somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আনন্দবাজার সম্পাদক দাদা, নিজেদের বড়ত্ব দেখাইতে গিয়া তো ধুতি আলগা কইরা ফালাইলেন। এখন তো ছোট দ্যাখতাছি !!!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আনন্দবাজার সম্পাদকীয় বলেছে

নয়াদিল্লি হয়তো চুক্তি করিতে গিয়া প্রতিবেশীর প্রতি একটু বেশি উদার হইয়াছে। বাংলাদেশকে একটু বেশি ছাড় দেওয়া হইতেছে, এমন অভিযোগ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যেও উঠিয়াছে। কোনও-কোনও রাজ্যে চুক্তির প্রতিবাদে এমনকী বন্ধ পর্যন্ত পালিত হইয়াছে। কিন্তু যে বড়, তাহাকে সর্বদাই ‘ছোটর দাবি’ হাসিমুখে শিরোধার্য করিতে হয়, কেননা ইহাতেই তাহার বড়ত্ব প্রতিপন্ন করার অবকাশ থাকে

দাদারা তো দাদা গিরিই করতাছে দেখি।
এ পর্যন্ত তাদের হিসেবে যেসব চুক্তি হইয়াছে তাতে দেখা যায়:
১। সেভেন সিস্টার্সের করিডোর প্রদানে ঢাকার সম্মতি ও নেপাল-ভুটানে বাংলাদেশের ট্রানজিট
(বাংলাদেশ একক ভাবে লাভবান হয়নাই)
২। বস্ত্রশিল্পের জন্য খ্যাত বাংলাদেশের ৪৬ রকম বস্ত্র ভারতে বিক্রয় করিতে অতঃপর আর কোনও আমদানি শুল্ক দাবি করা হইবে না। ঢাকা এই মর্মে যে অনুরোধ করিয়াছিল, নয়াদিল্লি তাহা রক্ষা করিয়াছে।
(শুল্ক দাবি করবেনা সত্য তবে যেসব নন ট্যারিফ ব্যারিয়ার আছে সে ব্যাপারে কিন্তু দাদার কিছু কইতাছেন না)
৩। বিদ্যুৎ সঙ্কটে দীর্ণ বাংলাদেশকে সহায়তা করিতে সে দেশের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডকে ভারতীয় গ্রিডের সহিত জুড়িয়া লওয়ার পাশাপাশি খুলনায় ১৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রও ভারতের সহিত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হইতে চলিয়াছে।
(ভারতীয় গ্রীডে জুড়বো তয় ভারতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন বাংলাদেশীদের করন লাগবো, বিদ্যুৎ বেইচা কিন্তু ভারত লাভ করবো। খুলনায় কিন্তু ভারত দয়া দেখাইয়া যৌথ বিনিয়োগ করে নাই)
৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহিত জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, দূরদর্শনের সহিত বাংলাদেশ টেলিভিশনের, দুই দেশের মৎস্য উৎপাদন, অরণ্য সংরক্ষণ ও ব্যাঘ্র সংরক্ষণ এবং জাতীয় ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলির মধ্যে সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হইয়াছে।
(এসব বাল-ছাল চুক্তিতে বাংলাদেশ কত লাভবান হবে তা বলে বোঝানোর দরকার নেই)
ভারতীয় স্বাধীনতাকামীদের ভারতীয় হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশ বরং অনেক বড় বন্ধুত্ব বা দাদাগিরি দেখাইছে। কোনভাবেই যে এ দফায় ভারতের বড়ত্ব প্রমানিত হয়নি তা ইন্ডিয়ার হরিদাশ পালেরা না বুঝলেও আমরা বাংলাদেশীরা ঠিকই বুঝবার পারছি।

লিংক: http://www.anandabazar.in/9edit1.html
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৫
৯টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×