
নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা করার আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে একটি সহায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।তার সঙ্গে নির্বাচনের সময়ে ম্যাজিস্ট্রি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন ও ২০০৮ সালের পূর্বের নির্বাচনী আসনের সীমানা পূর্নবহাল এবং ইভিএম-ডিভিএম পদ্ধতি চালু না করা । ১/১১ থেকে শুরু করে বর্তমান সরকার কর্তৃক দলের চেয়ারপার্সনসহ বিরোধী জোটের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যত মামলা আছে তা সব প্রত্যাহার করতে হবে। ২০ দফা সুপারিশ করেছে দলটি।অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ,অংশগ্রহনমূলক এবং গ্রহনযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করার আদর্শে বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান অকার্য্কর এবং অপরিপক্ক সংসদ ভেঙে দিতে হবে। এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। সকল রাজণৈতিক দলকে সমান সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং সভা সমিতি করার জন্য সুযোগ সুবিধা প্রধান করিতে হবে।
বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন বিএনপি বিশ্বাস করতে চায় নির্বাচন কমিশনের এই সংলাপ বা রোডম্যাপ বা পথ নকশা নিছক কালক্ষেপন বা লোকদেখানো কার্য্ক্রমে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে না। এই সংলাপ যেন প্রহসনে পরিনত না হয় তা কমিশনকেই নিশ্চিত করতে হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহনযোগ্য, নিরপেক্ষ এবং সকল দলের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতা, দক্ষতা এবং নির্ভিক পদক্ষেপ সমগ্র জাতি প্রত্যাশা করে। জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং গ্রহনযোগ্য করার জন্যে বিএনপি ইসিকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে চায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


