somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোঃ আব্দুল্লাহ আল-আমিন
ঢাকার এই ব্যাস্ত নগরীর আমি এক ক্ষুদ্র পথচারী , লিখা লিখি করার ভীষন ইচ্ছা । তাই নিজের কথা গুলো তুলে ধরতে্‌ আমি ব্লগে লিখা লিখি শুরু করলাম।আমি আল-আমিন । মধ্যবৃত্য পরিবারের আমি সন্তান। স্বপ্ন তো সবাই দেখতে পারে । তাই আমিও দেখছি।

আল্লাহ যুক্তি আর মানুষ

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুক্তি এমন জিনিষ যা মানুষ সর্বদা প্রয়োগের চেষ্টা করে। পৃথিবীর মাঝে হাজার হাজার যুক্তি তারা নিজেরাই সৃষ্টি করে, তারপর তা প্রমানের চেষ্টা করে। প্রমানও হয় কিছু। অগোচরে থাকে অনেক যুক্তি। মানুষ কে এই ভাবেই তৈরি করা হয়েছে।

আজ আমার লিখা যারা পড়ছেন, তাদেরকে বলবো- আমার লিখাটাকে একটু চিন্তা করবেন আজ।

আজ আমরা আধুনিক মানুষরা যুক্তি দিয়ে সব প্রমানের চেষ্টা করি। কিছু জিনিষ আছে যেখানে যুক্তি খাটে না। একটু চিন্তা করুন তো- আপনার কি কি ক্ষমতা আছে? আপনি হইত ভাবছেন, পৃথিবীতে আপনার অনেক ক্ষমতা আছে। আপনি অনেক টাকা আছে। আপনি উন্নত মস্তিস্কের অধিকারী। আপনি যা ইচ্ছা ভাবতে পারেন। যা ইচ্ছা খেতে পারেন। সবাই আপনাকে সম্মান করে।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠার পর আপনি খুব ভালো পুষ্টিকর খাবার খান। যাতে সারা দিনের চাহিদা আর শক্তির জোগান দিতে পারেন। আপনার যুক্তি, প্রাকৃতিক খাবার আপনাকে চলার শক্তি দিবে। আপনি শুধু খাবার কিনেন আর খান।
আপনার কাজ খাবার হাতে নিয়ে মুখে নেওয়া, খাবারের সাধ নেওয়া। এর বেশি আপনাকে কিছুই করতে হয় না। আপনার যুক্তি, পাকস্থলী আপনার খাবারকে হজম করে শরীরের সব স্থানে পাঠিয়ে দিবে।

হা হা হা, গভীর ভাবে চিন্তা করেন এইটা কি প্রাকৃতিক নিয়ম। আপনি মানুষ আপনার ক্ষমতাটা কতটুকু। আপনার কোন ক্ষমতাই নেই। আপনার নিজের শরীরই তো আপনার অধিকারে নেই। এইটাকে কেউ চলাচ্ছে।

আমি তুলনা করছি আপনার শরীরকে একটা রোবটের সাথে। মানুষ রোবটকে একটা রিমোটের মাধ্যমে চালনা করে। ঠিক মানুষের শরীরও একটা রোবট। যার পরিচালনা করছেন আপনি নিজেই।

সত্যি বলতে কি আপনার কোন শক্তি নেই, শুধু আছে আপনার আত্তা, আপনার মন।

বিষয়টা এমন যে আপনার সামনে একটা নির্দিষ্টও দুরুত্তের রাস্তা, আপনাকে শুধু একটা স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি রাস্তার ডান দিককে ভালো কাজ আর বাম দিককে খারাপ চিন্তা করেন।
তাহালে জীবন চলার পথে আপনি একবার ডানদিক দিয়ে আর একবার বামদিক দিয়ে চলবেন। এভাবে চলতে চলতে একসময় রাস্তা শেষ হবে। আপনার ভ্রমণও সমাপ্ত হবে। যেদিন আপনি রাস্তার শেষ প্রান্তে পৌঁছাবেন সেদিনই আপনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিবেন। অর্থাৎ আপনার মৃত্যু হবে।

আমি জানি, আপনাকেও মরতে হবে তা আপনি ভালো করেই জানেন।

আপনি কীসের যুক্তিতে আজ সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করবেন না। আমরা মানুষ যতই অহংকার করি না কেন? আমরা একটা মশার চাইতেও দুর্বল।

আজ আমি ঢাকার বেস্ত জীবনে যত মানুষকে দেখি আর শুধু অবাকি হই। তারা তাদের যুক্তি মানে। কিছু কিছু মানুষ বিশ্বাসই করে না সৃষ্টিকর্তাকে। তারা তাদের যুক্তিতে চলে। যদি কিছু বলা হয় তারা বলে, আমি আমার মতো, আমি যা বুঝি তাই ঠিক।

শুধু তারাই নয়, আমরাও যুক্তির পূজারি। পৃথিবীকে আল্লাহ এমন ভাবে বানিয়েছেন, সব আমাদের নাকের ডগায় আছে। কিন্তু আমরা তা দেখেও দেখবো না। যদি কেউ দেখাতে চায় তবে তারা সামনে নিয়ে আশে যুক্তি।

(পৃথিবী এক পরীক্ষা ক্ষেত্র। আমি নিজেও বড়ও পাপী। কিন্তু আমি যা ভাবী তাই লিখার চেষ্টা করি। আমি একটা বই লিখাতে শুরু করছি। বইয়ের নাম দিয়েছি......’’আমি কেন ধর্মে বিশ্বাসী’’ । সেখানে আমি প্রমান করার চেষ্টা করব আল্লাহ আর রাসুল সত্য। পৃথিবীর সব নাস্তিক যুক্তিবিদ্যার বিরুদ্ধে আমি স্রস্টার উপস্থিতই তুলে ধরবও।)
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০২
৬টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট : পর্ব- ১

ভুমিকা
১.১ গবেষণার পটভূমি
একবিংশ শতাব্দীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস নিয়ে গ্যাসলাইটিং: কোনটা আসল সংকট, কোনটা কৃত্রিম?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২১


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা কী, এই প্রশ্ন করলে সবাই একবাক্যে বলবেন গ্যাস সংকটের কথা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে, ফলে লোডশেডিং বেড়েছে বহুগুণ। কলকারখানা হোক বা বাসাবাড়ি, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×