বিশ্ব জগতের মানুষ বলতে গেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দিজীবন যাপন করছে। এই করোনা নিয়ে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের ভাবনা শুরু হয়েছে। কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে। অনেকেই দুঃচিন্তার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছেন। এ করোনা ভাইরাস হতে বাঁচতে হলে কি করলে ক্ষতি ও কি করলে পরিত্রান পাব এই নিয়ে অনেকে ভাবছেন যেমন প্রবীণ ও কোমলমতি শিশুরা এই করোনা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে করোনা ভাইরাস, আর সে ঝুঁকি প্রবীণদের জন্য অনেক বেশি৷এ বিষয়ে আমরা কতটা সতর্ক অবলম্বন করছি। আমারদের চার পাশে বেশিরভাগ প্রবীণ, ওদের গল্পের আড্ডাখানার জন্য এখন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি হয়ে কী করছেন তাঁরা? কি ভাবছেন করোনা নিয়ে ? তাঁরা কি ভয় পাচ্ছেন? না, ভয়ের কিছু নেই, ভয় মানুষকে আরো বেশি অসুস্থ করে তোলে। ভয়ের বদলে মনের ভিতর সাহস যোগান দিতে হবে।
আমাদের করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সচেতন হই
১। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করতে হবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে টিস্যু ফেলতে হবে।
২। রান্নার পূর্বে ও খাওয়ার পূর্বে (আগে ও পরে) সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে।
৩। যে কোন কাজের পরে সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে।
লক্ষনঃ
১। সর্দি, কাশি, জ্বর, মাথাব্যাথা, গলা ব্যাথা ও শ্বাস কষ্ট।
২। মারাত্মক পর্যায়ে অজ্ঞান হওয়া।
৩। শিশু ও প্রবীণরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
৪। নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস হয়।
এ রোগ বৃদ্ধির কারণঃ
১। হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে।
২। অকারণে নাকে মুখে ও চোখে হাত দিলে।
আমাদের করণীয়ঃ
১। প্রয়োজনে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করুন।
২। গণপরিবহন এড়িয়ে চলুন।
৩। কমপক্ষে নিজের ব্যবহৃত জিনিস অপরকে না দেয়া।
৪। ময়লা কাপড় সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে নিন।
৫। নিজ বাড়ীসহ বাড়ীর চারদিক ব্লিচিং পাওডার দ্বারা ছিটান বা পানিতে মিশ্রিত করে পানি ছিটান।
এই মহামারি প্রায় প্রতিটি শতাব্দীতে দেখা দিয়েছে।(১৭২০, ১৮২০, ১৯২০, ২০২০) যদিও প্রতিটি মহামারির ধরন ও ক্ষয়ক্ষতিগুলো ভিন্ন ভিন্ন ছিল। সে সময় এসব দুর্যোগ পার করে মানুষ আবার নতুনভাবে জীবনযাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু একেক শতাব্দীতে এই মহামারি ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিয়ে গেছে।
তাই আমাদের এখন থেকে শতর্ক থাকতে হবে। ঘরের বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। অযথা ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। কেউ অন্য স্থান হতে বা বিদেশ/বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত হতে আসলে সাথে সাথে প্রশাসনিক মাধ্যমকে জানান। বাইরে থেকে এসে আপনি নিজে বিপদে পড়বেন না এবং আপনার পরিবার বা এলাকার লোকজনদের বিপদে ফেলবেন না। আপনি বাঁচলেন তো আপনার পরিবার বাঁচলো, আপনার পরিবার বাঁচলে আপনার এলাকা বাঁচলো আপনার এলাকা বাঁচলে আমাদের দেশ বাঁচলো, আমাদের দেশ বাঁচলে প্রায় ২০ কোটি মানুষ বাঁচবে।
মোঃ শহিদুল ইসলাম


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


