এক রাত চট্টগ্রাম মেডিকেলের সামনে রাত কাটিয়েছে পাম গাছের নিচে। এমন ঠান্ডা জ্বর ধরেছে আমাকে বিছানা থেকে ওঠাই কষ্টকর। যারা কিনা শীতে বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে দিনের পর দিন কাটায় তাদের কথা ভাবতেই আমার হৃদয় টা দুমড়ে মোচড়ে উঠছে।। বিশেষ করে শিশু যারা তাদের কথা আর কি বলবো। অনেকে ১ দিনের বাচ্চা নিয়ে রাত কাটায় পথে পথে। লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে নব্য হায়েনাদের হাত ধরে। যারা আমাদের দেশের লোক আমাদের ই কারো ভাই কারো বোন। তারাই চুরি চামারি করছে। গরীবের টিসিবির পণ্য পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছেনা তারা, স্বাস্থ মন্ত্রণালয় ৫০০০ কোটি টাকা সরকার কে ফেরত দিয়েছে খরচ করতে পারেনি তাই। অথচ চিটাগং মেডিকেলে একটি বেডে ৩ টি শিশু। চটগ্রামে আরেক টি শিশু হাসপাতাল করা এখন সময়ের দাবী। আমরা বুড়োরা না হয় যেমন তেমন বলতে পারি কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে। বুকে ব্যথা উঠলে বলতে পারি পেটে ব্যথা উঠলেও বলতে পারি। শিশু রা কিছুই বলতে পারে না। তারা অসুখ হলে শুধু ঘুমায়, দূর্বল শরীর নিয়ে খেতেও পারেনা। কিনলাম ৩ টা অক্সিজেন সেট, ইন্টেক অক্সিজেন সেট গুলো তারা রেখে দিলো, আমার ছেলে টাকে দিলো অন্যের ব্যবহৃত অক্সিজেন সেট। নাকে ঢুকানোর পাইপ টাই শুধু নতুন ছিলো। তাও ওয়ার্ড বয় এক টানে খুলতে গিয়ে নিজের পায়ে সাথে লাগিয়ে ফেললো সেই নাকের পাইপ টা। কোথায় যাবেন কাকে বলবেন? কোনো রকমে বেঁচে আছি আমি আপনি এই তো বেশী। এই ওয়ার্ড বয় গুলো তো আর বাইরের দেশের কেউ নয়, আনসার সদেস্য গেটে দাঁড়িয়ে ১০০ টাকা রেখে দিলেন। ভেতরে ঢোকার জন্য। অথচ তখন ভিজিটিং আওয়ার চলে। আর চট্টগ্রাম মেডিকেলের পরিচালক তার অফিসের সামনে পোস্টার টানিয়ে রেখেছেন আমার প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ দূর্নীতি মুক্ত। দূর্ণীতি মুক্ত।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



