somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কলেজ থেকে ফিরতে দেরি হওয়ার কারণ নিয়ে মা-ছেলের সংলাপ

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মা : তোর ফিরতে আজ এত দেরি হলো কেন?

ছেলে : কলেজে একটি সেমিনার ছিল তো, তাই।

মা : কীসের সেমিনার?

ছেলে : জানো মা, আজ না আমাদের কলেজে একজন মুক্তিযোদ্ধা এসেছিলেন। তাঁর আগমনেই তাৎক্ষণিকভাবে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। তিনিই সেমিনারের মূল বক্তা।

মা : তাই নাকি? কী কী বললেন তিনি?

ছেলে : তিনি বললেন, দেশ হলো মায়ের মতো, সন্তানেরা মাকে যেমন ভালোবাসে দেশকেও তেমনি ভালোবাসে।

মা : তিনি আর কী বললেন?

ছেলে : তিনি ভাষা-আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তরুণ ছাত্রসমাজের ভূমিকার কথা বললেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কিছু লোমহর্ষক ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন। আমাদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় অংশ নিলেন। নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন। অতঃপর আমরা তাঁর পরিচালনায় শপথ গ্রহণ করলাম।

মা : তাই নাকি? তা তোরা কী শপথ করলি?

ছেলে : শোনো, আমরা সমস্বরে বলেছি—পড়ালেখা করে মানুষ হবো, সুনাগরিক হবো, নিজেকে দেশের সম্পদে পরিণত করবো। আমরা দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবো, আমাদের পরিবার ও সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবো।

মা : বেশ তো!

ছেলে : প্রতিটি জাতীয় দিবসে যদি কলেজে এমন সেমিনারের আয়োজন করা হতো!

মা : বল তো কেন?

ছেলে : জানো মা, তাঁর সাথে পরিচিত হয়ে আনন্দ পেয়েছি; অন্তরে প্রেরণাও জেগেছে—ভালো মানুষ হওয়ার, ভালো কিছু করার।

মা : হ্যাঁ, ঠিকই বলছিস। গুণিজনদের সান্নিধ্য ছোটদের পথ দেখায়, চারপাশের জগৎ সম্পর্কে সচেতনতা ও সংবেদনশীলতা বাড়ায়। পড়ালেখায়ও আনন্দ আনে, উদ্দীপনা বাড়ায়। কল্পনা তথা সৃজনশক্তির বিকাশেও এর গুরুত্ব অনেক। তোর শিক্ষকদের বলিস। তাঁরা ঠিক বুঝতে পারবেন। খাবি এখন, হাত-মুখ ধুয়ে আয়।

ছেলে : ঠিক আছে মা, তুমি যাও, আমি আসছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তর....দ্রুত বাস্তবায়ন হোক।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তর....

বর্তমান সচিবালয়ের আয়তনঃ ঢাকার আবদুল গনি রোড- সেগুনবাগিচায় অবস্থিত বর্তমান বাংলাদেশ সচিবালয় প্রায় ৩২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও সেখানে মাত্র ১৭ লাখ বর্গফুট যায়গায় অপরিকল্পিত ভবন নির্মিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×