![]()
চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকেই শুরু হয় জয়ন্তর ড্রোন তৈরির স্বপ্ন। শুরুতে শুধু ফান করার জন্যে তৈরিতে নামেন জয়ন্ত দা, কিন্তু একটা সময় এটা নিতান্তই ফান থেকে পরিনত হয়, মানবতার সেবামুলক চিন্তা-ভাবনার দিকে। ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের কম্পিউটার বিভাগের শিক্ষার্থী জয়ন্ত দা। এত বড় স্বপ্ন তো একা সফল করা সম্ভব নয়। তাকে উৎসাহ দিয়ে পাশে দাঁড়ান গণিত বিভাগের শিক্ষক আরিফুল কবির। দিনরাত শুধু নিজের সৃষ্টিকে আকাশে উড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্নে বিভোর জয়ন্ত। এজন্য পড়াশোনা শুরু করেন ড্রোনের গাণিতিক সব তত্ত্ব নিয়ে। জয়ন্তের ভাষায়, অনলাইনে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ সাইটগুলো পড়েছি র্দীঘ সময় নিয়ে। বোঝার চেষ্টা করেছি ওড়ার তত্ত্ব। অবশেষে উড়ল তার ড্রোন। দীর্ঘ ৭ মিনিট আকাশে উড়েছে এবং নিরাপদভাবেই নেমে এসেছে মাটিতে।
মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি আয়োজিত প্রথম জাতীয় অ্যারো-ডিজাইন প্রতিযোগিতায় জয়ন্ত দার ড্রোন তৃতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে। আর এ সুবাদে তাদের উৎসাহিত করতে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।
জয়ন্ত দার ড্রোনের সাথে পাল্লা দিতে তার বিপরীতে কিছু মানুষ উঠে পড়ে লেগেছে এবং নানা রকম গুজব ছড়িয়েছে যে তার বানানো ড্রোন সফল ভাবে উড়তে সক্ষম নয়, তাই সকলের ভুল ভাঙ্গাতে গত 25 নভেম্বর আমি এবং জয়ন্ত দা মিলে একটি 2.30 সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ দ্বারন করি.
ড্রোন নিয়ে এখন নিয়মিত রিসার্চ চলছে, কি ভাবে এই ড্রোনকে মানবতার সেবায় ব্যাবহার করা যায়.
যেহেতু শুরুতে বিষয়টা নিতান্তই মজা থেকে শুরু করেছি আমরা, তাই আমরা আরো একটা পরিকল্পনা করেছি - আর এটা হচ্ছে, গোস্ট ড্রোন. আশা করি সব কাজ শেষ হয়ে গেলে আগামী কিছু দিনের ভেতর এটা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারব. আপনি চাইলে নিচের লিংকে গিয়ে আমাদের দ্বারন করা ভিডিওটি ইউ টিউব থেকে দেখে নিতে পারেন। আশা করি সকলের ভালো লাগবে। আর হ্যা, প্রফেশনাল ভিড়িও বা ফোটোগ্রাফার নই আমি, তাই ভিডিওটি একটু কোয়ালিটি সম্পন্ন হয় নি।
Video Link - http://www.youtube.com/watch?v=vQUTNWTm1cE

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



