
সিনেট মেজরিটি ৫১ সীট, রিপাবলিকান; হাউজ মেজরিটি ২২২ সীট, ডেমোক্রেট; ২ দলই জয়ী।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল, রিপাবলোকানরা সিনেটে, ১০০ সীটের মাঝে ৫১ সীট ধরে রেখে মেজরিটি পেয়েছে; বিরোধীদল, ডেমোক্রেটরা হাইজে, ৪৩৫ সীটের মাঝে ২২২ সীট ধরে রেখে মেজরিটি পেয়েছে। ২০১৬ সালে, ট্রাম্পের বিজয়ের দিন, রিপাবলিকানরা সিনেট ও হাউজে মেজোরিট পেয়েছিলো।
আমেরিকার 'মিড-টার্ম ইলেকশান' হলো, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ২ বছর পর, হাউজ, সিনেট ও গভর্ণর নির্বাচন; এই নির্বাচন গুলোতে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা প্রকাশ পায়। রিপাবলিকনরা সিনেটে আগের তুলনায় ২ টি সীট বেশী পেয়েছে; ডেমোক্রটরা হাউজে ২৫টির মতো রিপাবলিকান সীট জয়ী হয়েছে; এখনো সিনেটের ৪টি সীট ও হাউজের কিছু সীটের রেজাল্ট প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি; কারণ, এদের ভোটের পার্থক্য খুবই কম, এদের রেজাল্ট দেয়ার জন্য ডাকযোগে আসা ভোট গুণতে হতে পারে।
নির্বাচনে ট্রাম্পের কিছুটা পরাজয় হয়েছে, সে হাউজের মেজোরিটি হারায়েছে; কিন্তু, আমেরিকায় প্রায় মিডটার্মে এই ধরণের ঘটনা ঘটে! সে কমপক্ষে সিনেট ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
আমেরিকার পার্লামেন্টের নাম কংগ্রেস; ইহা ২ কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট; আপার হাউসের নাম সিনেট, এখানে প্রতি প্রদেশের ২ জন করে মোট ১০০ জন জনপ্রতিনিধি আছেন; লোয়ার ক্ক্ষ হাউজ নামেই পরিচিত, এখানে ৪৩৫টি সীট আছে। সিনেটে, ক্ষমতাসীন দল, ১০০ টি সীটের মাঝে ৫০ পেলেই মেজরিটি পেয়ে যায়; কারণ, ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে একটি রিজার্ভ ভোট আছে, যা তিনি সময় মতো প্রয়োগ করতে পারেন। লোয়ার হাউজে ২১৮ সীট পেলে, মেজরিটি। কংগ্রেসে "বিল" পাশ করাতে হয় উভয় হাউজে।
"বিল" শব্দটি বাংলাদেশের শিক্ষিত মানুষের কাছেও মোটামুটি হেঁয়ালী হয়ে রয়েছে; কারণ, শিক্ষিতদের শিক্ষার মান খুবই নীচু হওয়ায়, তারা বিল ইত্যাদি বুঝে না বললেই চলে।
আমেরিকান ভোট বাহির থেকে খুব একটা বুঝা যায় না; টেলিভিশন, নিউজপেপারে বেশী প্রচার চলে; সভা মিছিলও হয়, তবে বেশীর ভাগই কোন হলের মাঝে হয়ে থাকে। প্রার্থীদের বেতনভুক্ত কর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে যায় ও রাস্তাঘাটে মানুষের সাথে কথা বলে; প্রার্থী নিজ এলাকায় মিটিং করে নিজের এজেন্ডা নিয়ে কথা বলে, টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেয়।
ইলেকশান কমিশন ভোটের আয়োজন করে খুবই নিখুতভাবে; বেশীর ভাগ ভোট হয়ে স্হানীয় স্কুলগুলোতে; এই সময়, ইযলেকশান কমিশন স্হানীয় লোকদের সাময়িক চাকুরী দেয় মানুষকে সাহায্য করার জন্য; বেশীর ভাগ ভোট হয় মেশিনে।
বাহির থেকে যাতে ভোট হ্যাকিং হতে না পারে, এবার ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে উহাকে "স্কেন" করে মেশিনে নেয়া হয়েছে; সাথে ব্যালটও থেকে গেছে; কোনরূপ সন্দেহ হলে, তারা পেপার ব্যালেট গণনা করতে পারবে। এবারের মেশিনগুলো কোনভাবে পাবলিক নেটওয়ার্কে ছিলো না; ফলে হ্যাকিং হওয়ার কোন উপায় ছিলো না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



