somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

মনে মনে গল্পকার। যখন আমি কোনো কিছুই করি না, তখনো একটা কাজ সব সময় করতে থাকি। মনে মনে গল্প লিখতে থাকি।

আমার পরিসংখ্যান

আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

পাতা ঝরাদের দিনগুলা

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৩


পাতা ঝরাদের দিনগুলা ফুরায়া যাচ্ছে ধীরে ধীরে

সবুজ সৌন্দর্যের মতন অবিকল কিছু রোশনাই
পৃথিবীতে ফিরে আসবে, আশা করা যায়। আগেও
এই রকম আরো অসংখ্যবার ফিরে আসার বর্ণনা
পৃথিবীর মানচিত্রে দাগায়িত আছে, আমরা পড়ি--

আমরা আরো পড়তে পাই, এই পাতাঝরা দিনে
কিছু ডাহুক পাখি কম্বলহীন শীতার্ত হৃদয়... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ৬১ বার পঠিত     like!

অতীতগামী বিষণ্ণতার ভিতর

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩২


আমার তবুও আর কারো কাছে, কোথাও যাওয়া হয় না

এই রকম অসংখ্য অতীতকালীন যাওয়া, না-যাওয়ার
গল্প নিয়া পৌষ সংক্রান্তির মেলার দিকে যাই, মানুষের
দিকে। মানুষেরা মূলত মানুষ ছাড়া আর কারো কাছে
ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে না। একটা বগলবন্দী
স্মৃতির অ্যালবাম আর কিছু রাজহাঁসের মাংসের ঘ্রাণ
ছাড়া মানুষ আর... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৪৩ বার পঠিত     like!

প্রণয়িনী অথবা ভুলের লিরিক

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০৫


সাড়ে ছয়দিন পর শহরে ফিরে দেখি
প্রেমিকা ঘুমাতে গেছে সিডাটিভ
খেয়ে, প্রেমিকাদের মনগুলো ও’রকম...

একশ বছর প্রণয়িনীর চোখের দিকে
তাকিয়ে থাকবার পর চোখ ফেরালেই
দেখবেন, ভুল হয়ে গেছে। প্রেমিকাদের
চোখে আজকাল সবকিছু নিপাট ভুল।

একটা সুন্দর ভুল গলাধঃকরণ করে
আমরা পথ চলছি... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৮৩ বার পঠিত     like!

গুম, খুন এবং রাষ্ট্র বিষয়ক

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬


বিভ্রান্ত সব শব্দের ভিতরে প্রতিদিন একা একা
খেলা করি, নিজের ভিতরে নিজের যুদ্ধ হয়…

নিজেকে নিজে দণ্ডিত করি, ক্রসফায়ার দিই,
নিজেকেই নিজে দিয়ে দিই দুইশ বছর জেল।
সশ্রম কারাদন্ড! তুই শালা দুইশ বছর কবিতার
ভিতরে পঁচে-গলে মর। নিজের বিরুদ্ধে নিজে
ঘোষনা করি, তোকে কবিতা লেখার সকবিতা
কারাদন্ড দেওয়া হলো। তুই শালা কবিতা লেখ।... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ৮৭ বার পঠিত     like!

মনোলিপি

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:১৪


তোমার চোখের খুব গভীরে তাকানো হয়নি আজতক
সোমবার সাড়ে ছত্রিশ ভাজা হয়ে যাবে চশমার গ্লাস
তোমার ওই উদাসীন চোখ, ওইখানে কিছু পরিযায়ী প্রেম
জমা করে রেখে চলে যাবে বেখেয়ালি প্রেম, ফিরবে না।

মানুষের মত ঠোঁটের ডগায় ফোঁটা ফোঁটা ঘর্মাক্ত প্রেমে
কাজ নেই, আমি চাই শরীরের খাঁঝে খাঁঝে দীর্ঘশ্বাস…
মন... বাকিটুকু পড়ুন

১০ টি মন্তব্য      ৭০ বার পঠিত     like!

ডিসেম্বরের শীতকালগুলা

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৭


এই রকম কোনো কোনো ডিসেম্বর শেষে আমাদের
বাড়ি ফিরবার তাড়া শুরু হইয়া যেতো…
আমাদের তখন শুধু শুধু মন খারাপ হতো
আমাদের তখন শুধু শুধু ভালো লাগতো না!

সেইসব ডিসেম্বরের বৃষ্টিহীন গাঢ়তর শীতের দিনগুলা
আমরা কাটায়া দিতাম মামা বাড়িতে…

সেইসব ভাপা পিঠা আর উরুম মুলা'র দিনগুলায়
আমরা... বাকিটুকু পড়ুন

৭ টি মন্তব্য      ৪৩ বার পঠিত     like!

দূর্বাঘাসের হৃদয়

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০২



এইসব গাঢ়তর মান-অপমানবোধ নিয়া তবুও
আমরা পথ চলি, এই রকম চলতে হয়…

তবুও, একটা বিষণ্ণ দূর্বাঘাস মন খারাপ করে
কোথাও না কোথাও বসে থাকে। ছোট এক
কণা দূর্বাঘাস, যাকে কেউ হয়তো চিনেও না,
কিংবা কেউ কেউ হয়তো চিনে, না চিনেই
হয়তো কোনো কোনো গরু মাড়ায়া যাচ্ছে…

ছোট... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ৬৩ বার পঠিত     like!

আমার না থাকা-রা

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩



এইসব বিমর্ষ ভাবাপন্ন পৃথিবীতে একদিন
আমি আর কোথাও থাকবো না, তবুও
পৃথিবীত্র গাঢ়তর নিয়মের মতন আমার
গল্প আর কবিতা থেকে যাবে। তোমার
চোখের কিনারে গিয়া দাঁড়াবে, জানাবে--
আমি ছিলাম। সুন্দরের মতন তোমার
অদ্ভুত চোখজোড়া ছেড়ে আমি আসলে
কোথাও চলে যাইনি, যাওয়া যায় না...

তবুও, এইসব চরাঞ্চলের শরীরে প্রতি
শীতে বসন্ত... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৫৮ বার পঠিত     like!

কবিতা

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১



আমার সব প্রেমিকার চাইতে কবিতাই শান্তি
দিয়েছে বেশি, কোন অনুযোগ নেই…
দাঁত কড়মড় করে চেয়ে থাকা নেই
তার জন্য অবেলার রোদ্দুরে আমাকে
দাঁড়িয়ে থাকতে হয়নি কখনো!

সম্পর্কের পিষ্টনে তারা সব সময় লেপটে ফেলতে
চেয়েছে আমাকে, আমাকে বুঝবার সময়টুকু
শপিংমল আর ঝিম ধরা রেস্টুরেন্টে উড়িয়ে
দিয়েছে তারা, তাদেরকে বুঝে ফেলেছি... বাকিটুকু পড়ুন

১৪ টি মন্তব্য      ৬৫ বার পঠিত     like!

মহুয়া মলুয়ার দেশে (ষষ্ঠ পর্ব)

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৩



গারো পাহাড় থেকে ফেরার পথে মাঝখানে আমরা একটা বাজারে দাঁড়ালাম।

বাজারের নামটা ভুলে গেছি। দোকানে ঢুকে কলা পাউরুটি খেলাম। এর মধ্যেই দোকানির সাথে নাফিজ ভাইয়ের বেশ ভাব হইয়া গেছে। দোকানির বাড়ি কুমিল্লা। এই শালা যেখানে যেখানে ট্যুরিজম ব্যবসা চলে সেখানেই নাকি দোকান দেয়। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পটুয়াখালি সব... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ১৫৬ বার পঠিত     like!

আমি, মা এবং শীতকাল

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫



শীতকাল চলে আসছে… আমি জানি, মা
অনেকদিন পর্যন্ত ভাপা পিঠা খাবেন না!

অনেকদিন ধরে আমি পৃথিবীর বাইরে
ঘুরাঘুরি করছি, ঠিকঠাক বাড়ি যাওয়া
হয় না। পৃথিবীর ভিতরে আমার মা বসে
থাকেন। তিনি কাঁচা মরিচ পাটায় পিষে
টমেটো দিয়ে টেংরা মাছ রান্না করেন…

সেইসব মাছ খাওয়ার সময় আমাকে
ফোন... বাকিটুকু পড়ুন

১০ টি মন্তব্য      ৭১ বার পঠিত     like!

পুরাতন রেল লাইন

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৬




একটা গভীর শীতকাল বুকের ভিতর শোয়ায়ে রেখে
আমি চলে যাচ্ছি। এই রকম চলে যেতে হয়…

আমার যাওয়ার পথ, এইসব বিষাদগ্রস্থ রেল লাইন
ধরে হাঁটতে হাঁটতে অনেক অনেক বছর পর তোমার
সাথে দেখা। সেইসব দেখাদেখি আর ব্যথাতুর
শরৎকালগুলা কি নিদারুণ... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ৭১ বার পঠিত     like!

গন্তব্য

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪০



খুব মন খারাপ হলে একা একা নদীর কাছে যাই
রাত দশটা-এগারোটা পর্যন্ত অভয়মিত্র ঘাটে বসে
থাকি। নদীরও কি কোনো বেদনা থাকে মানুষের
মতো? (থাকে সম্ভবত। হু হু একটা আওয়াজ সব
সময় ছাপিয়ে উঠে প্রতিটি নদীর বুকে, নদীগুলো
কেবল ব্যথাময় একটা জীবন কাটিয়ে দিলো নাকি?)

মাঝে মাঝে নৌকায় চড়া হয়। ঘন্টায় তিনশ... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ৮৭ বার পঠিত     like!

মানুষ অথবা শরীর

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩



এই যে দরজার হুক লেগে কোমরের উপর বাম পাশে
আড়াই ইঞ্চি লম্বা হয়ে চামড়ার উপর চিরে গেলো,
অন্তত এইসব বেদনায় মলম লাগাতে কেউ লাগে।
ভালোবাসাবাসি নিয়ে উথাল-পাতাল ঝগড়া করবার
মতন কেউ, বাসায় ফিরতে দেরি হলে চিল্লায়া বাসা
মাথায় তোলবার মতো অন্তত কোনো একজন...... বাকিটুকু পড়ুন

১৬ টি মন্তব্য      ৯১ বার পঠিত     like!

মহুয়া মলুয়ার দেশে (পঞ্চম পর্ব)

লিখেছেন অনন্ত আরফাত, ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮



পরের দিন ঘুম ভেঙে গেলো একেবারে ভোরে।

ভোর বলতে একেবারে ভোর। কাকডাকা ভোর। আমরা তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হইয়া গেলাম। আজকে দিনে বিশাল পরিকল্পনা। প্রথমে বিজয়পুর ঘুরাঘুরি, তারপর সোজা চলে যাবো খালিয়াজুরি। এখান থেকে খালিয়াজুরি বেশ দূরের পথ। তাছাড়া কিভাবে যেতে হয় আমরা জানি না। এবারের... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ১১৯ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৪০৮২ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ