somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এ.আর.বাহাদুর (বাহার)
আমি চাই আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশ যেন অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয় । চড়াসুদ ও কঠিন শর্তে যাতে আর কর্জ নিতে না হয় বহির্বিশ্ব থেকে।আসুন, সবাই মিলে দিয়ে কর,প্রিয় দেশটা করি স্বনির্ভর। এ.আর.বাহাদুর (বাহার)

♪♪__তিতা কথা-(৩)__♪♪ ===>>>^^^^

২৬ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

♪♪__তিতা কথা-(৩)__♪♪
আক্কেল আলী বন্ধু সবজান্তাকে বলল, দোস্ত তোর কি সেই মিষ্টির কারিগরের কথা মনে আছে?
সবজান্তাঃ ঐ যে অবসর টাইমে লাকী ফটোষ্ট্যাটে বসে সুন্দর সুন্দর গল্প শোনাতো?
আক্কেল আলীঃ হ্যাঁ ঠিক ধরেছিস, দুই যুগ হয়ে গেল এখনও ভুলিশনি!
সবজান্তাঃ তিনি মিষ্টির কারিগর হলে কি হবে? তাঁর বলা গল্পগুলো ছিল অসাধারণের চেয়েও বেশী। সে ছিল অবহেলিত পন্ডিত।
আক্কেল আলীঃ তাঁর বলা শয়তানের গল্পটি কি তোর মনে আছে?
সবজান্তাঃ না, মনে নেই। বল না প্লিজ, আমি শুনব।
আক্কেল আলীঃ তাহলে শোন, একদিন বড় শয়তান কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পায়ের উপর পা তুলে মনের সুখে নিশ্চিন্তে হাওয়া খাচ্ছিল। তাই দেখে কয়েকজন পর্যটক তাকে প্রশ্ন করল, কিরে ইবলিশ, তোমাকে খোশ মেজাজে এখানে অবকাশ জীবনে দেখা যাচ্ছে, ব্যাপার কি? তোমার ডিউটি নেই?
ইবলিশঃ আমার কাজ আমি শুরু করে দিয়ে এসেছি, আপাতত আমার কোন কাজ নেই, বাকী কাজ আমার সাগরেদরা করবে।
প্রশ্নকারী পর্যটকঃ অনেক দিনের ইচ্ছা তোমার শয়তানীর কৌশলগুলো জানব, প্লিজ বল না আজকে কী শুরু করে দিয়ে আসলে!
ইবলিশঃ বিশ্বযুদ্ধ শুরু করে দিয়ে এসেছি।
পর্যটকঃ বল কি! কিভাবে?
ইবলিশঃ হ্যাঁ, আমি যেটা করেছি সেটা হচ্ছে, একটি মিষ্টির দোকানে মিষ্টি পরিমাপের স্কেলের পাশ থেকে ঝরে পড়া একটুখানি মিষ্টি নিয়ে শো-কেসের গ্লাসে লাগিয়ে দিয়ে এসেছি। আমার কাজ ওখানেই শেষ, বাকিটা মানুষের ভেতর থেকে আমার অনুসারিরাই করবে?
পর্যটকঃ এতেই বিশ্ব যুদ্ধ?
ইবলিশঃ হ্যাঁ!
পর্যটকঃ ইম্পসিবল! গাজাখুরি গল্প বলার আর জায়গা পাওনা!
ইবলিশঃ শোন, আমি শয়তান হতে পারি কিন্তু মিথ্যা কথা বলি না।
পর্যটকঃ কিন্তু কিভাবে সম্ভব?
ইবলিশঃ শুনবে?
পর্যটকঃ হ্যাঁ শুনব, বল।
ইবলিশঃ তাহলে শোন, আমি শো-কেসের গ্লাসে মিষ্টি লাগাবার কিছুক্ষণের মধ্যে ঐ মিষ্টির চারপাশে মাছি'রা এসে ভন্ ভন্ শুরু করে দিল। মাছির আনাগুনা দেখে সেখানে চলে এসেছে টিকটিকি। টিকটিকির উপস্থিতি লক্ষ্য করে বক্সের কোণা থেকে উঁকি মারল ইঁদুর। ইঁদুর দেখে বিলেতি কাস্টমারের কোল থেকে লাফিয়ে পড়ল বিড়ালটি......... এতটুকু বলে ইবলিশ থামল। পর্যটকেরা যেন আনমনে গিলছিল শয়তানের কথাগুলো।
একজন পর্যটক উৎকণ্ঠিত ভাবে জিঙ্গেস করল, তারপর?
ইবলিশঃ বিলেতী কাস্টমারের বিড়াল দেখে অপর কাস্টমার পশ্চিমা শেতাঙ্গের হাত থেকে শিকারি ডগটি শিকলসহ লাফ দিল বিড়ালটির গায়ের উপর এবং গর্দানে এক কামড়ে মেরে ফেলল। শখের বিড়ালকে চোখের সামনে ছটফট করে মরতে দেখে বিলেতি সাহেব কাঁধের বন্দূুক দিয়ে এক গুলিতে ডগটিকে মেরে ফেলল।
পর্যটকঃ ও মাই গড! তুমি এত বড় শয়তান! তারপর কি হল?
ইবলিশঃ নিজের ছেলেমেয়ের চাইতে প্রিয় ডগটিকে গুলি করে মারার কারণে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে নিজের পিস্তল দিয়ে বিলেতি সাহেবকে সাথে সাথে শুইয়ে দিল পশ্চিমা শ্বেতাঙ্গটি।
পর্যটকঃ ইয়া আল্লাহ, তুমি তখন কি করছিলে? এরপর কি হল?
ইবলিশঃ আমি প্রথমে গ্লাসে মিষ্টির টুকরা লাগিয়ে দিয়ে বাইরে এসে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে ঘটনা পর্যবেক্ষন করছিলাম। ঘটনার সাথে জড়িত দুজন পূর্ব ও পশ্চিম দুই শত্রু পরাশক্তির বাসিন্দা। ৫ মিনিটের মধ্যে দুই দেশেই রেড এলার্ট বেঁজে উঠল এবং আমি মনে করলাম আপাতত আমার কাজ শেষ।
পর্যটকঃ তারপর ?
ইবলিশঃ এখনও ঘটনার ১০ মিনিটও হয়নি। খবর পেয়েছি দু'দেশই তাদের বোম্বিং স্কোয়াডকে প্রস্তুতি নিতে বলেছে। তোমরা a to z নিউজ চ্যানেল গুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখতে পার।
পর্যটকঃ অাচ্ছা ইবলিশ, তুমি মানুষকে কিভাবে এত সহজে প্রভাবিত করে তোমার ফাঁদে আটকাও?
ইবলিশঃ আকাশে যত তারা আমার আছে তত ধারা। তবে আমি শুধু একটি ধারার কথা বলব, সেটি হচ্ছে মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায় থাকে তখন আমি আলগোছে তাদের মাঝে অবস্থান নিই এবং উভয় পক্ষকে উঁচকে দিয়ে আমার স্বার্থ উদ্ধার করি। তারপর হঠাৎ শয়তান উদাও হয়ে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:৩৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাতছানি

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২২

বাঁশবনের উপরে গোধূলীর আকাশে
কি'যে অপরুপ লাগে একফালি চাঁদ,
কাশবনের দুধারে মৃদুমন্দ বাতাসে
ঢেউ খেলে যায় সেথা জোৎস্নার ফাঁদ-
আহা..., কী অপরুপ সেই 'বাঁশফালি চাঁদ' ।

পাখিদের নীড়ে ফেরা কল-কাকলীতে
শিউলী-কামিনী যেথা ছড়ায় সুবাস,
আজানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিচ্ছু চাই না আমি, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫১



অতি তুচ্ছ বিষয় গুলোতে আমি আনন্দ পাই।
পথে ঘাটের সব রকম দৃশ্য আমি উপভোগ করি। পথে হেটে যাচ্ছি, একসাথে অনেক গুলো কাক কা কা করতে করতে উড়ে গেলো! এটা দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের স্পষ্ট বার্তা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:১৭



কারিনা ইস্যুতে যা ঘটেছে, তা শুধু একটি পরিবারের আত্মপক্ষ সমর্থন না- এটা জনমতের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। যদি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই হেটস্পিচ আসতো, তাহলে কারিনার মা জানাজার পর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের দাগে ধুয়ে যাওয়া আভিজাত্য: কারিনা কায়সারের বিদায় এবং আমাদের কিছু নির্মম শিক্ষা

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১৮ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



​বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত নিয়মে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষ সব বৈরিতা ভুলে যায়। জানাজার খাটিয়া সামনে রেখে স্বজনরা কেবল ক্ষমা চান, চিরবিদায়ের প্রার্থনা করেন। কিন্তু গতকাল আমরা এক অভূতপূর্ব ও হাহাকারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস শুধুমাত্র বাই বর্ন বাংলাদেশী!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


আমেরিকার সাথে চুক্তির কথাটি আসলেই ইউনুসের উপদেষ্টাসহ তার লোকজন বলে বিএনপি ও জামাতের সাথে আলোচনা করেই চুক্তিটি হয়েছে!
বিএনপি ও জামায়েতের সাথে আলোচনা করলেই কি এই চুক্তি সঠিক হয়ে যায়?

আপনাদের বিএনপি-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×