সরকারী কর্মচারীদের বেতন পুরোপুরি দ্বিগুণ করা হয়েছে; এক সময়ের সরকারী চাকুরে মুহিত চেস্টা করছে দেশ যেন সরকারী কর্মচারীদের বেতনের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয় মাত্র। এটা বর্তমান বিশ্বের ফাইন্যান্স'এর নিয়মের বাহিরে; দেশের প্রাইভেট সেক্টরই আসল চাকুরীর মালিক, ওরা কি সরকারের সাথে পাল্লা দিয়ে বেতন বাড়াবে; ওখানে কি ঘুষ খাবার উপায় আছে? তা'হলে দেশের বিরাট অংশের মানুষের আয় তুলনামুলকভাবে কমে গেল!
সর্ব নিম্ন বেতন ৪ হাজার থেকে ২ গুণ করে ৮ হাজার হলেও, এতে একটা পরিবার চলতে পারে না; আবার ৪৫ হাজারকে ২ গুণ করলে ৯০ হাজার টাকা বেতন হিসেবে বাংলাদেশের জন্য খুবই বেশী। সেক্রাটারীদের বেতন ২ গুণ করা মানে, মোটামুটি মানুষের সম্পদ এদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র; আবার বড় বেতনের লোকেরা চরম দুর্নীতিবাজ।
আমার ধারণা, বাংলাদেশের প্রশাসনে ৪/৫ লাখ চাকুরী আছে, যাদেরকে সরকার বেতন না দিলেও, ওরা চাকুরী করে যাবে আজীবন, এরা এমন দুর্নীতিবাজ; সুতরাং বেতন বাড়ানোর সময় এই ব্যাপারগুলো ভাবনায় আনার দরকার ছিলো। যেসব চাকুরীতে ঘুষই আসল আয়, সেখানে অকারণে এত টাকা খরচ করার দরকার কি ছিল? বেতন বেশী দিলে কি এরা ভালো হয়ে যাবে?
শুধু মাত্র বেতন দিতে, বাজেট থেকে আরো ৪ বিলয়ন ডলার চলে যাবে এ বছর থেকে; আমাদের নিজের টাকায় বাজেট ধরলে, আমাদের বাজেট এখন ৩০ বিলিয়নের কাছে; বেতন ও ভাতায় মিলে ১৯ থেকে ২০ বিলিয়ন খরচ হয়ে যাবে। উঁচু বেতনের খারাপ দিক হলো, তারা ভাতা ও বাড়ী ভাড়া পায় শতকরা হিসেবে।
সর্ব নিম্ন বেতন ৮০০০ ধরা হয়েছে, এবং সর্বোচ্চ বে্তন ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার টাকা; সেক্রেটারীদের জন্য আলাদাভাবে ৯০ হাজার ধরা হয়েছে; ৮ হাজার ও ৭৮ হাজারের পার্থক্য মানবতার বিরোধী। এ ধরণের পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে অনেক কস্টকর করে তুলবে; শিক্ষায় ও চাকুরী থেকে টাকা নিয়ে বেতন দেয়া হবে; মানুষকে জোর করে পেছনে ঠেলে দিচ্ছে মুহিতরা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


