আমার কি দোষ ছিল ?????
০২ রা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৮:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সেও বাঁচতে চেয়েছিল এই সুন্দর পৃথিবীতে , তার দুচোখে ছিল দস্যিপনা , দুরন্তপনা , রঙ্গিন স্বপ্ন বোনা । তাকে নিয়েও বাবা মা স্বপ্ন বুনত । কিন্তু না সেটা হয়নি হয়নি শুধু সমাজের কিছু মানুষ নামের পশুদের জন্য । তাদের ছোবলে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় মেয়েটির সব কিছু । সব স্বপ্ন , আশা , প্রত্যাশা । মেয়েটি বাঁচতে চেয়েছিল তাদের কাছে , চেয়েছিল তাদের কাছে তার প্রান তার সর্বস্ব । কিন্তু না পারেনি সে , তারা তো মানুষ ছিল না , মানুষের মুখোশধারী পশু । অবশেষে শুধু সব হারিয়ে অশ্রু হয় মেয়েটির সাথী । সেটাও বেশি দিনের জন্য নয় । মেয়েটি যখন সেই পশুদের কথা সমাজকে জানাই তাদের শাস্তির দাবি করে । কিন্তু সেই সমাজই প্রকারান্তে মেয়েটিকেই লাঞ্ছিত করে , পদে পদে তাকে রক্তাত্ত করে । মনে করিয়ে দেয় এ সমাজে তার মত মেয়ের ঠাই নাই , সে দোষী নয় কিন্তু তাকেই শাস্তি পেতে হবে কিন্তু সেই পশুরাই আবার সমাজে বীরদর্পণে মাথা উঁচু করে বাঁচবে ।
পৃথিবীর বুক থেকে আজ সে চলে গেল একরাশ ঘৃণা নিয়ে । তার দুচোখে ছিল শুধুই ক্ষোভ আর ঘৃণার প্রজ্বলন । প্রভাতের রবি উঠলে সবাই হয়ত জানবে সেই ধর্ষিতা মেয়েটা আত্মহত্যা করেছে ।
তার কাছ থেকে পাওয়া একটি চিরকুট লেখা প্রশ্ন......আমার কি দোষ ছিল ???
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন