বাংলাদেশের রাস্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম, এই ধারাটি সংবিধানে যোগ করা হয়েছে জেনারেল এরশাদের সময়; জেনারেল জিয়ার সময়, ১৯৭২ সালের 'ধর্ম নিরপেক্ষতা' সংবিধান থেকে সরানো হয়েছে। সর্বশেষ, শেখ হাসিনা ১৯৭২ সালের শাসনতন্ত্রকে বহাল করেছেন। কিন্তু এরশাদের আমলের সংযুক্তিকরণকে বাতিল করা হয়নি; ফলে, রাস্ট্র ধর্ম থাকছে ইসলাম, ও রাস্ট্র ধর্ম নিরপেক্ষ।
এই ফাজী লজিকের থেকে বের হওয়ার জন্য সুপ্রীম কোর্টের এক আইনবিদ রিট করেছিলেন; কোর্ট রিটটা খারিজ করে দিয়েছে; অর্থৎ, এই দ্বৈত অবস্হা ঠিক আছে, এটাই বহাল রলো।
আমাদের মানুষের ধর্ম, রাজনীতি, সায়েন্স, অর্থনীতি ও সংকৃতি ধারণা যে পর্যায়ে আছে, এ ধরণের দ্বৈত অবস্হা কোন সমস্যার সৃস্টি করছে না, আপাতত; কারণ, সরকার শরিয়া আইন প্রয়োগের ক্থা ভাবছে না; যদিও শেখ হাসিনা একবার, ভোটের আগে বোধ হয়, বলেছিলেন যে, দেশ মদীনা সনদ অনুসারে চলবে; আসলে, স্বয়ং মদীনা নগরী লোকেরা মদিনা সনদ থেকে বোম্বে নগরীর সনদ বেশী পছন্দ করেন।
আবার ধর্ম নিরপেক্ষতা বাংলাদেশে তেমন প্রভাব ফেলবে না; রাস্ট্রের ধর্মীয় মন্ত্রনালয় আছে, তারা ধর্মীয় খাতে বাজেট রেখেছে; এবং সরকারী খরচে ইমামদের বেতব দিচ্ছেন; প্রচুর মানুষ হজ্ব করছেন সরকারী টাকায়; এবারও ৩০০ জন হজ্বে যাবেন দেশের টাকায়। অবশ্য দেশের টাকায় কেহ গয়া কাশী যায় কিনা, আমার জানা নেই, সুরনজিত বাবু বলতে পারবেন, ইনিই আবার আমাদের সংবিধানের বড় পন্ডিত।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


