somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মরে গিয়েও ওই নারীর মুখটি ভীষণ গোলাপীই ছিল

৩১ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জুন ১৯৯৪,
মাতুয়াইল (মৃধাবাড়ি সংলগ্ন) শামসুদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি
(শাহানা-শিরিনদের বাসা),
ডেমরা, ঢাকা।

সংশোধিত:
একজন অজ্ঞাত নারীর লাশ পাওয়া গেছে। ময়নামতি গ্রামের রত্নাবতী দিঘী থেকে এই অজ্ঞাত নারীর লাশ পাওয়া যায়।
সবাই বলছে, এখনই পুলিশ আসবে থানা থেকে। কেউ বলছে, এ নারীর বয়স প্রায় ২৫ হবে।
হায়! গলায় তার গোলাপী এক ওড়না পেঁচানো ছিল। পুলিশ নাকি এ লাশের ময়নাতদন্তও করাবে। মানে কাটবে-ছিঁড়বে...ইত্যাদি। সেটা হবে হাসপাতালে...লাশ কাটা ঘরে। এমন লাশের রিপোর্ট করা নাকি খুবই জরুরী।
আহা গো ওই নারীর নাকে ও মুখে কী ভীষণ গোলাপী রক্ত! পরনে গোলাপী শাড়ি, গোলাপী ব্লাউজ এবং গোলাপী পেটিকোটও ছিল।

আরও মর্মান্তিক বিষয় হলো, মরে গিয়েও ওই নারীর মুখটি ভীষণ গোলাপীই ছিল।

কোনো সহিংস মানুষও এমন সুন্দর একজন নারীকে, যুবতীকে, মানুষকে খুন করতে পারে, সেটা কল্পনাও করা যায় না। হয়তো সত্যি সত্যিই এ হত্যা রহস্য উদঘাটন করতে সচেষ্ট হবে পুলিশ কিংবা নানা অজুহাতে তদন্ত যাবে থেমে অথবা এরই মধ্যে পাওয়া যাবে আরও অনেক অজ্ঞাত কতো লাশ এবং পুলিশ অনেকটা বাধ্য হয়েই নতুন ঘটনার দিকে বেশি নজর দিতে থাকবে। হয়তো বা তদন্ত কর্মকর্তা বদলিও হতে পারেন। অথবা খুনিরা ধরা পড়তেও পারে।
কিন্তু...
এই নারীর এমনই বদনসিব যে, সে আর এই গোলাপী শরীরে প্রাণ ফিরে পাবে না কোনোদিনও। এ কেমন এবং কোন গ্রহে আমাদের বসবাস! এ কি গ্রহ? নাকি কোনো মৃত্যুপুরী! মানুষ কিভাবে এমন যমদূত হয়ে যায়!
হে পুষ্পিতা নারী, এ সমাজ তোমাকে আরও কেটেছিঁড়ে রক্তাক্ত করবে জানি। হয়তো প্রয়োজনেই। কিন্তু আমার পক্ষ থেকে তুমি নাও আমার হৃদয় নিঃসৃত শত পুষ্পাঞ্জলি। বড় অসহায় এক লেখক আমি। এ ছাড়া আর তোমার জন্য কী ই বা করতে পারি! আমাকে তাই ক্ষমা করো বিশ্বপ্রশান্ত শাশ্বত হে বাংলার গোলাপী নারী।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা অপরাধ দশটা অপরাধের সুযোগ করে দিতে পারে ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


রাড্ডা হাসপাতালে লুটপাট
ঢাকার মিরপুর এক নম্বরে রাড্ডা ক্লিনিকের ওপর দিয়ে যেন টর্নেডো বয়ে গেছে! গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের অন্ধকারে ১৫০-২০০ জন দুর্বৃত্ত রাড্ডা ক্লিনিকের ভেতরে প্রবেশ করে রীতিমতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×