somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কি খাবো?

২৭ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কি খাবো?
হোটেলে গেলে জিজ্ঞেস করে, কি খাবেন?
কি কি আছে?
রুই মাছ, পুটি মাছ, গরু, মুরগী ……।

কার বাপের কি? আমার যেটা ইচ্ছা আমি সেটা খাবো। কার বাপের কি? আমি কি খাবো এটা আমার ব্যাক্তিগত ব্যাপার, আমার স্বাধীনতা, মানবিক অধিকার। কথাটি অবশ্যই সত্য। ১০০%। কে কি খাবে সেটা তার নিজস্ব ব্যাক্তিগত ব্যাপার। কেউ কাউকে বাধ্য করতে পারবে না সে কি খাবে।

যদি এমন হয়, আপনি একজন হার্টের ব্লকের রুগি, তখন? তখন আপনার জন্য গরুর গোস্ত খাওয়া হারাম। ঠিক কিনা? তখন আপনার জন্য তেল চর্বি ঘি সব হারাম।

কেউ যদি বলে আমি হার্টে ব্লক নিয়েও তেল চর্বি ঘি খাবো, তাতে কার কি? মরলে আমি মরবো, তোমার কি? তখন এর উত্তর কি দেবেন? আমার পাছায়া আমি নিজে কুড়াল মারবো।

১। কেউ যদি সঠিক পথ পেতে চায় তাহলে তাকে ব্লক নিয়ে তেল চর্বি খাওয়া বর্জন করতে হবে। কোনটা ভালো কোনটা খারাপ তা তাকে চিনতে হবে।
২। কেউ যদি বলে আমি নিজের পাছায় নিজে কুড়াল মারবো, তখন একটাই উত্তর। খাও বাবা খাও। তোমার যত খুশি তত তেল চর্বি খাও।

আমি ডাক্তার হই, না ইঞ্জিনিয়ার হই, না প্রফেসর হই সেটা আমার ব্যাপার। আমি আম্রিকা যাই, না পাকিস্তান যাই, না আফগানিস্তান যাই, সেটাও আমার ব্যাপার।

ব্লক নিয়ে তেল চর্বি খাওয়া, ও গৃহযুদ্ধরত অবস্থায় চাকরীর জন্য সিরিয়ায় যাওয়াকে যারা নিজস্ব ব্যাপার মনে করে তাদের জন্য কোন উত্তর নাই। শুধু একটাই উত্তর, যাও বাবা। তুমি সিরিয়ায় যাও।

আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। ব্লক নিয়ে তেল চর্বি সে তখনই খায় যখন সে বিন্দুমাত্র জানে না যে ব্লক কি জিনিস আর তেল চর্বিই বা কি জিনিস। চাকরীর জন্য সিরিয়ায় তারাই যায় যারা জানে না সিরিয়াতে কি হচ্ছে।
-----------------------
ঠিক তেমনি, আমরা তখনই আল্লাহকে ভয় পাবো, আল্লাহর দেয়া বিধান মত তখনই চলবো যখন আল্লাহকে চিনতে পারবো। আর যখনই আল্লাহকে চিনতে পারবো না তখনই মনে করবো, মরার পর আল্লাহর যা ইচ্ছা করুক। দেখি আল্লাহ কতটুকু কি করতে পারে। কারণ আল্লাহ তো নাইই। থাকলে তো কিছু করবে।
-----------------------
কোরআনে বর্ণিত অতিতের কিছু ইতিহাস থেকে জানা যায়, তখন অনেক অনেক নবী রাসুলগন পর্যন্ত মানুষকে ঈমান আনাতে পারে নাই। যেখানে নবী রাসুল স্বয়ং প্রেজেন্ট, তারা নবী রাসুলের কথাও শুনে নাই। তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে নাই। আল্লাহ যে আছে তা তারা মানে নাই।

তৎকালীন ধর্মীয় পুস্তককে নবীর নিজের লেখা বলে তিরস্কার করেছে, আর যখন নবী রাসুল কোন মোযেযা দেখান, তখন তারা সেটাকে যাদু বলে তিরস্কার করেছে। ঈমান আনেনি।

২০১৬ সাল। আজকের ২০১৬ সালেও সেই হাজার বছরের পুরাতন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। যার যার খুশি মত মুর্তি পূজা করছি, যার যার খুশিমত ধর্ম পালন করছি, যার যার খুশিমত ধর্মই মানছি না।

এরা আসলে কপাল পোড়া। খুবই কপাল পোড়া।

---------------------------
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস খুন ধর্ষন আত্মঘাতি বোমা হামলা। কোনো কোনো দেশের মানুষ তার বিশাল পেট ভরে পেটে খাদ্য ঢুকাচ্ছে, পক্ষান্তরে কোনো কোনো দেশের মানুষ ১ বেলাও ঠিকমত খেতে পারছে না।

কেন এমন হচ্ছে? আল্লাহ যদি থেকেই থাকে, তাহলে খারাপ লোকদের বিচার করছে না কেন? একজনে পেট ফুলায়ে খায়, আরেক জন খেতেই পায় না, এমন কেন?

----------------------------
আপনি কোম্পানীতে চাকরী করছেন। আজকে ১৪ তারিখ। আপনি ডিউটি যাননি। ১৫ তারিখও যাননি। ২ দিন গায়েব। ১৬ তারিখে যখন ডিউটি গেছেন তখন মালিক আপনাকে ডেকে ২ দিনে বেতন কেটে রাখল। এটা কি পৃথিবীর কোথায়ও দেখেছেন? আপনাকে ডেকে এনে ২ দিনে বেতন কেটে রেখে ১৩ দিনের বেতন দিয়ে দিল। তারপর মাস শেষে ১৭ থেকে ৩০ তারিখ এই ১৪ দিনের বেতন দিল।
পৃথিবীর কোনো কোম্পানীতে কি এমনটা হয়?
নাকি মাস শেষে ২ দিনের বেতন কেটে ২৮ দিনের বেতন দেয়?

অথবা, স্কুলের পরীক্ষার হলে যার রোল নাম্বার ১০০, তার পাশ করার কোনাই সম্ভাবনা নাই। যেহেতু রোল নাম্বার ৯০ থেকে ১০০ পর্যন্ত এই ১০ জন পাশ করবে না, তাই শিক্ষক পরীক্ষার হল থেকে উক্ত ১০ জন ছাত্রকে বের করে দিল।
এমনটা কি কোনো স্কুলে হয়?
নাকি, পরীক্ষা শেষে একটি দিন থাকে, যেদিন রেজাল্ট দেয়া হ ?

এই দুনিয়া আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্র। যার যত খুশি খুন কর। যার যত খুশি ধর্ষন কর। যার যত খুশি ডাকাতি কর। দুনিয়াটা পরীক্ষা কেন্দ্র। পরীক্ষা চলাকালীন রেজাল্ট আসবে না। রেজাল্ট আসবে রেজাল্টের দিন। যাকে আল্লাহ বলেছেন, শেষ বিচারের দিন, কেয়ামতের দিন।

সেদিন যার যার বিচার হবে ও যার যার ফলাফল ঘোষনা করা হবে। পাশ করলে জান্নাত। ফেল করলে জাহান্নামের অগ্নি। বিশ্বাস না করে নিজের পাছায় নিজে কুড়াল মারলে পাছা তো আমার কাটবে না। কাটবে তোমারটাই।

জ্ঞানতো আছে। কোরআনের অর্থ পড়, অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পড়। তারপর নিজের জ্ঞান দিয়ে নিজেই বিচার কর কোন ধর্ম সত্য। এর পরও যদি তোমার মনে হয় তুমি চাকরী করার জন্য সিরিয়া যাবে, উত্তর হচ্ছে সত্যিই তুমি পোড়া কপাল।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:০৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাতার পাখা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৮

পাতার পাখা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

নারকেল গাছের পাতা ছিঁড়ে
পাতার শলা আলাদা করে
দুই পাতা সমান করে কেটে
বানাতাম চার ডানার একটি পাখা
খেজুর গাছের কাঁটা ছিঁড়ে
সে কাঁটা পাখার মাঝখান বরাবর গেঁথে
দখিনা বাতাসের মুখামুখি ধরলেই
শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল কেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২১


ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×