরার মাঝে দোদুল্যমান। সীমান্ত ফাঁড়ির ডান দিকে দুইটি আম গাছের ঠিক মাঝে এর মধ্যে পাকিস্তান আর্মি একটি লাইট মেশিন গান বসিয়েছে। মুক্তিবাহিনী ক্রল করে এগিয়ে গেলে একদম পাকিস্তান আর্মির মুখে পড়বে আর পিছিয়ে গেলে মেশিন গানের সহজ লক্ষে পরিণত হবে। নয় নম্বর ফরওয়ার্ড প্লাটুন চেষ্টা করলো লাইট মেশিন গান পোস্টটিকে আঘাত হানতে কিন্তু রাতের অন্ধকারে আর গাছের পেছনে থাকাতে লক্ষ ভেদ হলো না। সময় গড়াতে লাগলো। কোম্পানি কম্যান্ডার বুঝলো তারা যা ভেবেছিল তার থেকে অনেক বেশী পাকিস্তানী সৈনিক সীমান্ত ফাঁড়িতে রয়েছে। এ জন্য মর্টারের আঘাতে কিছু হতাহত হলেও অন্যরা এসে বাঙ্কার ও মেশিন গান পোস্টে অবস্থান নিয়েছে। একটু পর ভোর হবে। তখন পাকিস্তান আর্মি ফাঁড়ি থেকে বেরিয়ে এসে পাল্টা-আক্রমণ করবে, কিছুই করার উপায় থাকবে না মুক্তিবাহিনীর। কোম্পানি কম্যান্ডার হামিদকে কাছে ডাকলো। বললো - তুমি পারবে মেশিন গান পোস্টে গ্রেনেড ছুড়তে? কম্যান্ডারের কথা শেষ কবার আগেই হামিদ উত্তর দেয় - পারবো স্যার।

হামিদ পরিস্থিতি বোঝে। সে বোঝে ভোরের আলো ফুটবার আগে যদি মেশিন গান পোস্ট নিস্ত্রিয় করা না যায় তাহলে পুরো কোম্পানির সবাই মারা পড়বে। তার কাছে আছে একটি গ্রেনেড। সে আর একটি চেয়ে নেয়। দুটি গ্রেনেড নিয়ে সে ক্রল করে এগিয়ে যেতে থাকে মেশিন গান পোস্ট বরাবর। তখনো থেকে থেকে গুলি আসছে। বাসের পাঞ্জি ও মাইন এড়িয়ে, কাদামাটির ভেতরে ক্রল করা প্রায় আসম্ভব কিন্তু সেপাহী হামিদ ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। ভোরের আলো তখন ফুটতে শুরু করেছে কিন্তু কুয়াশায় তা পূর্ণ রুপ নেয়নি। হামিদ ক্রল করে করে এসে পড়েছে ২০ গজের মধ্যে। মেশিন গান পোস্টের অবয়ব সে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে আছে বেশ কজন পাকিস্তানী সৈন্য। শুয়ে থেকেই হামিদ হাতের রাইফেল মাটিতে রাখে। বের করে গ্রেনেড। পিন দাঁত দিয়ে খুলে ছুঁড়ে দেয় মেশিন গান পোস্ট বরাবর। গ্রেনেড গিয়ে লাগে আম গাছে। হামিদ এবার দ্বিতীয় গ্রেনেডটির পিন দাঁত দিয়ে খুলে ছুঁড়ে মারে। এবার গ্রেনেড আঘাত হানে পোস্টের ভেতর। আর্তনাদ করে উঠে পাকিস্তানী সৈন্যরা। কিন্তু সবাই হতাহত হয় না। একজন রাইফেল নিয়ে বেরিয়ে আসে পোস্ট থেকে। হামিদ ততক্ষণে তার রাইফেল হাতে নিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তানী সৈন্যের গুলি এসে লাগে হামিদের গায়ে। হামিদও গুলি করে, পাকিস্তানী সৈন্য ছিটকে পরে যায়। হামিদ এগিয়ে যায় ক্রল করে। সে এখন একদম মেশিন গান পোস্টের সামনে। সেখানে ততক্ষণে পোস্টের শেষ পাকিস্তানি সৈন্য এসে হেভি মেশিন গানের দখল নিয়েছে। হামিদ শরীরে গুলি নিয়ে তার যুদ্ধজীবনের শেষ গুলিটি করে। সেই গুলিতে মেশিন গান থেকে ছিটকে পরে পোস্টে থাকা শেষ পাকিস্তানী সৈন্য। থেমে যায় মেশিন গানের গুলি। হামিদ জানে কেউ তাকে নিতে আসবে না নীচ থেকে। বরং পোস্টের ভেতরে কোন পাকিস্তানী সৈন্য বেঁচে থাকতে পারে। সে এগিয়ে গিয়ে মেশিন গান পোস্টে লাফিয়ে পড়ে, দেখে কেউ নেই বেঁচে। এটা দেখে হামিদের স্বস্তি হয়। কিন্তু তার শরীর ততক্ষণে নিস্তেজ হয়ে আসে। এক কদম চলবার শক্তিও আর নেই। সে হেলান দেয় পোস্টের দেয়ালে। মাথা হেলিয়ে দেয়। শীতের কুয়াশা ভেদ করে ভোরের আলো তখন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। হামিদ নিজ জন্মভূমিতে প্রান ভরে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস নেয়।



পরিশিষ্টঃ মেশিন গান পোস্ট নিস্তব্ধ হওয়াতে কোম্পানি কম্যান্ডার তিন প্লাটুনকেই নির্দেশ দেন পেছনে যেয়ে ক্যানালের ওপারে পজিশন নিতে। সবাই একে একে ফেরত গেল ফর্মিং আপ প্লেইসে। ডাক্তার আহতদের চিকিৎসা শুরু করলেন। সারা দিন চার্লি কোম্পানির সবাই বন্দুক তাক করে রাখল ফাঁড়ী বরাবর। অপেক্ষা করতে লাগলো পাকিস্তান আর্মির পাল্টা-আক্রমণের। কিন্তু পাকিস্তান আর্মি আর ফাঁড়ির বাইরে এলো না।

চিরে-গুড় আর নালার পানি খেয়ে সেখানে চার্লি কোম্পানির ১৬৯ মুক্তিযোদ্ধা তিনদিন পার করলো। সিপাহী হামিদুর রহমান তখনও নিথর পরে আছে মেশিন গান পোস্টের ভেতর। ৩১ তারিখ ইন্ডিয়ান আর্মির ৬১ মাউন্টেইন ব্রিগেড এসে পজিশন নেয় ফর্মিং আপ প্লেইসে। চালানো হয় আবার আক্রমন। এ যুদ্ধে দুই পক্ষেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহত হন ব্রিগেড কম্যান্ডার ইয়াদব নিজে। নভেম্বরের ১ তারিখ সকালে ফর্মিং আপ প্লেইসে এসে পৌছায় ডিভিশনাল আর্টিলারি সাপোর্ট। শুরু করে বোমা বৃষ্টি। আধ ঘণ্টা সেলিং এর পর চার্লি কোম্পানি কম্যান্ডার তিন প্লাটুনকে আদেশ দেন দ্রুত এগিয়ে যেতে। তারা এগিয়ে গিয়ে দখল নেয় ধলই সীমান্ত ফাঁড়িটি। লাইট মেশিন গান পোস্টের ভেতর থেকে বের করে হামিদুর রহমান অর্ধ গলিত দেহ।

হামিদুর রহমানকে সেই দিন বিকেলে আমবাসার হাতিমেরছড়া গ্রামে দাফন করা হয়।

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার সিপাহী হামিদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রদান করে।

** লেখাটি 'নিয়ন আলোয়' নামে একটি অনলাইন ম্যাগাজিনে আজ সকালে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ
রক্তে ভেজা একাত্তর - মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা - মেজর (অবঃ) এম এ কাইয়ুম চৌধুরী পি এস সি

কথোপকথন - মেজর (অবঃ) এম এ কাইয়ুম চৌধুরী পি এস সি
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২৫
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিষাদের উত্তরাধিকার....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:৫৬

বিষাদের উত্তরাধিকার....

আমি হাজার হাজার বছর ধরে পিঠে বিষাদ বেঁধে হেঁটে চলেছি। আমার বাবা, আমার মা তার মা তার বাবা…
একইভাবে এগিয়ে গেছে আমার মতই।
পিঠ থেকে নামিয়ে চোখের কোলে বসিয়ে তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুমিল্লায় ঘটনা তিনটা: আমি যেভাবে দেখি

লিখেছেন সরোজ মেহেদী, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১:৪৬

১. মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরানের অবমাননা করা হয়েছে। ‘কে করেছে?’ হিন্দু ভাইরা সবার আগে এই প্রশ্নটা করবেন। উত্তর: আমি জানি না। কোনোদিন জানা যাবে বলেও বিশ্বাস করি না। কথা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোদন ভরা আমাদের শিক্ষা জীবন শুরু

লিখেছেন জুন, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

আমাদের শিক্ষা জীবনে প্রথম বাংলা সাহিত্যের সাথে পরিচয় ঘটে সবুজ সাথী বই এর মাধ্যমে। সেই বইতে ছিল নানা রকম শিক্ষা মুলক গল্প, কবিতা,প্রবন্ধ । কিন্ত আজ চিন্তা করলে দেখি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাইওয়ান দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩২



চীনের ভাবসাব দেখে ও শি জিনপিং'এর কথা থেকে মনে হচ্ছে, চীন তাইওয়ান দখল করার ব্যাপারে প্রস্তুতি নিচ্ছে; এবং চীন ভালো সময়ের জন্য অপেক্ষা করছে।

তাইওয়ান হচ্ছে আরেকটি চীনদেশ, ইহা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবনিক~১ম পর্ব (তৃতীয় খন্ড)

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:৫৩


আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
দুই বছর পর...
নেক্ষন ধরে টু টুটুট টুটুট করে টেলিফোন বাজছে।
সৌম্য গভীর ঘুমে তখন।মনে হচ্ছিল বহু দুরের কোন শব্দ। ঘুমটা হালকা হতেই সে ভীষণ আলস্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×