
আমার এক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বন্ধু ঢাকার নামকরা একটি লীগ-বাম ধারার পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে এবার জাতিসংঘের অধিবেশন কাভার করতে নিউইয়র্ক এল। প্রথমবার এখানে আসায় আগেই আমার সাথে কথা বলে এসেছিল। তবে তারা পত্রিকার পক্ষ থেকেই হোটেলে উঠেছিল। যাহোক সে এখানে এসে আমাকে কল দিয়ে বলেছিল ফ্রি হলে আমার বাসায় আসবে। গতকাল সে তার এসাইন্মেন্ট শেষ করে আমার বাসায় এল। সে আরো সাপ্তাখানেক এখানে থাকবে। পত্রিকা তাকে আমেরিকায় আরেকটি প্রতিবেদনের কাজ দেয়ায় তার এই সফর দির্ঘায়িত করার উদ্দেশ্য।
যাহোক কথা প্রসঙ্গে উঠে এল জাতিসংঘের সামনে আমাদের(আমেরিকা বিএনপি) প্রতিবাদ সমাবেশের কথা। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম এত বড় সমাবেশ করলাম। তোমার তেমন ভাল কোন নিইজই করলেনা। অথচ কত অগুরুত্বপুর্ন খবরে বাংলাদেশের পত্রিকা ঠাসা। সে যা বললো রীতিমত অবাক হলাম। সে জানালো আমেরিকায় আসার আগে যারা জাতিসংজ্ঞে নিউজ কাভার করতে আসবে তাদের এবং তাদের পত্রিকা সম্পাদককে তথ্যমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়যে যেন কোনভাবেই আমেরিকা সফরের নেগেটিভ খবর এবং ছবি না আসে। তাই তারা এত সাংবাদিক নিউইয়র্ক আসলেও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদের ছবি তুললেও দেশে তা পাঠায়নি।
এ হল বাকশালি গনতন্ত্রের নমুনা। অথচ বিএনপি আমলে দেখতাম এরা এবং এদের দোসর আওয়ামী পাণ্ডা বুদ্ধিজীবীরা দেখতাম মত প্রকাশের স্বাধীনতা স্বাধীনতা বলে মুখের লালা ফেলে মোছ দাড়ি ভিজিয়ে ফেলতো। হায়রে সেই হারামজাদাগুলা এখন চুপ কেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



