
এটি কোনো বাস্তব পূর্বাভাস, জরিপ বা রাজনৈতিক অবস্থান নয়; বরং সময়, জনমানস ও
রাষ্ট্রের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে একটি আলঙ্কারিক ভাবনা।
সময়ের পাণ্ডুলিপিতে লেখা
১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন
সেদিন সূর্য উঠবে কুয়াশা ভেদ করে
আর জনতার চোখে থাকবে প্রশ্নের আগুন।
সে দিনে ব্যালট হবে শুধু কাগজ নয়
হবে দীর্ঘ অপেক্ষার সাক্ষ্য
নীরব ক্ষোভের হিসাব
আর আশার শেষ প্রদীপ।
দেখা যাবে
কিছু মুখ হাসবে আত্মবিশ্বাসে
কিছু কণ্ঠ কাঁপবে অনিশ্চয়তায়
আর সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে থাকবে
দুই ভয় আর এক স্বপ্নের মাঝখানে।
ভাগ্যলিপি বলে
এই নির্বাচন কোনো একক বিজয়ের গল্প হবে না
বরং হবে বার্তার নির্বাচন
জনতা জানিয়ে দেবে তারা কী চায় না
আর ইঙ্গিতে বলবে
তারা কী চায়, যদি কেউ শোনে।
রাষ্ট্রযন্ত্র কেঁপে উঠবে না হয়তো
কিন্তু চেতনার ভিতরে শুরু হবে
ধীর এক পুনর্গঠন।
পুরোনো ভাষণগুলো আর তত কাজ করবে না
নতুন প্রজন্ম চাইবে নতুন ব্যাকরণ।
ভবিষ্যৎবাণী আরও বলে
যদি সে দিন স্বচ্ছতা রক্ষা পায়
তবে পরাজয়ও হবে সম্মানজনক
আর জয়ও হবে দায়িত্বের ভারে নত।
কিন্তু যদি ছায়া নামে গণনার টেবিলে
তবে ১২ই ফেব্রুয়ারি শেষ হবে না সেদিন
তা টানবে দীর্ঘ প্রতিধ্বনি
পথে, চায়ের দোকানে,কিংবা রাজপথে।
সবশেষে লেখা আছে
বাংলাদেশের ভাগ্য বদলাবে না
শুধু এই একটি তারিখে
কিন্তু ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হতে পারে সেই আয়না
যেখানে জাতি নিজের মুখ
স্পষ্ট বা বিকৃত
যেভাবেই হোক দেখবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



