২৫শ সংশোধনী
ধারা ১। মৃত্যুর ফলে বা পদত্যাগের কারণে প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট হবেন।
ধারা ২। ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হলে প্রেসিডেন্ট একজনকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন দিবেন, যা কংগ্রেসের উভয় পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট অনুমোদিত হতে হবে।
ধারা ৩। যখন প্রেসিডেন্ট লিখিত ভাবে সিনেটের প্রেসিডেন্ট প্রো টেমপোরকে এবং হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভের স্পিকারকে তার পদের ক্ষমতা প্রয়োগ এবং কর্তব্য পালনের অক্ষমতার কথা জানাবেন, এবং যখন আবার লিখিত ভাবে বিপরীত অবস্থার কথা জানাবেন সেই সময় পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ৪। যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং নির্বাহী বিভাগের মুখ্য কর্মকর্তাগণ বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যাদেরকে কংগ্রেস দায়িত্ব দিয়েছে তাদের অধিকাংশ লিখিত ভাবে সিনেটের প্রেসিডেন্ট প্রো টেমপোরকে এবং হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভের স্পিকারকে অভিহিত করবেন যে প্রেসিডেন্ট তার পদের ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালনে অক্ষম, তখন তাৎক্ষণিক ভাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রেসিডেন্টের সব ক্ষমতা ও কর্তব্য ভার গ্রহণ করবেন।
পরবর্তীতে যখন প্রেসিডেন্ট সিনেটের প্রেসিডেন্ট প্রো টেমপোরকে এবং হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভের স্পিকারকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন যে তার আর অক্ষমতা নাই, তখন তিনি তার পদের ক্ষমতা এবং কর্তব্যভার গ্রহণ করবেন, যদি না ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং নির্বাহী বিভাগের মুখ্য কর্মকর্তাগণ বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যাদেরকে কংগ্রেস দায়িত্ব দিয়েছে তাদের অধিকাংশ চার দিনের মধ্যে সিনেটের প্রেসিডেন্ট প্রো টেমপোরকে এবং হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভের স্পিকারকে লিখিতভাবে অভিহিত করবেন যে প্রেসিডেন্ট তার পদের ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালনে অক্ষম। অবিলম্বে কংগ্রেস এই সমস্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, কংগ্রেস যদি অধিবেশনে না থাকে তাহলে আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে অধিবেশনে মিলিত হবে। যদি কংগ্রেস লিখিত ঘোষণা প্রাপ্তির পর একুশ দিনের মধ্যে বা যদি কংগ্রেস অধিবেশনে না থাকে তাহলে অধিবেশনে মিলিত হওয়ার একুশ দিনের মধ্যে উভয় পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটে সিদ্ধান্ত নিবে যে প্রেসিডেন্ট তার পদের ক্ষমতা প্রয়োগ এবং কর্তব্যভার পালন করতে অক্ষম, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে কার্যভার চালিয়ে যাবেন; অন্যথায় প্রেসিডেন্ট তার পদের ক্ষমতা এবং কর্তব্যভার পুনরায় গ্রহণ করবেন।
ভাষ্য
সংবিধানের ২৫শ সংশোধনী ১৯৬৫ সালের ৬ জুলাই কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯৬৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তা অনুমোদিত হয়।
এই সংশোধনীর দ্বারা মূল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২ এর ধারা ১ এর ৬ নং দফাকে পরিবর্তন করা হয়েছে।
২৬শ সংশোধনী
ধারা ১। আঠার বছর বা তদুর্ধ বয়সের নাগরিকদের ভোট প্রদানের অধিকার বয়সের কারণে অস্বীকার করা যাবে না।
ধারা ২। যথোপযুক্ত আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদ বলবত করার ক্ষমতা কংগ্রেসর থাকবে।
ভাষ্য
সংবিধানের ২৬শ সংশোধনী ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯৭১ সালের ১ জুলাই তা অনুমোদিত হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে ভোটার হওয়ার বয়স সীমা ২১ বছর থেকে ১৮ বছরে নামিয়ে আনা হয়। বয়স সীমা কমিয়ে আনার পিছনে যুক্তি ছিল, ভিয়েতনাম যুদ্ধে আঠার বছর বা তদুর্ধ বয়সের নাগরিকদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক ছিল। ঐ যুদ্ধে অংশ নিয়ে এই বয়সের অনেক আমেরিকান মারা যায়। ১৮ বছর বয়সের একজন নাগরিক যুদ্ধে অংশ নিতে পারলে, সে এই বয়সে ভোট প্রদান করার মত যথেষ্ট বয়স্ক বলে গণ্য হবে।
২৭শ সংশোধনী
যতক্ষণ পর্যন্ত প্রতিনিধি গনের পরবর্তী নির্বাচন না হবে, ততক্ষণ সিনেটরগন এবং প্রতিনিধিগণ (Representatives) তাদের কাজের জন্য যে প্রতিদান গ্রহণ করেন তা পরিবর্তন করে কোন আইন প্রণয়ন করলে তা কার্যকর হবে না।
ভাষ্য
সংবিধানের ২৭শ সংশোধনী ১৭৮৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসে পাস হয়, আর ১৯৯২ সালের ৭ মে তা অনুমোদিত হয়।
আইন পাস হওয়ার ২০২ বছর পর তা অনুমোদিত হয়।
কংগ্রেস নিজেদের বেতন নিজেরা বাড়াতে পারবে না। তারা বেতন বাড়াতে পারবে তাদের পরবর্তী কংগ্রেস সদস্যদের জন্য। অর্থাৎ যে কংগ্রেসে বেতন বাড়ার আইন পাস হবে, তার পরবর্তী কংগ্রেসের সদস্যরা এই বর্ধিত বেতনের সুযোগ ভোগ করবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



