হঠাৎ করেই পাশে রাখা মোবাইল ফোনটা বেজে উঠল, হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো খুব পরিচিত কন্ঠস্বর। সে আর কেউ নয় আমার খুব কাছের পুরানো বন্ধু মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। উঠবেই বা না কেন, অনেক দিন পর যে কথা হলো । আমার এই বন্ধুটি সকাল বেলায় ফোন করে আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিত, প্রতিটি পরীক্ষা শুরুর দুই মিনিট আগে এসএমএস করতো লিখতো "ভালো করে পরীক্ষা দিয়ো"। সে আমার অনেক ভলো বন্ধু আমি ওকে বাবা হাতী বলে ডাকতাম। আমার ভাইয়ারা, আপুরাও জানে আমি ওকে এই নামে ডাকি । আর বাবা হাতী আমাকে বাচ্চা হাতী বলে ডাকে কারণ আমি ওর তিন কি চার বছরের ছোট । আমাদের এই নাম শুনে আমার আপুরা, ভাইয়ারা খুব মজা পেত । যাইহোক আজ অনেক দিন পর হাতীর সাথে কথা বলে ভীষণ ভালো লাগছে । কথা বলার একপর্যায়ে বাসার সবার কথা জিজ্ঞেস করলো আমিও একে একে সবার কথা বলছি, মার কথা বলতেই আমার গলাটা ধরে আসলো, অপ্রিয় সত্য কথাটি বললাম । বুঝলাম হাতীও স্তব্ধ হয়ে গেছে, সবার মত হাতীও আমাকে স্বান্তনা দিলো । পড়ালেখার কথা জিজ্ঞেস করলে বললাম আমার অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে, শুনে বলল "বাপরে এতটুকুন পিচ্চি মেয়ে আবার অনার্সও শেষ করলো.." হাতীর এই কথাটি আবার মার কথা মনে করিয়ে দিলো...মা কয়মাস আগেও আমাকে বলেছে ..." এটাতো আমার কোলের মেয়ে.." । এরপর আর কথা বলতে পারিনি কিভাবে বলবো, ততক্ষণে আমারতো চোখ ভিজে উঠেছে স্বাভাবিকভাবেই ফোনটা রেখে দিলাম । আর শুরু হলো আমার কান্না, কিছুতেই কান্না ধরে রাখতে পারছিনা । যতটা খুশি হয়েছিলাম, কষ্ট পেলাম তার চেয়েও বেশী । মাকে মনে পড়লেই সব খুশি বিষাদে পরিণত হয় । মাকে খুব মনে পড়ছে এই মুহূর্তে মার সাথে কথা বলতেও ইচ্ছে করছে..! কিন্তু কোথায় পাবো মাকে ? হয়তো মা ও আমাকে মনে করছে সে কি তার কোলের ছোট্ট মেয়েকে ভুলে যেতে পারে ? পারে না... আমিও তো পারিনি উঠতে, বসতে, চলতে, ফিরতে সব-সময় মাকে অনুভব করি সেকেন্ডের জন্যও মাকে ভুলতে পারিনা আর ভুলতে চাইও না..... তারপরেও সবকিছু মনের মধ্যে চেপে রেখে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলছি । বিশেষ করে আমার ভাই, বোন, আব্বুর জন্য চুপ করে থাকতে পারিনা কারণ আমি সবার ছোট বলে আমিই পরিবারের মধ্যমণি । আর আমিতো খুব দুষ্টু একটা মেয়ে আমি আমার আব্বু ,ভাই, বোন, বন্ধু-বান্ধব সবাইকে জ্বালাই আর একারণেই আমি নিশ্চুপ থাকলে বাসার সবাই মন খারাপ করে আর আমাকে বলে আমি যেন কখনো চুপচাপ না থাকি । আমি চুপ থাকলে নাকি পুরো বাড়িটাই নিরব হয়ে যায় । আমি হাসলে এরা সবাই হাসে, আর আমি কাঁদলে এরাও কাঁদে । আমি যে তাদের কাছে নীল আকাশে জ্বলে উঠা একটুকরো চাঁদ, ঠিক তেমনি প্রখর রোদে নামা একপশলা বৃষ্টি ।
খুশির সাথে কষ্টের বসবাস.............
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।