গতকাল গার্মেন্টস'এর মালিকেরা আমাদের বলদমন্ত্রী মুহিতের সাথে দেখা করে, তাদের ২১ দফা দাবী পেশ করেছেন; ৬ দফায় পুরো পুর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ হয়ে গেলো, ২১ দফার পর, উহার কি হবে? যা হবার তাই হবে, মালিকেরা এই সুযোগে সরকার থেকে টাকা আদায় করবে বিভিন্নভাবে; দেশ বলদমন্ত্রী ও কারখানার মালিকদের।
চট্টগ্রাম থেকে প্রায় প্রতি রাতেই ক্রীতদাস বোঝাই ট্রলার মালয়েশিয়ার পথে ছাড়ে যায়; যখন ডুবে যায়, তখন সংবাদে আসে। এসব ক্রীতদাসদের জন্য আমাদের বলদমন্ত্রীর মাথা ঘামাতে হয় না; স্বাধীন দেশ, এরা স্বাধীনভাবেই মালয়েশিয়া যাচ্ছে, কোন ভিসা ফিসার দরকার নেই।
খালেদা জিয়ার অবরোধ শুরু হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় বলদমন্ত্রী বলেছিল যে, ১ সপ্তাহ পরে সব ঠিক হয়ে যাবে; কিছু ঠিক হয়নি, বলদমন্ত্রী না বুঝেই ১ সপ্তাহ সময় দিয়েছিল। বলদ বাকী কাজগুলো কি না বুঝেই চালিয়ে যাচ্ছে?
বাংলাদেশের বেকারদের একটা ভালো গুণ হলো যে, তারা সরকারকে কোনদিন দোষারূপ করে না; তাদের ভালো গুণ, ভাগ্যে বিশ্বাস করে।
গার্মেন্টস'এর দুস্টরা যখন সরকারের পকেট কাটবে ২১ দফা দিয়ে, দেশ বেকারদের জন্য কিছু করার কথা ভাবতে পারবে না; কোটীপতিরা সব সময়ই সমস্যায় থাকে, বেকারেরা ট্রলারে উঠে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



