somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদ কার্ড নাটক বন্ধ করুন

২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১. প্রতি বছর ঈদ আর পহেলা বৈশাখ এলে দুই নেত্রীর কার্ড নাটক শুরু হয়। গত কয়েক বছর ধরে এটা চলছে। তবে কতটা মন থেকে আর কতটা লোক দেখানো সেটা সচেতন জনগণ মাত্রই জানে। আগে তেনারা সশস্ত্র বাহিনী দিবসে দেখা করতেন তাও অনেক বছর হলো দেখা করেন না দুই নেত্রী। অথচ ঈদ আর বৈশাখের বেলায় প্রতিযোগীতা হয় কে কাকে আগে কার্ড পাঠাবে।

২. উঠতে বসতে একজন আরেকজনকে ভদ্র-অভদ্র ভাষায় গালি, সমালোচনা(পড়ুন খিস্তি খেউর) করেন। এক একজনের কথা শুনলেতো ভদ্র লোকেরাও লজ্জা পেয়ে যায়। অথচ এই কার্ড নাটকের বেলায় দুইজন খুবই সুন্দরভাবে কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

৩. বি চৌধুরী প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ঈদের দিন প্রটোকল ভেঙে আবদুস সামাদ আজাদের সাথে দেখা করেছিলেন। অবশ্য পরে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারতের ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন বলে উনার পদটাই চলে যায়। কিন্তু খালেদা জিয়ার এখন সেরকম কোন চান্স নাই। কারণ, তারেক ছাড়া খালেদার পদ আর কেউ নিতে পারবে না।

৪. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুর পর খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার সাথে দেখা করেছিলেন। আরাফাতের মৃত্যুর পর শেখ হাসিনা দেখা করতে গিয়ে ফেরত আসেন চামচাদের কারণে। অবশ্য ২১শে আগস্টের সময় খালেদা জিয়াকেও ফেরত আসতে হয়েছিল চামচাদের(ছাত্রলীগ) প্রতিবাদের কারণে।

৫. যদি সত্যিই ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে চান, তাহলে খালেদা জিয়াকে বলছি - আপনি ঈদের দিন যান শেখ হাসিনার কাছে। মুসলমান হিসেবে আপনার দাম একটুও কমবে না। আপনি গিয়ে লজ্জা দিয়ে আসেন শেখ হাসিনাকে। যদিও শেখ হাসিনা জীবিত থাকতে তো আপনি আর ক্ষমতায় যেতে পারবেন বলে মনে হয় না, তবুও কথার কথা আপনি ক্ষমতায় গেলে উনিও আসবেন আপনাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে। আপনার তো হারানোর আর কিছুই নেই। অন্তত সহনশীল রাজনীতির জন্য তারেক-জয়ের বন্ধুত্বের পথ করে যান।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১৬ রাত ১:৩৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×