অভিবাদন ও সুসংবাদ
ঐ সকল মুসলিম বোনের প্রতি, যারা শত্রুদের অজস্র কৌশলের সামনেও নিজেকে পরাজিত হতে দেয়নি। বিক্রি করে দেয়নি আল্লাহ্ কর্তৃক তাকে প্রদত্ত অমূল্য সম্পদ, ইয্যত ও আবরু। বরং সে তার সর্বশক্তি দিয়ে মাড়ির দাঁতের ন্যায় আঁকড়ে ধরে রেখেছে নিজের ব্যক্তিত্ব, সতীত্ব ও সম্ভ্রমকে। আর জাহেলিয়াতের মহা প্লাবনের মুখেও সে পালন করেছে আল্লাহ্র নির্দেশাবলীকে এবং বিরত রয়েছে নিষেধাবলী থেকে।
এভাবেই সে স্বীয় অস্তিত্বের সাথে ধারণ করেছে আল্লাহ্র কিতাব ও রাসূলের (সা
তার জন্যই তার নবীর পক্ষ থেকে সুসংবাদ। যে সম্পর্কে আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেছেন সাহাবায়ে কিরামকে উদ্দেশ্য করে :
“নিশ্চয়ই তোমাদের পর এমন দিনকাল আসবে, যখন আল্লাহ্র দেয়া জীবন ব্যবস্হার সার্থক অনুসারীকে হতে হবে খুবই ধৈর্য্য ও সহনশীল। আর তাদের প্রতিদান হবে পঞ্চাশ জনের প্রতিদানের সমান ও অনুরূপ। তখন সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন: হে আল্লাহ্র রাসূল (সা
তাদের প্রতি আরো সুসংবাদ হল যে, রাসূলুলস্নাহ্ (সা
“ইসলামের যাত্রা শুরু হয়েছিল অপরিচিত অবস্হায়। অচিরেই সে তার যাত্রাকালের অবস্হায় ফিরে আসবে। তবে গুরাবাদের জন্যে চরম সুখ ও শুভ সংবাদ।” সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন গুরাবা কারা? হে আলস্নাহ্র রাসূল (সা
উল্লেখ্য মুহাদ্দীসীনে কিরামের কেউ কেউ বলেছেন তুবা’ই হল জান্নাতের একটি গাছের নাম। মিথ্যা, অন্যায়, অনাচার ও বিভ্রান্তিকে উপেক্ষা করে শত বাঁধা বিপত্তির বেড়াজালকে ছিন্ন করে অতি ধৈর্য্যের সাথে যিনি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের (সা
পবিত্র কোর’আনের ভাষায় :
“তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। যেহেতু তোমরা দুনিয়ায় ধৈর্য্য ধারণ করেছ। আর তোমাদের এই আখিরাতের নিবাস কতই না চমৎকার ও উত্তম।” (সূরা রা’দ, ১৩ : আয়াত ২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

