somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশ সরকারের উচিত- ছবি সম্বলিত ভোটার কার্ডের পরিবর্তে সকলের জন্য ছবিবিহীন ফিঙ্গারপ্রিন্টযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীতে সহায়তা করো, গুনাহ ও নাফরমানীতে সহায়তা করো না।’
বাংলাদেশ সরকার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য ছবি তুলে ভোটার কার্ড সংগ্রহের জন্য বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করছে।
অথচ মোট জনসংখ্যার ৩৫ ভাগেরও বেশিজনের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই।
বাংলাদেশ সরকারের উচিত- ছবি সম্বলিত ভোটার কার্ডের পরিবর্তে সকলের জন্য ছবিবিহীন ফিঙ্গারপ্রিন্টযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা। কারণ শরীয়তের দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা সম্পূর্ণই হারাম।

বাংলাদেশ সরকার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য ছবি তুলে ভোটার কার্ড সংগ্রহের জন্য বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করছে। অথচ মোট জনসংখ্যার ৩৫ ভাগেরও বেশিজনের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। বাংলাদেশ সরকারের উচিত- ছবি সম্বলিত ভোটার কার্ডের পরিবর্তে সকলের জন্য ছবিবিহীন ফিঙ্গার প্রিন্টযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কেউ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে না। ফলে এই বয়সসীমার নিচে সকলের জন্য সরকার ভোটার কার্ড চাপিয়ে না দিলেও এই বৃহৎ জনগোষ্ঠী থেকে যাচ্ছে সম্পূর্ণভাবে জাতীয় পরিচয়বিহীন। আবার সরকার ১৮ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য ভোটার কার্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ছবি তোলার মতো হারাম কবীরাহ গুনাহ করতে সকলকে বাধ্য করছে। নাউযুবিল্লাহ! জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ৩১.৩ ভাগ জনসংখ্যা হচ্ছে ০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে আবার সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফেক্ট বুক অনুযায়ী এই সংখ্যা ৩৪.৩। তাহলে ১৮ বছরের নিচে জনংখ্যার পরিমাণ ৩৫ ভাগের বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। এই ৩৫ ভাগের বেশি জনসংখ্যার কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই।

সরকারের উচিত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা। আর যেহেতু এই দেশে ৯৭ ভাগ মুসলমানের বাস, সেহেতু শরঈ দৃষ্টিতে সংবিধানের ধারা অনুযায়ী ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এদেশের সকলের জন্য হারাম ছবিযুক্ত ভোটার কার্ডের পরিবর্তে ছবিবিহীন ফিঙ্গারপ্রিন্ট যুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা।

ইসলামের দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আকা, রাখা হারাম। সুতরাং ছবিবিহীন ফিঙ্গারপ্রিন্টযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রই সব বয়সের সকলের জন্য কাম্য।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের ছবি সম্বলিত সকল কিছু থেকে হিফাযত করুন। (আমীন)

Click This Link
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×