মমতা দিদি শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছেন, ইলিশ খেয়েছেন, খুশী; কলকাতায় দিদি বাংলায় কথা বলার লোকও পান না, সবাই হিন্দিতে কথা বলে; দিদি বলেছেন, তিস্তার পানির ব্যাপারে আস্হা রাখতে; আসলে, আস্হা রাখা ছাড়া আমাদের তেমন উপায় নেই; দিদি আর দাদাদের দয়ার উপর নির্ভর করছে পদ্মা, তিস্তা আর মেঘনার পানি।
তিস্তার পানি পেতে শুধু দিদি নয়, নাক বোঁচা চীনাম্যানদের উপরও নির্ভর করতে হবে; ব্ৰহ্ম উনার পুত্রকে জন্ম দিয়েছেন চেং পেংদের দেশে; ভারতে প্রবেশ করে উনি দেবতা হয়েছেন; দেবতার পানিও গ্রাস করছে চেং প্যাং ইয়ংরা।
ভারতে মাথাপিছু আয় হুহু করে বাড়ছে; আগের থেকে খাচ্ছেন বেশী; উনারা পেট্রোল বোমার ব্যবসা ছেড়ে ইউরিনিয়ামের ব্যবসা করছেন; তাতে প্রয়োজনীয় ইলেকট্টিসিটি হবে হয়তো, কিন্তু চাষাবাদের জন্য আরো পানি লাগবে দাদাদের।
মোদীর আন্তর্নদী সংযোগের কাজ এই বছরই শুরু হবে; উহার ব্লু-প্রিন্ট প্রকাশ হলে বুঝা যাবে, শীতে কত পানি গড়াবে ভাটিতে; তবে, উহার পরিমাণ ক্রমেই কমতে থাকবে। মোদী কিন্তু দিদির কথায় চলার লোক না।
ফলে, দিদির উপার শুধু একটা বিষয়ে আস্হা রাখা যাবে, দিদি যদি বেশী করে তিস্তায় পেসাব করেন।
আস্হার বাহিরে আমাদের যা করতে হবে, তা'হলো জলাধার; যাতে শীতের দিনের চাষের পানি থাকবে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



