বিএনপি খালেদা জিয়ার গ্রেফতার চাচ্ছে; বুধবার ভোর থেকে শুক্রবার সকাল অবধি হরতাল ঘোষনা করা মানে সরকারকে আরও একমাত্রা চ্যালেন্জ করা, ক্ষেপিয়ে দেয়া। এদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবি হাইকোর্টে গেছে 'গ্রেফতারি পরোয়ানা স্হগিত' করার জন্য, আরেক দিক থেকে হরতাল দিয়ে সরকারকে ক্ষেপাচ্ছে? এতে মনে হয়, ভেতরে ভেতরে বিএনপি'তে কিছু একটা ঘটছে; গুলশান অফিসে অবস্হিত ও বাহিরে থাকাদের উদ্দেশ্য এক নয়।
গত ২ মাসে জাতির ভয়ংকর ক্ষতির কথা ভাবলে, শুধু গ্রেফতার নয়, দ্রুত আইনে বিচার হওয়ার কথা; ২ মাসে চোখের উপর পোড়ায়ে ৬০/৭০ জন মানুষ মারলো, ১৫০ জনকে আজীবনের জন্য পংগু করলো, ৩০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ বিনস্ট করলো; আসলে, কারো না কারো বিচার হওয়ার দরকার, কেহ না কেহকে আইনের আওতায় আসতে হবে; যত শীঘ্র, মানুষের জন্য ততই ভালো।
আন্দোলন ভুলে যাও, এখন হনুমানের লেজ বাঁচাও। আজ রাতে, বিএনপি'র স্ট্র্যাটেজি বুঝা বেশ মুশকিল হয়ে গেছে: আপোষহীন নেত্রী গ্রেফতার এড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, আবার বিএনপি'র আরেক গ্রুপ 'হরতাল' দিচ্ছে; দুই বিপরিতমুখী পদক্ষেপ।
গুলশান অফিসে যারা আছে, তারা মনে হয়, বুঝতে পারছে যে, নিজ লেজ বাঁচানোই এখন বড় কাজ; কিন্তু তারা ভেতরে থেকে তা করতে পারছে না; বেরিয়ে গেলে আজীবনের জন্য আউট। মনে হয়, তারাও চাচ্ছে যে, খালেদা জিয়া অবরোধ তুলে নেক। বাহিরে যারা আছে, তারা চাচ্ছে খালেদা জিয়া গ্রেফতার হোক। মনে হয়, বিএনপিও চাচ্ছে এস্পার কিংবা ওস্পার।
গ্রেফতারী পরোয়ানা কিছুতেই থানায় পৌঁচছে না; সেটা এক বিরাট সমস্যা: এ সমস্যাটা পুরো জাতির কপাল পুড়বে, কে বা কাহারা শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার মাঝে শেষ মহুর্তেও যোগাযোগ করে, মিটমাট করার চেস্টা করছে।
এটা জাতির প্রতি নতুন বিশ্বাসঘাতকতার দরজা খুলবে; খালেদা জিয়ার গ্রেফতার জাতির জন্য দরকার হয়ে পড়েছে; হয় আরো বেশী মানুষ পুড়ুক, না হয় এর অবসান হোক। গ্রেফতারের কাগজ থানায় না যাওয়া, এক বিরাট যড়যন্ত্রের শুরু মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



