
ঢাকার ডেংকু যাতে সারা দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, সেটা মনে রেখে, সরকারের উচিত, এই ঈদে ঢাকার মানুষকে ঢাকার বাহিরে যেতে না দেয়া; এতে দেশে সরকার-বিরোধী মনোভাব গড়ে উঠবে কিছুটা; কিন্তু জাতি উপকৃত হবে, জাতির শিক্ষিত অংশ সরকারের সাথে থাকবে। ডেংগু যদি গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, অবস্হা হবে ভয়ংকর: ওখানে ভালো ডাক্তার নেই, ল্যাব নেই, মানুষের কাছে চিকিৎসা করানোর মতো যথেষ্ঠ টাকা পয়সা নেই।
শেখ হাসিনার ডিক্টেটরশীপকে এই ধরণের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা উচিত।
"স্ত্রী মশা রক্ত না খেলে ডিম দিতে পারে না"; ঢাকায় যারা কোরবাণী দেবে, তারা যেন গরু/ছাগলে রক্তটুকু সংগ্রাহ করে, মাটির নীচে পুতে ফেলে সেটার অর্ডার দেয়ার দরকার; যদি কোথায়ও রক্ত পড়ে, উহাকে পানি দিয়ে না ধুয়ে মাটি দিয়ে ডেকে দেয়ার জন্য উপদেশ দেয়ার দরকার।
যদি এবার ঢাকা অন্যবারের মতো গরুর রক্তে ভেসে যায়, ঈদের পরপরই মশক বংশ বিস্তারের বিস্ফোরণ ঘটবে; এই নিয়ে যদি মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো হয়, মানুষের মাঝে সচেতনতা আসবে।
বাংলাদেশের মানুষের যে সামাজিক চরিত্র, প্রশাসনের যে চরিত্র, এবং বাংলাদেশের যে আবহাওয়া, বাংলাদেশে মশা কমবে না; ফলে, একা মশা মারার প্রচেষ্টা করে, মশা-বাহিত রোগগুলোকে নির্মুল করা সম্ভব নয়।
ডেংগু ও চিনগুনিয়াকে কন্ট্রোল করতে হলে, বাংলাদেশ সরকারকে টিকা ডেভেলপমেন্ট ও উৎপাদন করতে হবে; এটিও সোজা ব্যাপার; আজকে, বিশ্বের ১২টি দেশের কাছে প্রথামিক টিকা আছে; উহাকে আরো ডেভেলপ করার জন্য বাংলাদেশকে ওসব দেশের সাথে কাজ করতে হবে মাত্র। এভাবে যেই পরিমাণ টাকা খরচ হবে, সেটা মশা মারার থেকে অনেক কম।
সরকারের উচিত, ঢাকায় বসবাসকারীদের ঈদ উপলক্ষে বাড়ী যাওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে, শহরেই যাতে ঈদ উদযাপন করতে পারে, তাতে সাহায্য করা।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




