
যখন হাইস্কুলে ছিলাম তখন জহির রায়হানের "হাজার বছর ধরে" উপন্যাসে টুনি আর মন্তু চরিত্রের মধ্য দিয়ে মোটামুটি ভালভাবেই পরকীয়ার চিত্র দেখেছিলাম। এখনকার বইতে ওগুলা দেখি আর শোভা পায় না। উপন্যাস "কাকতাড়ুয়া"য় দেখলাম এতিম কিশোর বালকের সাহসী মুক্তিযুদ্ধ। আর নাটকে দেখলাম "বহিপীর" নামের আড়ালে কিশোরী তাহেরার এক্স জমিদারপুত্রের সাথে পালিয়ে যাবার কাহিনী।
এ-জাতি কি শুধু বিয়ের পর পরকীয়া আর বিয়ের পূর্বে পালিয়ে যাওয়াই শিখবে? তথ্যপ্রযুক্তির সেক্টর কি শুন্যই থাকবে? তা থাকবে কেন! স্যার মুহম্মদ জাফর ইকবাল তো বলেছেন তাঁরা শিল্প বিপ্লবে অংশগ্রহণ করতে পারে নি বিধায় বৃটিশরা তাদের পৌনে দু-শ বছর চুষেছে। তাই আগামীর বিশ্বকে শাসন করার জন্য তিনি তরুণ/তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানিয়েছেন। বুঝা গেল বাংলাদেশের এখনও প্রযুক্তির বিপ্লবে অংশগ্রহণ করার সুযোগ আছে। পাঠক আপনারা যারা এখন আমাকে বোকা**দা বলার প্রিপারেশন নিচ্ছেন তাঁরা দয়া করে জাফর স্যারকে গিয়ে বলুন।
যারা মাধ্যমিকের বাংলা বইটা পড়েন নি তাদের জন্য জাফর ইকবাল স্যারের লিখাটা হুবহু তুলে দিলাম।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

