somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাননীয় উলুবন, আমি এখন সিএনজিতে

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ট্টগ্রামে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত নামে একটা জায়গা আছে।
কে কে চেনেন, হাত তুলুন!

চট্টগ্রামে ফয়েজ লেক নামে আরেকটা জায়গা আছে।
কে কে চেনেন, হাত তুলুন!

চট্টগ্রাম সমুদ্র সৈকত বা ফয়েজ লেক কী জিনিস?
ওখানে মানুষ যায়!

কেন যায়?
ঘুরতে যায়।

ওখানে কি অস্ত্র টস্ত্র আমদানী করতে যায় কেউ? কিংবা মাদক??

আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, পতেঙ্গা থেকে বের হতে দুইটি জায়গায় এবং ফয়েজ লেক থেকেও বের হতে দুইটি জায়গায় কিছু মহান কর্মকর্তাঅপেক্ষাকৃত অন্ধকার রাস্তার পাশে টর্চ হাতে দাঁড়িয়ে থাকেন! প্রতিটা সিএনজিকে তাঁরা টর্চ নাচিয়ে থামান এবং সিএনজির ভেতরে টর্চের আলো ছুড়ে বুঝে ফেলেন এই গাড়ির যাত্রী বৈধ না অবৈধ নাগরিক!! যদি আপনারা নারী পুরুষ মিলিয়ে দুইয়ের অধিক হন, বা আপনাদের সঙ্গে বাচ্চাকাচ্চা থাকে, তবে তাঁরা তাঁদের বিশেষ গোয়েন্দা জ্ঞান মোতাবেক বুঝতে পারেন যে, এই যাত্রীরা বৈধ বা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর নন!

কিন্তু যদি আপনারা নারী এবং পুরুষ দুইজন হন, তবে সে কর্মকর্তাগণ নিঃসন্দেহে বুঝে ফেলেন যে, আপনারা দেশের জন্য, আইনের জন্য অবৈধ বা ক্ষতিকর!! আপনাদের তখন সিএনজি থেকে নামিয়ে আলাদা করা হবে, গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হবে এবং কমপক্ষে এক হাজার টাকা না দেওয়া পর্যন্ত প্রমাণ হবে না যে আপনারা এদেশের বৈধ নাগরিক!!

যাত্রী যদি একজন বা দুইজন হন, তখনও আপনার চেহারার প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী আপনাকে সিএনজি হতে নামানো হতে পারে, তল্লাসী করা হতে পারে এবং আপনার কপাল যদি খারাপ হয়, তবে আপনার পকেট বা ব্যাগ হতে গাঁজার পুরিয়াও বেরিয়ে আসতে পারে!!
তবে হ্যাঁ, কর্মকর্তাগণ অত্যন্ত সুবিবেচক, আপনি কিছু টাকা হাতের মুঠোয় দিয়ে দিন, তবেই তাঁরা আপনাকে বিশেষ বিবেচনায় ওই সময়ের জন্য ছেড়ে দিতে রাজি হবেন!

না, না, ভয় পাবেন না, আপনি একা হলে বা দুই বন্ধু হলে কিছুটা বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু আপনি যদি আপনার বোন নিয়ে বা আপনার বান্ধবীকে নিয়ে সিএনজিতে থাকেন তবে আমার ভরসা দেবার ভাষা জানা নেই, ভরসা একমাত্র হাজারখানেক টাকা!
মাস কয়েক আগে আমাদের এলাকার এক যুবক প্রেমিকা সহযোগে সিএনজি করে ফেরার সময় কর্মকর্তাদের দায়িত্ববোধে খুশি হয়ে ছয় হাজার টাকা দিয়ে এসেছে!

চট্টগ্রামের সল্টগোলা নামক ঈষৎ অন্ধকার একটি এলাকায় মহান কর্মমকর্তাগণ নিয়মিত থাকেন। তাঁরা কেবল সিএনজি নয়, রিকশাও থামাবেন; কেবল তাতে যুগল থাকলেই হল!! যুগলকে যুগলবন্দী করার কারণ নিশ্চয়ই আপনারা বোঝেন, মানসম্মানের ভয়ে সহজেই তারা টাকা দিতে রাজী হয়!

এই ঘটনাগুলো প্রায়ই দেখতে পাচ্ছি চলতি পথে! কাল একজন সিএনজি চালক এই সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি ঘটনা শোনালেন, এবং তাঁর ক্ষোভও প্রকাশ করলেন এরূপ জুলুমের ওপর! আমি এই দেশে টাকা দিয়ে থাকা নাগরিক, আমার নাগরিক অধিকারের কথা পরে, আমি আগে উলুবনে একটা প্রশ্ন করতে চাই। (উলুবনে করার কারণ হল, কাকে করছি জানি না, কেউ আদৌ উত্তর দেবে কি না তা তো আরো জানি না!)

আমার প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে সিএনজি করে নারী আর পুরুষ চলাচলে আইনের কোথায় বাঁধা আছে?? একজন কর্মকর্তা একজন যাত্রীকে কখন তুই করে বলার অধিকার রাখেন? আমি সবার আগে এই প্রশ্নটার উত্তর চাই! প্রেমিক প্রেমিকা একসাথে ঘুরতে পারবে না, একসাথে সিএনজিতে পেলে তাদেরকে সেখান থেকে নামিয়ে কর্তৃপক্ষের গাড়িতে তুলতে হবে এরকম আইন কোথায় আছে আমাকে কেউ একজন বিধানটা জানান! যদি আইন থাকেই, তবে দুয়েক হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেওয়া কেন হবে এই বিধানটাই বা কোন অনুচ্ছেদে আছে আমি জানতে চাই!

একজন গাড়ি চালককে কেন চাইলেই ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিতে পারেন? চালক ভুল করলে তাকে চোখ রাঙিয়ে শ খানেক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হবে এই বিধানটাই বা কোথায় আছে??

আহা, উনারা দিন রাত রোদে পুড়ে কষ্ট করে ডিউটি করেন, নগরের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখেন, উনারা এই পরিশ্রমের বিনিময়ে একটু উপরি ইনকাম নিতেই পারেন!! এই যদি কারো যুক্তি হয়, তবে মুচির মাথার ওপর একটা এয়ার কুলার কিনে দিন! বেচারাও তো কত কষ্ট করে!
কিন্তু চেইন অব কমান্ড হল, মুচি রাস্তার পাশে বসে জুতা সেলাই করার জন্যই, ওটাই তার কাজ, সে ওই কাজ জেনেবুঝেই গ্রহণ করেছে! একজন বিপননকর্মী বেশ শিক্ষিত হবার পরেও সে আর সবার মত দশটা পাঁচটা ডিউটি করার বদলে ষোল ঘণ্টা দোকানে ডিউটি করে! এজন্য কি তার গলা জড়িয়ে ধরে কেঁদে সান্ত্বনা দেবেন আপনি? ওর কাজই ওটা, ওকে ওটাই করতে হবে এবং ওটা করার জন্যই ও বেতন পায়!!

অতএব, ওইসব মহান কর্মকর্তাদের ঘুষের জন্যও সাফাই গাইবার কিছু নেই!
তাছাড়া, এখন তাদের বেতন স্কেলও তো নেহাত কম নয়। তারপরও লাগবে?

যাইহোক, মূল আলোচনায় আসি, এই সিএনজিতে নারী পুরুষ যাতায়াত করার আইনটা আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক টেলিভিশনে ব্যাখ্যা করে দেওয়া উচিত, যাতে নাগরিকগণ তা মেনে চলতে পারে! মাননীয় উলুবন, এদেশের মানুষ "নাগরিক অধিকার"ও বোঝে না, আপনাদের আইন কানুনও বোঝে না! যার কারণে আপনার কর্মকর্তাদের অন্ধকার অন্ধকার গলির মুখে টর্চ হাতে ওৎ পেতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় কষ্ট করে!

যুগল দেখলেই সিএনজি রিকশা কেন আটকানো হবে তার একটা স্পষ্ট আইন হওয়া দরকার! আমার এক পরিচিতা দেশের টানে জার্মানি থেকে ছুটে এসেছিল গত বছর। ভাইয়ের সঙ্গে রিকশায় করে সন্ধ্যার সময় বাসায় ফেরার পথে এরকম দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের কাছে লাঞ্ছিত হয়ে টাকার বিনিময়ে ঘরে ফিরেছিল! সে এখন জার্মানিতে বসে বাংলাদেশের নিকুচি করে রোজ! সে জার্মানির প্রতি কৃতজ্ঞ, বাংলাদেশের প্রতি নয়! এরপর আর তাকে দেশে বেড়াতে আসার দাওয়াত দেবার উপায় কী?

আমি ঘটনা শুনে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যে কর্মকর্তা এরকম করেছে, তার নাম কী?
বলল, জানি না তো!
তাড়াহুড়োয় ওরা নামটাম খেয়াল করেনি!

আমার কাছে তখনই পাল্টা প্রশ্নে জানতে চাইল, নাম দিয়ে কী হবে?
বললাম, অভিযোগ তো করা যেত!

জিজ্ঞেস করল, কার কাছে অভিযোগ করবেন??
আমি চুপ করে রইলাম। সত্যিই তো! কার কাছে করব??

এখন, মাননীয় উলুবন, আমি জানতে চাই এরকম হয়রানিগুলোর অভিযোগ মানুষ কোথায় করবে? কার কাছে??

এর জন্য একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট হওয়া উচিত, যেখানে নাগরিক তার হয়রানির বিবরণ দিয়ে অভিযোগ লিখবে এবং সেই লিখিতের এক কপি নিজের সংগ্রহে রাখবে! অভিযোগের এক কার্যদিবসের মধ্যে তার বিহিত হতে হবে! সম্ভব, মাননীয় উলুবন??

জনগণকে অনেক আইনের আওতায় আনা হয়েছে, এবার একটু নিজেদের আইনের আওতায় আনুন দয়া করে!!

রাত একটার দিকে চট্টগ্রামের দুই নং গেইট এলাকায় কোন কারণে বের হলে পুলিশকে টাকা দিতে হবে এমনটা কোন আইনে আছে?? একজন নাগরিক, মাঝরাতে রাস্তায় বের হতে পারবে না, বের হলেই সে দেশ ও জাতির জন্য হানিকর হয়ে যাবে এমনটা কোথাও স্পষ্ট করে লেখা হয়নি কেন?

লিখে দিন মাননীয় উলুবন!!

আমি প্রায়ই মাঝরাতে বাসায় ফিরি মাননীয় উলুবন, চট্টগ্রাম সন্ত্রাস-ছিনতাইকারী মুক্ত নগরী নয়, কিন্তু আমি মাঝরাতে সন্ত্রাসের খপ্পরে পড়ার চেয়ে আপনার দায়িত্ববানদের খপ্পরে পড়ে টাকা গচ্চা দেওয়ার ভয়টা বেশি পাই!!

আমি এই দেশে টাকা দিয়ে বসবাস করি। সরকার আমার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য আমার কাছ থেকে টাকা নেয়, না নিজে চলার জন্য টাকা নেয় তা আমার জানা নেই! মাননীয় উলুবন, আমি একটা ছোট্ট চাকরী করি, বেতন পাই, আমার সংসার চলে, আর দশজন বাসিন্দাদের মাঝে মাথা গুজে বসবাস করছি, আমরা বসবাস করি সমঝোতার ভিত্তিতে, আমাকে কেউ বাড়ি থেকে তুলে দেয় না, তুললে আপনিই তুলতে আসেন! আমার বাড়ির দরজায় আপনি কখনও এসে পাহাড়া দেন না, বরং কোন দুর্ঘটনা ঘটলে আপনার কর্মকর্তাদের তদন্তের নামে আরো কিছু টাকা দিতে হয়!! মাননীয় উলুবন, আমার এরকম নাগরিক সেবার দরকার নেই, আমি বেতন পাই, বাজার করি, খরচ চালাই, ঘর টু অফিস, অফিস টু ঘর যাই। আমার আপনার সেবা সারা জীবনেও একবার চাওয়ার ইচ্ছে নেই। তবুও আমি এদেশে থাকার জন্য টাকা দিই! টাকাটা তো পাচ্ছেনই তারপর আমাকে বরং আমার মত ছেড়ে দিন আমি কেঁদে বাঁচি!

আচ্ছা, তল্লাসী প্রসঙ্গ দিয়েই শেষ করি! মাননীয় উলুবন, সমুদ্র সৈকতে প্রকাশ্য এ্যালকোহল বিক্রয় হয়, তাতে আপনার সমস্যা হয় না, কিন্তু কেউ যদি খেয়ে ফেরে তবেই আপনি তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে থানায় নেবার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করবেন কেন?

মাননীয় উলুবন, মদ বিক্রয়ের জন্য যদি বার বৈধ হয়, তবে সেখান থেকে মদ খেয়ে ফেরার সময় কেন পুলিশে ধরবে? উলুবন, বারে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে গড়াতে গড়াতে বাড়ি ফেরার চেয়ে যদি কেউ একটা বোতল কিনে নিয়ে বাসায় গিয়ে নির্বিঘ্নে খেতে চায়, তবে তাকে পুলিশে ধরবে কেন??

আমি মদ বহনের পক্ষে নই, আপনি গোটা মদের বারই বন্ধ করেন না কেন? এটাও খোলা রাখবেন আবার ওটাকেও নিষিদ্ধ বলবেন কেন?

শেষকথা হল, এদেশের সব অপরাধ সিএনজিতে- এই তত্ত্ব আপনাকে কে দিয়েছে আমার বড় জানতে ইচ্ছে হয়!! জ্বী, পতেঙ্গা থেকে মদ শহরে আসে। আপনার সামনে দিয়েই আসে, আপনি তাদের একবারও ধরেন না, আপনি ধরেন সিএনজি! সেখানে মধ্যবিত্তরা বসে, আর মধ্যবিত্তদের সহজেই ভয় দেখিয়ে টাকা হাতানো যায়! আপনারা মাদক ধরতে বসেন না ওখানে, কেবল যুগল ধরতে বসেন!

আরেকটু, মাননীয় উলুবন, আপনি তো জানেনই, আপনার এই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ক্রিমিনাল বিশেষজ্ঞগণ অনেকবারই, ক্যান্টনমেন্টের বয়স বা মুখ দেখে বোঝা যায় না এমন লেফটেন্যান্ট, মেজরদের সাধারণ যাত্রী ভেবে রাস্তায় নামিয়ে স্মরণীয় অনেক ঘটনা ঘটিয়ে রেখেছেন!!
আপনাকে সিএনজি থামাতে কেউ মানা করছে না, তবে সাধারণ যাত্রীদের সাথে তুই তুকারি না করে একটু সম্মান দিয়ে কথা বলতে শিখিয়ে দিন, বলা তো যায় না, কোথায় আবার কোন ক্যাপ্টেন মেজরের ইগোতে লেগে যায়!! আমাদের ভয় না পান, তাঁদের কথাটা নাহয় বিবেচনায় রাখুন।
শুভরাত্রি!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২৫
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল: আমার বৈষয়িক ভাবনা

লিখেছেন জীয়ন আমাঞ্জা, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩০

এবার এসএসসিতে ৬ লাখ ৯০ হাজার পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। ২২৬ মাদ্রাসায় একজনও পাশ করতে পারেনি। স্কুল মাদ্রাসা মিলিয়ে মোট সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাশ করেনি, শতভাগ ফেল!

এ নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

র-প্রধানের ঢাকা সফর: খবর শুনেই হাসপাতালে ভর্তি পাকিস্তানের হাইকমিশনার !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৭


রসিকতা বাদ দিয়ে বলি, দুটি ঘটনাই সত্যি। বাংলাদেশে RAW এর প্রধান পরাগ জৈন এসেছেন এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার এখন হাসপাতালে আছেন। দুটি ঘটনা আসলে পরস্পরবিচ্ছিন্ন, একটার সঙ্গে আরেকটার কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩



ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

জীবনে অনেক কিছুই শেষ করেছি- কিন্তু ভেষজ চায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি!
সবুজ চা, লেবু-আদা-তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ-লবঙ্গ, গোলমরিচ, পুদিনা-রোজেলা, জাফরান, জেসমিন থেকে শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আশা রাখি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হবেন

লিখেছেন অপলক , ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪০



আমার দেখা সকল রাষ্ট্রপতিগন ছিলেন ডায়াবেটিকস রোগীদের মত। যাদের রাজনৈতিক জীবনীশক্তি ছিল না বললেই চলে। প্রধানমন্ত্রীর অলিখিত আজ্ঞাবহ মাত্র। ফর্মালিটি আছে কিন্তু কাজের স্বকীয়তা ছিল না। কোন আইকোনিক ডিসিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ মায়া

লিখেছেন সামিয়া, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:২৩


মানুষের জীবনে এমন কিছু মানুষ থাকে যাদের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো পরিচয় দেওয়া যায় না। তাদের সঙ্গে ভালোবাসা থাকে, অথচ তাকে ভালোবাসা বলা যায় না। শ্রদ্ধা থাকে, অথচ শুধু শ্রদ্ধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×