কফি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়। কফি পছন্দ করে না এমন মানুষ সের জুড়ি মেলা ভার। দিনের শুরুতে কিংবা বিকালের নাস্তায়,নিজেকে সতেজ করতে এক কাপ কফির জুড়ি নেই। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই কফির আবিষ্কার হলো কিভাবে ,কীভাবেই বা তা পানীয় হিসেবে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠলো

বিশ্বজুড়ে দৈনিক প্রায় 200 কোটি কাপ কফি পান করা হয় ।পশ্চিমা বিশ্বে এর প্রচলন সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ক'জনই বা জানে এ কফি আবিষ্কারের পেছনে জড়িয়ে আছে একজন মুসলিম। ইতিহাসের পাতায় লেখা দক্ষিণ ইথিওপিয়ার খালিদ নামে একজন মুসলিম একদিন মেষ চরানোর সময় তো তিনি হঠাৎ দেখতে পেলেন তার পশুগুলো জামের মতো এক ধরনের ফল খাওয়ার পর পূর্বের থেকে আরও বেশি সতেজ লাগছিল। ধর্মপ্রাণ ও তাপস প্রকৃতির খালিদ দ্রুত ওই ফল গুলো সংগ্রহ করে স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছে চলে যান। ফলগুলো কাঁচা খাওয়া সম্ভব হবে না বলে ইমাম পাশে আগুনের ওপর রাখা গরম পানির পাত্রের মধ্যে ফেলে দেন। প্রথমে এটাকে শয়তানের প্রলোভন মনে হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের ধারণা বদলে যায় কেননা কিছুক্ষণ পরেই সে পানীয় থেকে খুব সুন্দর ঘ্রাণ বের হচ্ছিল। এবং ইমামের সঙ্গীরাও তখন সেই ফল খেতে চাচ্ছিল। ফলগুলো কাঁচা খাওয়া সম্ভব না বিধায় তারা গরম পানি দিয়ে জাল দিয়ে তারপর খাওয়া শুরু করে এবং এভাবেই এই কফি পানীয় আবিষ্কার হয় এবং যা বিশ্বে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
বর্তমানে পশ্চিমাবিশ্বে কফির জনপ্রিয়তা খুব বেশি। যার কারণে আমাদের অনেকেরই জানা নাই কফির পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ এর পিছনে একজন মুসলিমের হাত রয়েছে। প্রতি বছর পহেলা অক্টোবর কফি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। যাতে করে এ কফির পিছনে যে সকল শ্রমজীবী মানুষ রা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের মূল্যায়ন করা হয়।


সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



