somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গুরুদুয়ারা নানকশাহী...

০৯ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





Gurdwara Nanak Shahi (Bengali: গুরুদুয়ারা নানকশাহী) is a Sikh Gurdwara at Dhaka, Bangladesh. It is located at the campus of the University of Dhaka and considered to be the biggest of 9 to 10 Gurdwaras in the country.[1] According to the commemorating the visit of Guru Nanak (1506-1507), it is the most important historic place.[citation needed] It is said to have been built in 1830. The present building of the Gurdwara was renovated in 1988-1989. The parkarma verandah had been constructed on all four sides of the original building to provide protection.






ঢাকার গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি শিখ ধর্মের উপাসনালয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্যাম্পাসের কলাভবনের পাশে অবস্থিত। এই গুরুদুয়ারাটি বাংলাদেশে অবস্থিত ৯ থেকে ১০টি গুরুদুয়ারার মধ্যে বৃহত্তম। একেশ্বরবাদ ও স্রষ্টার সার্বভৌমত্বের বাণী প্রচারেই জীবন কাটিয়ে দিয়েছিলেন শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক দেব। সাম্য ও সৌম্যের বাণী প্রচার করতে এসেছিলেন বাংলাদেশে। ১৬ শতকের শুরুর দিকে ঢাকার বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এসে অবস্থান করেছিলেন এ মহামানব। এর প্রায় এক শতক পর যেখানে তিনি অবস্থান করেছিলেন সেখানে গড়ে উঠে শিখদের পবিত্র উপসনালয় গুরুদুয়ারা নানকশাহী। ১৭ শতকের প্রারম্ভে শিখদের ষষ্ঠ গুরু হর গোবিন্দের ধর্ম প্রচারের উদ্যোগের অংশ হিসাবে বর্তমান গুরুদুয়ারা নানকশাহী প্রতিষ্ঠিত হয়। চার শতকেরও বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌম্যের বার্তা বহন করছে এ স্থাপনা। দাঁড়িয়ে আছে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসাবে। শুধু ধর্মীয় বিবেচনায় নয়, ঐতিহাসিকভাবেও গুরুদুয়ারা নানকশাহীর গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশে বিদ্যমান সাতটি গুরুদুয়ারার মধ্যে এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। মুক্তিযুদ্ধসহ এ অঞ্চলের অনেক ঐতিহাসিক ঘটনারও সাক্ষী এ ভবন।





রতি সপ্তাহেই ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে শিখ ধর্মের অনুসারীরা এখানে জমায়েত হয় এবং প্রার্থনা করে। দেশে শিখদের সবচেয়ে বড় জমায়েত হয় এখানেই। শিখ রিসার্চ সেন্টার এবং গুরুদুয়ারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির দেয়া তথ্যমতে, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৬ থেকে ১৬২৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে গুরুদুয়ারা নানকশাহী নির্মাণ করা হয়। ষষ্ঠ শিখ গুরু হর গোবিন্দ ১৭ শতকের প্রারম্ভে আলমাসত নামে এক ধর্মপ্রচারককে ঢাকায় (তখন জাহাঙ্গীরনগর) পাঠান। তিনিই তখনকার সুজাতপুর এলাকায় (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকা) এটি নির্মাণ শুরু করেন। আলমাসতের তৃতীয় অধস্তন পুরুষ নাথি সাহেবের নামানুসারে শিখ ধর্মানুসারীদের কাছে এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান 'সংগত' বলে অভিহিত হয়। বাংলাদেশে এ ভবনটিই একমাত্র 'শিখ সংগত' যেটি তার আদি অবস্থানে এখনও বিদ্যমান। তবে এর এলাকা সংকুচিত হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর ১৮৩৩ সালের দিকে গুরুদুয়ারা নানকশাহীকে আবার সংস্কার করা হয়। ১৮৪৭ সালের পর হতে ষাট দশক পর্যন্ত এটি প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। স্বাধীনতার পর উপসনালয় কেন্দ্রটিকে পুনরায় সংস্কার করা হয়। গুরুদুয়ারার বর্তমান ভবনটি ১৯৮৮-৮৯ সালে সর্বশেষ সংস্কার করা হয়। সরেজমিন ঘুরে ও সংশ্লিষ্ট নথি থেকে জানা যায়, এক সময় গুরুদুয়ারা নানকশাহীর বিপুল ভূসম্পত্তি ছিল। এর উত্তর দিকে ছিল একটি প্রবেশদ্বার। দক্ষিণদিকে ছিল কূপ ও সমাধিস্থল এবং পশ্চিমে ছিল একটি শান বাঁধানো পুকুর। মূল উপাসনালয় ছাড়াও ভক্তদের থাকার জন্য ছিল কয়েকটি কক্ষ। তবে সেসবের এখন আর অবশিষ্ট নেই। বিভিন্ন সময় সংস্কারের ফলে বর্তমান রূপ গ্রহণ করেছে এটি। এতে মোট নয়টি কক্ষ আছে। দক্ষিণে তিনটি, উত্তরে একটি, পূর্বে একটি ও পশ্চিমে একটি মোট ছয়টি প্রবেশপথ রয়েছে। উঁচু প্রাচীরবেষ্টিত গুরুদুয়ারা নানকশাহীর বর্তমান প্রবেশপথটি রয়েছে দক্ষিণদিকে।





ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির অদূরে রোকেয়া হলের বিপরীতে অবস্থিত উপাসনালয়টির সামনে রয়েছে সবুজ লন। ভবনের উপরে খাঁজকাটা নকশার গম্বুজের নিচের অংশে চারপাশে নীল রঙ দিয়ে শিখ ধর্মের চিহ্ন 'খাণ্ডা' আঁকা। গম্বুজের শীর্ষে শিখদের উপসনালয়ের চিহ্ন 'ছাত্রার' রয়েছে। বাইরে উড়ছে শিখ ধর্মের পতাকা। পতাকা ওড়ানোর বাঁশটিও হলুদ কাপড়ে মোড়ানো। তার মাথায় আছে ধাতব ফলকের মতো একটি অংশ। মূল ভবনের পাশে ডানদিকে রয়েছে দোতলা দরবার হল। ইতিহাস কথিত আছে যে, ঢাকার এই গুরুদুয়ারাটি যেখানে অবস্থিত, সেই স্থানে ষোড়শ শতকে শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক অল্প সময়ের জন্য অবস্থান করেছিলেন। এই স্থানে থাকা কালে তিনি শিখ ধর্মের একেশ্বরবাদ এবং ভ্রাতৃত্ববোধের কথা প্রচার করেন, এবং ধর্মের আচার অনুষ্ঠান পালনের শিক্ষা প্রদান করেন। শিখ ধর্মের ৬ষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ সিং এর সময়কালে (১৫৯৫-১৬৪৪ খ্রিঃ) ভাইনাথ (মতান্তরে আলমাস্ত) নামের জনৈক শিখ ধর্ম প্রচারক এই স্থানে আগমন করে গুরুদুয়ারাটি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কারো কারো মতে, গুরুদুয়ারাটি নির্মাণের কাজ শুরু হয় ৯ম শিখ গুরু তেগ বাহাদুর সিং এর সময়কালে (১৬২১-১৬৭৫ খ্রিঃ)। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণকার্য সমাপ্ত হয়। পরবর্তীতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি ভগ্নদশা প্রাপ্ত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে গুরুদুয়ারাটির ভবনের কিছু সংস্কার করা হয়। ১৯৮৮-৮৯ সালে এটির ব্যাপক সংস্কার সাধন করা হয়, এবং বাইরের বারান্দা ও সংলগ্ন স্থাপনা যোগ করা হয়। সংস্কার কার্যের অর্থায়ন করা হয় বাংলাদেশে ও বিদেশে অবস্থানরত শিখ ধর্মাবলম্বীদের দানের মাধ্যমে। ঢাকার আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার তদানিন্তন প্রধান সর্দার হরবংশ সিং এর নির্মাণকার্য তদারক করেন। স্থাপনা একসময় গুরুদুয়ারা নানকশাহীর বিপুল পরিমাণ ভূসম্পত্তি ছিল। আজকের মতো বিরাট ও জমকালো উপাসনালয় না থাকলেও তখন গুরুদুয়ারা নানকশাহীর আয়তন ছিল বিপুল। এর উত্তর দিকে ছিল একটি প্রবেশদ্বার। দক্ষিণদিকে ছিল কূপ ও সমাধিস্থল এবং পশ্চিমে ছিল একটি শান বাঁধানো পুকুর। মূল উপাসনালয় ছাড়াও ভক্তদের থাকার জন্য ছিল কয়েকটি কক্ষ। তবে সেসবের এখন আর অবশিষ্ট নেই।





বর্তমান উপাসনালয়টি সীমিত জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে এবং বারবার সংস্কারের ফলে বর্তমান রূপ পরিগ্রহ করেছে। উঁচু প্রাচীরবেষ্টিত গুরুদুয়ারা নানকশাহীর বর্তমান প্রবেশপথটি রয়েছে দক্ষিণদিকে। উপাসনালয়টির সামনে রয়েছে চমৎকার সবুজ লন। এর বাম দিকে আছে শিখ রিসার্চ সেন্টার, ডানদিকে দোতলা দরবার হল। সামনে পতাকা টাঙানোর স্ট্যান্ড, বৈশিষ্ট্যময় এই উপাসনালয়টি শিখদের নিজস্ব স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। উপাসনালয়টির ওপর পৃথিবী আকৃতির একটি কাঠামো নির্মিত। তার চারদিকে শিখ ধর্মীয় চিহ্ন খাণ্ডা শোভিত। উপাসনালয়ের শীর্ষে রয়েছে ছাত্রার। এটি শিখদের উপাসনালয়ের চিহ্ন। গুরুদুয়ারা নানকশাহীর ঠিক মাঝখানে রয়েছে একটি বড় কক্ষ। এই কক্ষের চারদিকে চারটি দরজা আছে। মাঝখানে কাঠের তৈরি বেদির ওপর রয়েছে শিখ ধর্মগ্রন্থ গ্রন্থসাহেব। বেদির সামনে নবম শিখগুরু তেগ বাহাদুর সিংয়ের ব্যবহূত একজোড়া খড়ম একটি কাচের বাক্সের মধ্যে যত্নসহকারে রাখা আছে। এ কক্ষের মেঝেতে লাল রঙের কার্পেট পাতা আছে। তাতে ভক্তরা বসে গ্রন্থসাহেব পাঠ শোনেন। কক্ষের চারদিকে বারান্দা আছে। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান গুরুদুয়ারা নানকশাহীতে একেক সময় একেকজন গ্রন্থির (পুরোহিত) দায়িত্ব পালন করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শ্রীচন্দ্র জ্যোতি নামে এক শিখসাধু এই উপাসনালয়ের পুরোহিত ছিলেন।






১৯৪৭ সালের পর থেকে ষাট দশক পর্যন্ত উপাসনালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংস্কার করে এর বর্তমান রূপ দেওয়া হয়। বর্তমানে ভাই পিয়ারা সিং প্রধান গ্রন্থির দায়িত্ব পালন করছেন। গুরু নানকশাহীতে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা দুবার গ্রন্থসাহেব পাঠ ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। তা ছাড়া প্রতি শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত সাপ্তাহিক জমায়েত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। পুরোহিত গ্রন্থসাহেব পাঠ ও কীর্তন করেন। গুরুদুয়ারার এই কীর্তন ভক্তদের আকুল করে তোলে। সংগীতশিল্পী কিরনচন্দ্র রায় এই গুরুদুয়ারার অতিথিনিবাসে থেকে দীর্ঘদিন এখানে কীর্তন পরিবেশন করেন। কীর্তন ও প্রার্থনা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এখানে শুক্রবারে আগত অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজেরও ব্যবস্থা আছে।





গুরুদুয়ারায় আয়োজিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে গুরু নানকের জন্মবার্ষিকী এবং পয়লা বৈশাখ। এ দুটি পর্ব এখানে অত্যন্ত ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হয়। গুরুদুয়ারায় কারও প্রবেশে বাধা নেই, জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে সব বয়সী নারী ও পুরুষ এখানে প্রবেশ, প্রার্থনায় অংশগ্রহণ এবং প্রসাদ পেতে পারেন। ঢাকায় বসবাসরত শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়মিত এই গুরুদুয়ারায় আসেন। তা ছাড়া অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজনকেও শুক্রবার এই উপাসনালয়ে আসতে দেখা যায়। স্থানীয় ভক্ত ও বিদেশি দাতাদের সাহায্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় নির্বাহ হয়।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:১৫
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×