জাতিসংঘ শিশুপার্কে ঈদের দিন বিকেল থেকে ঘটা করে শুরু হয় এ মেলা। এ জায়গা আগে ছিল পুকুর। তারকাঁটা ঘেরা জলাশয়টির নাম ছিল 'তারের পুকুর'। সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পুকুরটি ভরাট করে তৈরি করা হয় বাজার। কিন্তু তা জমেনি। পরে জাতিসংঘের ৫০ বছর পূর্তিতে এটাকে পার্কে রূপান্তরিত করে নতুন নাম করা হয় জাতিসংঘ শিশুপার্ক। পার্কটি শিশুদের জন্য মোটেই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেনি। তাই এখানে বছরজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর একটি এ ঈদমেলা। আধুনিক নগরজীবনের চাপে হারিয়ে যেতে বসা মাটি ও কাঠের তৈরি দেশি পণ্যসামগ্রী বেশ চোখে পড়ে এ মেলায়। তবে মাটির তৈরি পণ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে ঘর সাজিয়ে রাখার নানা সামগ্রী_ফুলদানি, টব, মনীষীদের মুখসহ কত কিছু। এগুলোয় থাকে রঙের অপূর্ব কারুকাজ। এ মেলায় পাওয়া যায় নানা ধরনের বাঁশি, হরেক রঙের ছোট-বড় বেলুন। শিশু-কিশোরদের আনন্দের জন্য আসে নাগরদোলা। হয় বানর নাচ ও ষাঁড়ের লড়াই। এ মেলায় নানা ধরনের খাবারের সঙ্গে মৌসুমি ফলেরও সমাবেশ ঘটে। মেলা উপলক্ষে কখনো কখনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।
খুলনা মহানগরীর রূপসা ব্রিজের পশ্চিম পাড়, শিববাড়ি মোড়, রায়ের মহল, আড়ংঘাটা ও তেলিগাতিতে ঈদমেলা বসে। এসব মেলা চলে দুই থেকে চার দিন পর্যন্ত। ঈদের ছুটি দীর্ঘ হলে মেলার আয়ুও বাড়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


