31 জানুয়ারি 2006 তারিখে প্রথম আলোয় প্রকাশিত ইউএনওর নির্দেশে রেইনট্রি নিধন সংক্রান্ত একটি খবরে হতভম্ব হলাম। মনোহরদীর (নরসিংদী) ইউএনও সাহেব গত আট মাস ধরে পুরো উপজেলা জুড়ে যে রেইনট্রি নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছেন, পরিবেশের উপর তার প্রভাব অবশ্যই পড়বে। আমি বৃক্ষ বিষয়ে কোন বিশেষজ্ঞ নই, কিন্তু রেইনট্রি পরিবেশের ক্ষতি করে, ইউএনওর এই রকম একটা দাবীর সত্যতা খুঁজতে আমি ইন্টারনেটের সাহায্য নেই। আমি অনেক খুঁজেও এই গাছের কোন ক্ষতিকারক দিক তো পাই-ই নি বরং এটা জেনে বিস্মিত হয়েছি যে ভেনেজুয়েলাতে এই গাছের শিকড় পাকস্থলির ক্যান্সার সারাতে ব্যবহার করা হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ এই গাছের বীজ কন্ঠনালীর ইনফেক্শনে প্রয়োগ করা হয়। আগ্রহী পাঠক ইন্টারনেটে এই সাইটগুলো ঘুরে দেখতে পারেন:
যঃঃঢ়://িি.িভধপঃসড়হংঃবৎ.পড়স/পব6/ংপর/অ0841009.যঃসষ
যঃঃঢ়://িি.িঃৎড়ঢ়রষধন.পড়স/ৎধরহঃৎবব.যঃসষ
ইউএনও সাহেব প্রতিবেদককে বলেছেন এই গাছ বাড়িতে থাকলে উঠোনে রোদ পড়েনা, এই যুক্তিতে তো যেকোন গাছই কেটে ফেলা যায়। আমার প্রশ্ন, এরকম ঢালাও ভাবে রেইনট্রি গাছগুলো কেটে ফেলার আগে ইউএনও সাহেব কি কোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়েছিলেন? গাছগুলো কাটায় পরিবেশ সহ ক্ষতিগ্রস্ত হলো গাছ মালিক। শুধু লাভ হলো কাঠ ব্যবসায়ীদের। আমি বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থাগুলোকে এই খামখেয়ালীপনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


