
শুনলাম মেয়েটির বাবা নাকি নজরবন্দি?
আরে না! বন্দি হবে ক্যান! বলো নজরে আছে-
কিন্তু নজরেই বা আছে ক্যান?
কারণ কিছুই না! ঐযে বাবা দিবস! ঐ দিবস উপলক্ষে বিশেষ নজরের ব্যবস্থা আর কি! এইটা তো মন্দ কিছু না। বাবার প্রতি সম্মান।
মানলাম তোমার কথা! কিন্তু ঘটনাটা কী বলো তো! মেয়েটার ব্যাপারে কিছু হইলো?
কী হইবো?
আরে ঐযে সম্ভ্রমহানি-
হানি! হানি শব্দটা শুইনাই তো আমার জিববায় ফানি আইসা যাইতেছে!
মানে?
মানে সোজা- হানি মানে মধু। সম্ভ্রম হলো মধুর একটা বিষয়। দুষ্ট লোক এর মধ্যে হুদাই হানাহানি খোঁজে।
কিন্তু হত্যা যে ঘটছে এইটা তো ঠিক!
হত্যা? হত্যা কিসের? বলো আত্মহত্যা-
আজব! পরিষ্কার হত্যারে তুমি আত্মহত্যা বলতেছো!
ঠিক তা না! ইয়ে মানে, আমি আসলে জোর দিতেছি ‘আত্ম’ শব্দটার ওপরে। মানে হইলো ‘আত্ম’- অর্থাৎ আত্মার অংশ। আত্মা হইলো এমন একটা জিনিস, যার বিনাশ নাই। যার বিনাশ নাই, তার আবার হত্যা-আত্মহত্যা! স্বর্গের জিনিস- স্বর্গ থেকে আসে, আবার স্বর্গে চলে যায়, তাই না? মোট কথা, যার জিনিস তিনি নিছেন, মানুষ তো উছিলা মাত্র।
আজব! তুমি এইসব কী বলতেছো?
হানি! বাদ দাও তো এইসব বলাবলি। আসো আমরা গঠনমূলক কিছু নিয়া ভাবি-
বলতেছো? আচ্ছা, ঠিক আছে, তয় কী নিয়া ভাববো?
ভালো কিছু নিয়া। সেইটা হইতে পারে সুন্দর কোন সিনেমা নিয়া। সুন্দর একটা সিনেমার নাম কও-
তুমি কও! আমার মনে পড়তেছে না!
আচ্ছা! ঐ সিনেমাটার নাম কী যেনো? ঐযে! দ্যাখো তো- মনে আছে, মুখে নাই-
কোনটা?
আরে ঐযে সিনেমাটা, যেইটা আমরা দেখি নাই, সেইটা-
আজব! যেইটা আমরা দেখি নাই, সেইটা নিয়া কোন কথা বলবো না আমি! নেভার এন্ড নো-
নো! ইয়েস- মনে পড়ছে- সিনেমাটার নাম হইলো ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’- সুন্দর! ভারী সুন্দর নাম-
ছবি: সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


