১৯৭১। ১৪ই ডিসেম্বর। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী দেশীয় কিছু কুকুরদের সাহায্য নিয়ে বেছে বেছে আমাদের দেশের কিছু শিক্ষিত মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। যার ফল হয়তো আমরা আজও পাচ্ছি।
২০১৪। পিএসসি পরীক্ষা। যএতএ প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে পরীক্ষার আগেই। শিক্ষামন্ত্রী বলছে, কোন প্রশ্নই ফাঁস হচ্ছে না।
কিন্তু, যেটা সত্য, সেটা হচ্ছে প্রশ্নপএ ফাঁস হচ্ছে। কয়েক বছর থেকেই শুনছি প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। শুধু পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে না। এসএসসি, এইচএসসির প্রশ্নও ফাঁস হচ্ছে। বিসিএসের প্রশ্নও ফাঁস হয়। ২০০৬ এ মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হয়েছিল।
২০১৯ পর্যন্ত এই প্রশ্ন ফাঁস চলতেই থাকবে (যদি না, সরকার কোন পদক্ষেপ নেয়)। ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় এরা গণহারে ফেল করবে। সরকার যদি ঠিক করে, ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নও তাঁরা করবেন, তাহলে তো হল!!!
সব মিলিয়ে এই সরকার যদি ১০ বছর থাকে, এই দশ বছরে সরকার জাতিকে একটি ফাঁকা নারকেল উপহার দিবে। যার ভিতরে কোন পানি বা শাঁস নেই।
ছোটবেলায় পড়েছি, শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। পরাজয় নিশ্চিত জেনে, ১৪ই ডিসেম্বর পাকবাহিনী দেশের মেরুদ্ন্ড ভেঙ্গে দিয়েছিল। আজ, এই শিক্ষামন্ত্রী ধীরে ধীরে দেশের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিচ্ছে।
এইভাবে চললে, আওয়ামীলীগ সরকার তো দেশের বারোটা বাজায় ছাড়বে। এক লতিফ, নাহিদ, আর সমাজকল্যাণমন্ত্রি( নাম মনে নাই) গেলে দলের কিচ্ছু হবে না। এদের পুসে লাভ কি? এতে দলের নামই খারাপ হয়। ভাল কাজ করলে, জনগণ সব সময় দলের পক্ষেই থাকবে।
আর,বিরোধীদল তো দেশের গণতন্ত্রের জন্য, দেশের জনগণের ভালোর জন্য কত হরতাল দেয়, কই সুষ্ঠ পরীক্ষার পরিবেশের দাবির জন্য তো তাদের দেখা যায় না।
শাহবাগের তরুণ প্রজন্ম রাজাকারের বিচারের দাবিতে কত আন্দোলন করল, এই প্রশ্নপএ ফাঁসের জন্য কোন আন্দোলনই হচ্ছে না।
পড়ালেখার মান কমে যাচ্ছে। এটার ফল আমরা আজ পাব না। এটার ফল পাব পরে এবং সেটা হবে দীর্ঘ মেয়াদী। শুরুতেই ১৪ ই ডিসেম্বরেরর প্রসঙ্গ টানার উদ্দেশ্য এটাই।
দেশ স্বাধীন হইছে আজ ৪৪ বছর। এখনও আমরা সেই রকম কোন উন্নয়নই করতে পারি নি। কারণ, একটাই সেটা আমাদের শিক্ষা। আমরা মানসিক দিক দিয়েও শিক্ষিত না, পুথিগত বিদ্যায়ও শিক্ষিত না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


