কোন সভ্য দেশে কোন সভ্য নাগরিকের কাছে কোন সভ্য রাজনিতিবিদের কাছে আজকের এই আচরণ বিস্ময়কর!
সারা বিশ্বে ক্রমেই হাসির খোরাক হচ্ছি আমরা!
একি ধরনের সংবিধানের দোহাই? এটি সংবিধানের কোন ধারায় অননুমোদন করা আছে?
সংবিধানের কোন ধারা বলে -এভাবে ভিন্নমত দলন, দমন করার অনুমতি আছে!
বর্বর ইয়াহিয়া, ভূট্টোও আজ লজ্জ্বা পেত বেঁচে থাকলে! আজকে অনির্বাচিত ১৫৪ সিট লয়ে, স্বৈরাচারী এই মনসিকতা দিয়ে দেশকে কোথায় ঠেলে দিচ্ছেন?
আপনাদের যদি এতই আত্ম বিশ্বাস থাকে- দেশের কাউকে বিশ্বাস না করলে আন্তর্জাতিক কমিশন নিয়োগ করে হরেও নির্বাচন দিয়েই দেখুন না ! কত জন আপনাদের ভোট দেয়?
তবেকি আপনারা দেশকে গৃহযুদ্ধে দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন?
বিগত ৬-৭টি বছর বিএনপি পথে মানব বন্ধনেও দাড়াতে পারছে না।! তাদের মত প্রকাশ করতে সরকার গলাটিপে ধরছে। গুম, খুন, মিডিয়া নিয়ন্ত্রন হেন পথ নেই যা অবলম্বন করেনি।
দেখা মাত্র গুলির নির্দশ - মনে করিয়ে দেয় নৃশংস পাক জান্তার নাপাক আচরন। তারা বাঙালিকে দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েও ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিল। পেরেছে কি ? পারেনি/
তবে কেন এই আত্মঘাতি পথে হাটা?
এভাবে সকল শালিনতা, সভ্যতা, ভব্যতার সীমা পার করে সরকার এরপর কি আশা করে? বিএনপি এসে তাদের ধুপ ধুনো দিয়ে পূজো করবে!!!!
ঘরে ঘরে আজ বিএনপির নেতা কর্মীরা যাযাবর!!!
এই ত্রাস দিয়ে এইরকম বন্দুকের নলের মূখে ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা অনেকেরই ছিল। অনেক দালাল স্বৈরাচারে দোসররা সংগও দিয়েছে.. কিন্তু কালের বিবর্তনে সথ্যের কাছে তারা পরাজিত হয়েছে। শুধূ ঘৃনা ছাড়া তাদের প্রাপ্য কিছু নেই।
দেশটাকে স্বাধীনতাকে, স্বার্বভৌমত্বকে- আমাদের জাতিয় পরিচয়কে আর কলুষিত করবেন না।
যে সংবিধানের দোহাই দিয়ে ৫ তারিখে নির্বাচন করেছেন.. সেই সংবিধানের দোহাই সকল নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেবেন না। ত্রাস সন্ত্রাসের জন্ম দেয়। আপনার ক্রিয়ায় কালকের প্রতিক্রিয়া বিপরীত এবং সমানইতো হবার কথা নয়!!! বিজ্ঞানতো তাই বলে!
তাই বন্ধ করুন এই অরাজকতা। দেশকে রক্ষা করতে সংবিধানের প্রতি অনুগত হোন। সকল নাগরিকের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন।
সমাধানের পথে হাটুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





