somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তের নাম্বার বাস এবং কিছু অভিজ্ঞতা

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকায় লোকাল বাস এ চলাফেরা যারা করেন তাদের সবাই তের নাম্বার বাস এর সাথে মোটামুটি পরিচিত । আজিমপুর থেকে সাইন্সল্যাব কিংবা সাইন্সল্যাব থেকে আজিমপুর আসতে আমাকে মাঝে মাঝেই তের নাম্বার বাসে উঠতে হয় । তো ভাড়া নিয়ে কন্ডাক্টর আর যাত্রিদের মাঝে বাকবিতন্ডা এই বাস এর নিয়মিত ঘটনা । এক টাকা ভাড়া নিয়ে পাঁচ মিনিট তর্ক করা এমনকি মাঝে মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ও ঘটে । আর একটা হলো এটার সুপার সুপার লোকাল বৈশিষ্ট্য । কোথাও থামলে আর চলতে চায় না । এই নিয়ে ও যাত্রি আর ড্রাইভার এবং কন্ডাক্টরদের মাঝে ঝগড়া হয় কিছুদূর পরপরেই । তো এই কয়েকদিন আগে আমি সাইন্সল্যাব থেকে উঠলাম । বরাবর এর মতই কন্ডাক্টর ভাড়া তুলছে । অনেকে আবার বড় নোট থাকলে ভাংতি নেই বলে ভাড়া না দেয়ার ফন্দি করে (হয়ত অনেকের কাছে আসলেই ভাংতি থাকে না, কিন্তু আমার কাছে অনেক সময় মনে হয়েছে এটা ইচ্ছের অভাব যে আমি লোকাল বাস এ উঠব আর আমার কাছে ভাংতি নেই)। এক ভদ্রলোক ১০০ টাকার নোট দিয়ে বললেন যে ভাংতি দাও । কন্ডাক্টর বলল যে ভাংতি দেন । তখন ওই লোক বলল যে ভাই তুমি ভাড়া বেশি রাখ কিন্তু আমাকে ১০০ টাকা ভাংতি দাও। তখন কন্ডাক্টর তার ভাড়া রেখে ১০০ টাকা ভাংতি দিলো । তারপর দেখলাম লোকটি নিজে থেকেই কন্ডাক্টর কে টাকা বাড়তি দিলো । কন্ডাক্টর একটু আশ্চর্য হলো এবং বলল যে ভাই টাকা লাগবে না । তারপর ও দেখলাম ওই ভদ্রলোক তাকে জোর করেই টাকা দিলো , বলল ভাই রাখো । এরকম ঘটনা সহজে দেখা যায় না ।



নোট : অনেকদিন ধরেই ভাবছি ব্লগ লিখব । লিখি লিখি করেও আর লেখা হচ্ছিলো না । অবশেষে লিখে ফেললাম দেখে বেশ ভাল লাগছে ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×