
প্রতিদিন পার হচ্ছে আর তার সাথে সাথে ভয়ংকর হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও
পিছিয়ে নেই।ইতিমধ্যে আমাদের দেশেও শুরু করে দিছে প্রাণঘাটি করোনা তার ভয়াল থাবা বসানো। প্রতিদিন শেষে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যের সংখ্যা।গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৬ জন। আর এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো প্রায় ২১৪৪ জন। এছাড়া বাংলাদেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাস প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ৯ জনের। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ জন। জানিনা হয়ত এই পোস্ট লিখতে লিখতে আর প্রকাশ করতে করতে আরো কত জনের মৃত্যু হয়েছে কি না। তাই বলছিলাম সরকারের যদি
একটু ভালোভাবে করা হুশিয়ারি করে দেশের সকল স্তরের বাড়িওআলাদের ভাড়াটিয়াদের কাছে থেকে ভাড়া নেয়া নিষিদ্ধ,বিদুৎ বিল,ওয়াসা বিল,গ্যাস বিল নিষিদ্ধ করেন এবং যে সকল সাধারন মানুষ ভিবিন্ন অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবি আছে,সেই সকল প্রতিষ্ঠান গুলো যেন তাদের সাধারন শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক বেতন দিয়ে দেয়। আর সব শেষে সন্ধা ৬টা সব বন্ধ বা সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পযন্ত
খোলা,এসব সিষ্টেম বাদ দিয়ে এখনো সময় আছে দেশে কারফিউ জারি করুন। তাতে দেশে করোনার ঝুকি অনেক হারে কম্বে,না হলে
কি যে হবে বা ঝুকি এড়ানো অসম্ভব হয়ে পরবে । বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে এক-দেড় মাস সময় লাগে। কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে বাংলাদেশে ভাইরাসটির সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি মে মাসের মাঝামাঝি নাগাদ অব্যাহত থাকতে পারে । আইইডিসিআরের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা গনমাধ্যমকে জানান,যে সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে কবে পৌঁছবে তা নির্ভর করবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ঘরে অবস্থান করার যে কর্মসূচি রয়েছে সেটার ওপর। আমরা যদি এটি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে পারি, তাহলে কমিউনিটিতে সীমিত সংক্রমণ থাকবে এবং এপ্রিলের শেষ নাগাদ আমরা কম ইনফেকশন পাব। কিন্তু আমরা যদি অনুসরণ করতে না পারি, তাহলে ভারতের মতো মে মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে আমাদেরও হয়তো একটা পিক হয়ে যাবে। এখন দৈনিক ৩০০ নিশ্চিত কেস পাওয়া যাচ্ছে, তখন হয়তো তিন হাজার কেস পাওয়া যাবে। এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে ঘরে থাকা কর্মসূচি কতটা সফলভাবে কার্যকর করা যাবে তার ওপর। ইনকিউবেশন পিরিয়ড তো ২ থেকে ১৪ দিন, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গড়ে সাতদিনের মতো।তাই আমাদের এখনো সময় আছে যদি আমরা সবাই মিলে সচেতন থাকি বা হই। এখন আমরা ঘর থেকে যত কম বের হব বিষয়টা ততই আমাদের সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




