
মিয়ানমারে যে এখন একটি রক্ত পিশাচের শাসন চলছে সে কথা বলতে কোন দ্বিধা নেই।অং সান সু চি যে একজন রক্তপিপাসু নারী তার প্রমান রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনা বাহিনীর নির্যাতন আর সুচির নিরব ভূমিকায় প্রমাণ করে।

মানবাধিকার সংগঠন এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছেন, মিয়ানমারে সেনা বাহিনী বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর নিষিদ্ধ এ্যান্টি পার্সোনেল মাইন পেতে রেখেছেন বলে তারা নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছেন। আর সেগুলো এমন মাইন যা শুধু মাত্র যুদ্ধক্ষেত্রেই মানুষকে চিরতরে ধংস করার জন্যই ব্যবহৃত হয়,আর সে মাইনই বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সিমান্তে পেতে রাখা হয়েছে । এই মাইনগুলো ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন থেকে একেবারে আলাদা। যা মানুষের পায়ের চাপ পড়লেই বিস্ফোরিত হয়। বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে এখন প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে,তা জানা সত্বেও সুচি কি করে সিমান্ত এলাকায় এমন মাইন পেতে রাখার অনুমতি দেন,এতেই স্পষ্ট বোঝা যায় সুচি শান্তি নয় বরং রক্তাত্ব রনাঙ্গণ চান ।

সীমান্তসংলগ্ন রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদেরে বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান এবং সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার লোক বাংলাদেশে অনু প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের সংস্থাগুলো । এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছেন মিয়ানমার সীমান্তে পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরিত হয়ে গত সপ্তাহে তিন জন বেসামরিক লোক আহত হয়েছে এবং একজন লোক নিহত হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা এই মানবাধিকার সংস্থাটিকে বলেছেন মিয়ানমারের সৈন্যরা যে মাইন পাতছে সে দৃশ্যও তারা দেখেছে। অটোয়া চুক্তি নামে ১৯৯৭ সালে গৃহীত এক আন্তর্জাতিক চুক্তিতে এই এ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত এবং পাকিস্তান সহ বেশ কিছু দেশ এতে স্বাক্ষর দেননি।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



