আজ বিশ্ব এজতেমার আখেরি মোনাজাত
সকাল থেকেই বেড়ে চলেছে ভীড়
সাদা পাঞ্জাবী-টুপি মাথায়
জটলাগুলো ধীরে ধীরে ভরাট করে ফেলছে
কালো পীচ ঢালা পথ।
এরি মাঝে মাইকে ভেসে আসে –
মোনাজাত শুরু হচ্ছে।
কিছুটা দূরেই একটা দালানের ছাদে
পত পত উড়ে চলেছে লাল-সবুজ পতাকা।
মোনাজাত শুরু হয়-
ইয়া রাহ্মান, ইয়া রাহীম...
চারিদিকে রব ওঠে
আমিন আমিন।
লাল-সবুজ পতাকাটা উড়ে চলে পত পত একাকী;
মাইকে ভেসে আসে-
ইয়া আরহামার রাহীমীন...
মুসুল্লিরা দু’হাত তুলে বলে
আমিন আমিন।
আমি,
আমার লাল-সবুজ পতাকাটাকে নিয়ে এসে
বেধে দেই বারান্দার রেলিং-এর সাথে;
বাতাসের ছোয়া পেতেই
গালে আলতো ছুঁয়ে
নিজেকে ছড়িয়ে দেয়
গর্বিত স্বাধীনতা
শীতের কোমল দুপুরে।
মাইকে ভেসে আসে
ইয়া রাব্বুল আলামিন...
লাল-সবুজ পতাকাদুটো
উড়ে চলে পত পত,
গর্বিত স্বাধীন;
হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে
আমিন আমিন,
সমবেত মুসুল্লিরা বলে
আমিন আমিন।
‘আজ আমি পতাকা উড়াব’
দুপুর; ফেব্রুয়ারী ০৬, ২০০৯
উত্তরা, ঢাকা
পটভূমিঃ সম্ভবত সেদিন এজতেমার আখেরি মোনাজাত ছিল। উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে একেবারে বাধের কাছে থাকতাম বিধায়, মোনাজাতের দিনের উপচে পড়া ভিড় বাসার চতুর্দিকে। দুই তিনটা দালানের পড়েই একটা দালানের উপর পতাকা উড়ছিল। কি মনে হল, আমি আমার মেয়েকে নিয়ে আমাদের বারান্দায়ও একটা পতাকা লাগিয়ে দিলাম। পতাকা পতপত করে উড়ছিল। তখন কবিতাটা মাথায় আসল। যখন কবিতাটা লিখছি, তখন মোনাজাত চলছিল। আল্লাহ আমাদের দেশটাকে কবুল করুন।
প্রতিদিন একটি কবিতা ১: ‘পরবাসে বিষণ্ন কিশোরীর স্মৃতি’ – ১: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


